
যশোরের কেশবপুরে শরীকানা পুকুরের প্রায় ১৫ মণ মাছ লুট করে বিক্রির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সজল হোসেন (২৩) নামে এক যুবককে মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৯ জুন) ওই যুবকের বাবা উপজেলার মঙ্গলকোট গ্রামের জহুরুল ইসলাম ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে কেশবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। আহত সজল হোসেন বর্তমানে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মঙ্গলকোট দক্ষিণপাড়া এলাকার জহুরুল ইসলামের শরীকানা পুকুর থেকে সোমবার সকাল ৬টার দিকে প্রায় ১০ মণ রুই মাছ, ০৫ মণ কাতল মাছসহ আনুমানিক ৫ লাখ টাকার মাছ প্রতিপক্ষ অংশীদাররা লুট করে বিক্রি করে ফেরার পথে তাদের কাছে মাছ ধরার কথা জানতে চাইলে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে ওইদিন বেলা সাড়ে ১১টার সময় মঙ্গলকোট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সামনে জহুরুল ইসলামের ছেলে সজল হোসেনের পথরোধ করে তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। ওই সময় সজল হোসেন গালিগালাজের কারণ জিজ্ঞাসা করলে তাকে লোহার রড ও জিআই পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় তার সাথে থাকা চাচাতো বোন আলিফা খাতুনকেও (১৮) মারপিট করা হয়।
আহত সজলকে উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ঘটনা উল্লেখ করে সজল হোসেনের বাবা জহুরুল ইসলাম কেশবপুর থানায় মঙ্গলকোট দক্ষিণপাড়া এলাকার রোমান হোসেন (২৫), আবুল কালাম বিশ্বাস (৪৮), রিফাত হোসেন (২১), শফি শেখ (৪৬), মোসলেম উদ্দিন বিশ্বাস (৫২), মামুন হোসেন (২৮), সুমন হোসেন (২৫), মিজানুর রহমান (৪৮), সুফিয়া বেগম (৩৭) ও বিউটি বেগমসহ (৪০) অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে আবুল কালাম বিশ্বাস বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে এটা স¤পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। তবে বাজারে শুনেছি উনার (জহুরুল) ছেলেকে (সজল) বাজারে একটা ঝামেলায় কে বা কারা আঘাত করেছে। ওই পুকুর আমাদের পৈত্রিক স¤পত্তি।
এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইমুন হোসাইন বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। পুকুরের শরীকানাকে কেন্দ্র করে মারামারি হয়েছে। অভিযোগের তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন