
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কালীগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে পশুর হাট বসেছে। এসব পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে জমে উঠেছে বেচাকেনা। আজ শনিবার (১৬ ই মে ) সকাল থেকে বারোবাজার পশু হাটে ক্রেতা বিক্রেতাদের প্রচণ্ড ভিড় লক্ষ করা গেছে। সবাই নিজেদের পছন্দমতো কোরবানির পশু কিনতে ব্যস্ত।
গান্না বাজার পশু হাট, কালীগঞ্জ নতুন বাজার পশু হাট, বারোবাজার পশু হাট, কালার বাজার পশু হাট সহ প্রতিটি হাটই এখন মানুষের উপচে পড়া ভিড়ে মুখরিত। ভোর থেকেই ক্রেতারা হাটে হাটে ঘুরে যাচ্ছেন, পশুর দাম-দর কষাকষি করছেন এবং পছন্দসই পশু কিনে বাড়ি ফিরছেন। বিক্রেতারা বলছেন, এই দশ দিন বেচাকেনার সবচেয়ে বড় সময়।
হাটগুলোতে বিভিন্ন জাতের গরু ছাড়াও খাসি, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে কোথাও কোথাও দেখা মিলেছে বিশাল সাইজের গরু। তবে এবারও মাঝারি ও ছোট আকারের গরুর চাহিদা বেশি। বড় গরুর চাহিদা তুলনামূলক কম থাকায় বিক্রেতারা চিন্তিত।
বারোবাজার হাটের এক ইজারাদার কামাল হোসেন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত হাট স্থিতিশীল রয়েছে, তবে বড় গরুর চাহিদা কম হওয়ায় বিক্রেতারা উদ্বিগ্ন। বিকেল থেকে হাটে আরও মানুষের ঢল পড়বে বলে আশা করছি।’
বিপুল মানুষের ভিড় আর মূল্যবৃদ্ধির কারণে অনেক ক্রেতাই পশুর দামকে তুলনামূলক বেশি বলছেন। চট্টগ্রাম থেকে আসা এক ক্রেতা বলেন, ‘প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে ঘুরছি, কিন্তু বাজেটের মধ্যে গরু পাচ্ছিলাম না। দাম একটু বেশি। তবে পছন্দ হওয়াই দুই লক্ষ টাকা দিয়ে বিশাল সাইজের একটা কালো গরু কিনেছি।
অন্য একজন ক্রেতা মন্তব্য করেন, ‘বড় গরুর দাম অনেক বেশি, মাঝারি ও ছোটদের দামও বেশ চড়া।’
বারোবাজার পশুর হাটে আজ সকাল থেকেই ক্রেতার ভিড় লক্ষ করা গেছে। স্থায়ী এই পশুর হাটে নানা বর্ণের বিশালদেহী দেশি গরুর সমাহার সবার নজর কেড়েছে।
হাটের ইজারাদার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বেচাকেনার জন্য পোশাকধারী ও সাদাপোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন। ঈদকে কেন্দ্র করে নানা অপরাধমূলক কার্যকলাপ রোধে পুলিশ সদস্যরা বিশেষ সতর্ক অবস্থানে আছেন।
মন্তব্য করুন