
নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের একটি বটগাছকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয়ভাবে নানা অলৌকিক গল্প ছড়িয়ে পড়েছে। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঘটনাটির পেছনে কোনো অলৌকিকতা বা রহস্য নেই; এটি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও বৈজ্ঞানিক কারণে ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক মাস আগে ঝড়ের সময় বটগাছটি উপড়ে পড়ে যায়। পরে গাছটি বিক্রি করার উদ্দেশ্যে এর ডালপালা ও উপরের ভারী অংশ কেটে ফেলা হয়। এতে গাছের উপরের অংশের ওজন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
অন্যদিকে গাছের গোড়া ও শিকড়ের সঙ্গে প্রচুর মাটি আটকে থাকায় নিচের অংশ তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি ভারী হয়ে পড়ে। ওজন ও ভারসাম্যের এই পরিবর্তনের কারণে গাছের অবশিষ্ট অংশ ধীরে ধীরে আবার সোজা অবস্থানে চলে আসে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বড় গাছ উপড়ে পড়ার পর ওজনের কেন্দ্র পরিবর্তিত হলে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। ফলে আউড়িয়ার বটগাছের ঘটনাও স্বাভাবিক প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার ফল, এর সঙ্গে অলৌকিক বা অতিপ্রাকৃত কোনো ঘটনার সম্পর্ক নেই।
এদিকে গাছটিকে ঘিরে নানা গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল। তারা বলছেন, বাস্তব ঘটনা না জেনে অলৌকিকতার গল্প প্রচার করলে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা সৃষ্টি হতে পারে।
মন্তব্য করুন