
এক ইশকুলি পরীক্কে চইলতেচে। ঘন্টা খানেক পর, পরীক্কের হলেত্তে এক ছাত্তররে মাত্তি মাত্তি মাইস্টের তারে ধইরে নিয়ে গেচে হেড মাইস্টেরের খোপে। ছ্যামড়াডার বেহাল দশা দেইকে হেড মাইস্টের আকাটা মাইরে যাইয়ে কচ্চে, পরীক্কের মদ্দি এরে মাত্তি মাত্তি এই দিকি আনলেন ক্যান, কি কইরেচে ও। আর ওর জামার বুতাম সব খুলা, বুক গলা তলা সব দেকা যাচ্চে, ফ্যারাডা কি! যে মাইস্টের তারে হলেত্তে ধইরে আইনেচে তিনি হেড মাইস্টেররে কলেন, স্যার আর কইয়েন না।
এত বড় ধড়িবাজ এইতি, পরীক্কের হলে স¹লির সুমকি নকল কত্তিলো। এই কতা শুইনে তো হেড মাইস্টেরের মিজাজ খাররা। কলে হ্যাতো বড় সাহস ওর, নকল করে। তা কি নকল কইরেচে ও। মাইস্টেরডা কলে, স্যার বিজ্ঞান পরীক্কের কোচ্চেন আইয়েচে মানসির বুকি কয়খান হাড়। হারামজাদা উত্তর লিকার আগে জামা খুইলে বুকির হাড় গুনতিলো। কত বড় প্যাটে পিলে কনদিনি স্যার!
এই কতা শুনার পর হেড মাইস্টের কি কইলো তা আর না কলাম। ইশকুল কলেজে পড়ার সুমায় নকল করার নানান তরিকে ছিল। যারা পড়ালিকায় এট্টু চিড়ে যুইত ছিল তারা পাশ করার জন্যি ইরাম টুলাইনির আশ্রয় নিতো। তেবে ধরা খালি সেইরাম ডলাতো খাইতো উপরন্ত শাস্তি স্বরুপ কয় বচর পরীক্কে দিতি না দিয়া, ইরাম কি ইশকুলতে খেদায় দিয়াও ঘটনা জানি। নকল করা অবশ্যই নিন্দের কাজ যাতে কেউ এর পক্কে কোন টু শব্দ করিনি। সব সুমায় সবাই এর বিপক্কে ছিল। ছিল কতি হচ্চে এই কারনে বত্তমানে যুগির মতো নকলের ধরনও পাল্টায়েচে। একন শুদু ছেলেপিলেরাই নকল কচ্চে না। অনেকেই নকল কইত্তেচে।
হালি কইরে নতুন বচরের নতুন বই ছাপাতি বড় বড় মানসির নকল করার ঘটনায় আকাটা মাইরে গিলাম। কেউ গুগলতে উলায় দেচেন, কেউ হ্যানতে হোনতে কাটপিচ কইরে মাইরে দেচেন। গুজামিল কইরে ছাপানো বইতি বানান ভুলির যে মচ্ছব তার কোন ইয়েত্তা নেই। কোটি কোটি টাকা খচ্চা কইরে বড় বড় শিক্ষেবিদ দিয়ে বই লিকোয়ে তার ফল যদি এই হয় তালি ছেলেপিলে শেখপেডা কি!
হয়ত কয়দিন পর উনারা নতুন নিয়ম কইরে দেবেন, কিলাসের মতো নকল কল্লিও ছেলেপিলেরে বাইড়োনো যাবে না! আলাম কনে, মলাম যে!
ইতি- অভাগা আক্কেল চাচা ০১৭২৮৮৭১০০৩
মন্তব্য করুন