
আমাগের এক দাদা আছেন পন্ডিত গোচের। হ্যানো কোন জিনুস নেই যার হেজেমানে তার জানা নেই। শুদু তার কাচে যাইয়ে পাড়তি যট্টুক সুমায়। তিনি ঝনাৎ খচাৎ তার সুমাধান কইরে দিতি পারেন। একন যিরাম গুগল মামা। কি জানতি চাই লিকতি যট্টুক সুমায় খোজ কইরে আনতি তার তত সময় লাগে না।
যাগগে যা কওয়ার জন্যি পন্ডিত দাদার গল্প উসালাম। সিডা হচ্চে ময় মুরুব্বীগের মুকি হইয়ে ধইরে শুইনে আসতিচি, যত দোষ নন্দ ঘোষ। আর কারো দোষ হয় না, সব দোষ নন্দ ঘোেেষর কেন হয়, ফ্যারাডা কি! ইডা জানতি দাদার কাচে গিলাম।
তিনি যা কলেন, তার সারমম্ম হচ্চে মথুরার রাজা কংসের হাতেত্তে বাচানোর জন্যি শ্রীকৃষ্ণরে জম্মের পর পরই চাপনিতিতে বিন্দাবনের ঘোষপাড়ায় নন্দঘোষের বাড়িতি রাইকে আসেন তার বাপ বাসুদেব। তকনতেই ছোট্ট কৃষ্ণ নন্দ ঘোষ আর যশোদার কোলে কাকে বড় হতি থাকেন।
কুটি কালতেই তিনি ছিলেন সেইরাম ডানপিটে। লোকের বাড়িত্তে ননী চুরি কইরে খাওয়া, ঘাটে মাইয়েরা চ্যান কত্তি গেলি তাইগের পুশাক আশাক লুকোয় রাকাত্তে শুরু কইরে হ্যানো কোন দুষ্টোমি ছিল না যা তিনি কত্তেন না। যার সাতে ইরাম অনজ্বালা কত্তেন তারাই আইসে নন্দ ঘোষের কাচে নালিশ দিতো।
তিনি গভীর মন দিয়ে লোকের নালিশ শোনতেন। যারা নালিশ দিতি আইসতো তারা মনে কইত্তো আজ কৃষ্ণের এট্টা হেস্তনেস্ত কইরেই ছাড়বে। কিন্তুক নন্দঘোষ ছোট্ট কৃষ্ণরে হ্যাতো ভালবাসতেন যে ককনো কারো ক্ষেতি হলি গুনোগারি দেতেন তেবু কুটি ছাবালরে কিচু কতেন না।
এই সব ঘটনা দেইকে মুকি মুকি চাউর হইয়ে গেলো নন্দঘোষের আস্কারা পাইয়ে কৃষ্ণের হ্যাতো বাড় বাইড়েচে। তাই বিন্দবানবাসী কিচু হলি আর কৃষ্ণোর নামে কোন দোষ দিত না, কইতো সব যত দোষ সব নন্দ ঘোষের। সেইত্তে কোনটোয় কিচু হলি স¹লি কয়, যত দোষ নন্দ ঘোষ।
একনো সুমাজে নানান জন নানান কিচু কইত্তেচে। কিন্তুক যারা এই সব অপকম্ম কচ্চে সিডা কোন দোষের মনে কচ্চে না। কারন দায়ডা যদি কৌশলে আরাক জনের ঘাড়ে ফেলায় দিয়ে নন্দঘোষ বানায় দিয়া যায় তো তো সে কুল্লু খালাস। যার ঘাড়ে ফেলানো হইলো সব দোষ তার।
তাই একন অপরাদ করা কোন বিষয় না বিষয় হচ্চে নন্দঘোষ তলাশ কইরে বাইরো করা। কি সব্বোরাশে কতা কওদিনি বাপু ! আলাম কনে, মলাম যে !
ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন