
কতাডা শুনলি বুজা যাবে কতডা তিক্কেয় পড়লি মানসির মুক দিয়ে ইরাম শব্দ বাইরোয়। ‘যে হাসপাতালের মানুষরে চিকিসসে সিবা দিয়ার কতা সেই হাসপাতাল আজ নিজিই আইসিইউতি চইলে গেচে’। কতাডা আমি কইনি, কইয়েচেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানসিলা জেবরিন খালা। শেরপুর সদর হাসপাতালে যথাযথ স্বাস্ত্যসিবার ব্যবস্থা নেই বিলে তিনি এই অভিযোগ কইরেচেন। খালা সংসদে বক্তিমা দিয়ে কইয়েচেন শেরপুর সদরের চর এলেকার অধিকাংশ রাস্তাই কাচা। সেই দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে একজন অসুস্থ লোক, মুমূষষো রুগী কিংবা পুয়াতি মা জীবন বাচানোর শেষ আশায় শেরপুর সদর হাসপাতালে যান। কিন্তুক স্যানে বেড না পেয়ে হাসপাতালের মাইজে, বারান্দা কিংবা চলাচলের গলিপথে দিনির পর দিন কুতরাতি থাকেন। বিষয়ডা অত্যন্ত দুক্কুজনক। এ হাসপাতালে সিনিয়র ১০টি কনসালটেন পদের সবকডাই ফাকা। হাসপাতালে পেত্তেকদিন পিরায় ৭০০ রুগির চাপ সামলাতি হ্যারেজ খাইয়ে যান ডাক্তার, নাস, পরিচ্ছন্নকম্মী ও নিরাপত্তাকম্মীরা। স্যানে অ্যাম্বুলেন্স আছে, কিন্তুক ডিরাইভার নেই। ৯ তালা দালান আছে, কিন্তুক রুগিগের জন্যি পর্যাপ্ত লিফট নেই। এ সুমায় তিনি আরো কইয়েচেন করোনার সুমায় শেরপুর সদর হাসপাতালে পিরায় ১১ কোটি টাকা খচ্চা কইরে আইসিইউ, সিসিইউ ইউনিট গড়া হইলো। কিন্তুক দরকারি লোকজনের অভাবে ইউনিটগুলো অকাইজো হইয়ে পড়ে আছে। ম্যালাদিন পড়ুটে থাকায় এগুলো মাদকসেবীগের আড্ডাখ্যানায় পরিণত হইয়েচে। ইরামকি গুরুত্বপূন্ন চিকিসসে যন্তরপাতিও হররোজ চুরিচামারি হচ্চে। দালাল, চোর, ছিনতেইকারী আর মাদকসেবীগের আখড়া হইয়েচে হাসপাতালের এট্টা অংশ। পাশেই ময়লার ডাসবিনির দুরগন্দ সুস্ত মানুষরেও অসুস্ত কইরে তোলচে। এই পন্তিক আসতিই আশপাশতে স¹লি আমারে চাগাবাগা কইরে ধল্লে। তাইগের কতা হাসপাতালের এইচিত্তর কি শুদু শেরপুরির না, দেশের পিরায় সব সদর হাসপাতালের অন্তরপুরির চিত্তর ইডা। তাইগের চাগাবাগার কচনে আমার পাটায় পড়ার জুগাড়। আলাম কনে, মলাম যে ! ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন