
আগে এক সুমায় দেকতাম মানসির বড় নাম কুটি কইরে থুয়া বা ডাকা হইতো। যিরাম এটিমএম শামসুজ্জামান। উনার পুরো নাম ছিল আবু তাহের মুহাম্মদ শামসুজ্জামান। বেশ কয়দিন ধইরে স¹লির মুকি যকন এআই এআই শুনতাম আমি পেত্তমে মনে করিলাম ইডা কারো নাম হতি পারে। হয়ত আনোয়ার ইব্রাহীম,যিনি মালরেশিয়ার পোধানমুন্ত্রী। পরে জানলাম ইডা এট্টা সফটার। কুটি কালে শুনা আলাদিনির আচ্চার্য পোদীপির গল্পের মত। পোদীপি ঘষা দিলি জেন বাইরোতো। তারে যা হুকুম দিয়া হইতো সে তা তামিল কইত্তো। একন মুবাল বা কম্পুটারে এআই সেই জেনের জাগা নেচে। তারে যা কওয়া হয় তাই কইরে দিতি পারে। কবিতা লিকতি কলি লিকে দেয়, ছবি আকায় দেয়, গান বানায় দেয়, ভিডিও বানায় দেয়। মোট কতা হ্যানো কোন জিনুস নেই যা সে পারে না। এই পোযুক্তি আসার পর স¹লি এতি হুবড়ি খাইয়ে পড়ার মত দশা। কিডা আর একন মাতা খাটায় সুমায় নষ্ট করবে। এক খুচায় সব কাজ করায় নেচ্চে। এই নিয়ে কাল টুয়াপাচা হচ্চিল। কেউ কেউ পন্ডিতির মতো কলে, এই সব যন্তরপাতি আইসে মানসির কাজ কুইমে যাচ্চে। একজন কলে কিরাম। সে কলে আগে ব্যানার হাতে লিকতি হইতো। কত সুমায় লাইগদো। পরে আইসলো প্যানা। ডিজাইন কইরে যা ইচ্চে তা ছাপানো শুরু হইলো। তাতে যে বিটারা হাতে লিকতো তাইগের কাজ গ্যালো কুইমে। প্যানা ছাপতি গেলি ডিজাইন করার জন্যি ডিজাইনারগের কাচে ধন্না দিয়া লাইগদো। ডিজাইনারগের রমরমা ব্যবসা। একন এআই দিয়েই কাজ চালায় দেচ্চে। তাইগের আর আগের মত চারাবাটি নেই। হয়তো আরো কিচু উসাতি চাইলে। মোড়লচা তারা থামায় দিয়ে কলে, বয়লার কুকড়ো আসলি স¹লি ভাবিল দেশি কুকড়ো চারাবাটি থাকপে না। কিন্তুক ফলডা কি হইয়েচে? একন দেশী কুকড়োর দাম বয়লারে চাইতে বহুত গুণ বেশি। একজন কলে মারফতি কতার প্যাচ বুজলাম না। চাচা কলে, স¹লি যখন এআইতে ঝুকে পড়বে। আস্তের আস্তের মিধা চচ্চা কুইমে যাবে। তকন যার মিধা থাকপে তার দাম দেশী কুকড়ো মতো হবে। মুরুব্বীর যুক্তির কতা শুইনে সব থ’ মাইরে গেলো। আলাম কনে, মলাম যে ! ইতি অভাগা আক্কেল চা
মন্তব্য করুন