শিরোনাম: ‘মাদকসেবীরা সরকারি চাকরি পাবে না’       সরকার আরো বেশি দানবীয় রূপ ধারণ করেছে : ফখরুল       ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ালে ইসরায়েলের সঙ্গ ছাড়বে যুক্তরাষ্ট্র!       উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে : এলজিআরডিমন্ত্রী       জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় সতর্কভাবে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান মনিরুলের       ইরানে করোনাভাইরাসে ৫ জনের মৃত্যু       স্বাধীনতার গৌরব থেকে বামপন্থীদের বাদ দেয়া যাবে না : মেনন       ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘যত গর্জে তত বর্ষে না’       কচুরিপানা নিয়ে গবেষণা চলছে : বাণিজ্যমন্ত্রী       মেয়ে শিশু অনেক প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠে : শিক্ষামন্ত্রী      
যশোরের ৬ হাজার টেলিফোন গ্রাহক ঝুঁকির মধ্যে
এম. আইউব :
Published : Saturday, 25 January, 2020 at 6:50 AM
যশোরের ৬ হাজার টেলিফোন গ্রাহক ঝুঁকির মধ্যেযশোরে ছয় হাজারেরও বেশি টেলিফোন লাইন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। পৌরসভার রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি, ড্রেন নির্মাণ ও সংস্কারে সমন্বয় না থাকার কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে বিড়ম্বনার মধ্যে পড়ছে গ্রাহক। গ্রাহক বিড়ম্বনার কারণে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ছে বিটিসিএল।
যশোর শহর ও শহরতলীতে বিটিসিএলের মোট ছয় হাজার তিনশ’ ৩৬ টি সংযোগ রয়েছে। বেশিরভাগ সংযোগ ব্যক্তি পর্যায়ের। বিভিন্ন সময় গ্রাহক তাদের টেলিফোন সংযোগ নিয়ে বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়ছে। কারণ তারা ঠিকমতো কথা বলতে পারছেন না। কয়েকজন গ্রাহক জানিয়েছেন, কখনও কখনও তাদের টেলিফোনে টোন পাওয়া গেলেও অন্যদের সাথে কথা বলা যায় না। প্রাথমিকভাবে গ্রাহক বুঝতে পারেন না এ অবস্থার কারণ কী।
বিটিসিএলের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী জানিয়েছেন, পৌরসভার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কাজের সময় টেলিফোন লাইন কাটা পড়ছে। আর তখনই এ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। সম্প্রতি শহরের দড়াটানা বকুলতলা এলাকায় সড়ক সংস্কারের সময় টেলিফোন লাইন কাটা পড়ে। একইসাথে কাটা পড়ে পানির লাইনও। এ নিয়ে দুর্ভোগে পড়ে পথচারীরা। লাইন বিচ্ছিন্ন হওয়ায় হাজার খানিক গ্রাহকের টেলিফোন সংযোগ বিকল হয়ে পড়ে। যদিও ওইসময় প্রধানমন্ত্রী যশোর বিমান বাহিনীর একটি কর্মসূচিতে আসার কারণে বিটিসিএল তড়িঘড়ি করে বিচ্ছিন্ন হওয়া লাইন মেরামত করে।
বিটিসিএলের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ওই সময় বিচ্ছিন্ন হওয়া টেলিফোন লাইন মেরামত করতে তাদের গলদঘর্ম হয়। কেবল তাই না, খরচ হয় কয়েক লাখ টাকা। একই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে শহরের খালদার রোড এলাকায়। এখানেও রাস্তা সংস্কার করতে গিয়ে বিটিসিএলের লাইন কাটা পড়ে। এ কারণে ঘরে টেলিফোন থাকার পরও কথা বলা থেকে বঞ্চিত হন এই এলাকার শ’ শ’ গ্রাহক। কেবল তাই না, ভুক্তভোগী গ্রাহক ওই সময় সংযোগ সচল করার জন্যে বিটিসিএলে আবেদন করেও সুরাহা হয়নি। এ বিষয়ে বিটিসিএল কর্মকর্তাদের দাবি, একবার লাইন কাটা পড়লে তা চালু করা সময় সাপেক্ষ। কারণ মোটা অংকের অর্থ খরচের ব্যাপার থাকে। যা অনুমোদন পাওয়া ছাড়া করা সম্ভব হয় না।
সর্বশেষ, ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে শহরের লালদীঘি এলাকার টেলিফোন গ্রাহকরা। এই এলাকায় পৌরসভা ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। যেখান দিয়ে ড্রেন করা হচ্ছে তার পাশেই রয়েছে বিটিসিএলের টেলিফোন লাইন। ড্রেন নির্মাণে যদি সাবধানতা অবলম্বন করা না হয় তাহলে শ’ শ’ টেলিফোন লাইন বিকল হয়ে পড়বে।
বিটিসিএল কর্মকর্তারা বলছেন, পৌরসভার রাস্তা বার বার খোঁড়া যায় না। একবার লাইনে কোনো ত্রুটি হলে রাস্তা খুঁড়ে তা ঠিক করতে পৌরসভার কাছ থেকে অনুমতি নিতে হয়। আর এই অনুমতি নিতে শুরু হয় চিঠি চালাচালি। যে কারণে কাজ শুরু করতে সময় লেগে যায়।
এসব বিষয়ে যশোর পৌরসভার সচিব আজমল হোসেন বলেন, পূর্বে এ ধরনের কিছু সমস্যা হয়েছে। কাজ করার সময় পৌরসভার সংশ্লিষ্ট বিভাগকে বিটিসিএলকে খবর দেয়ার নিয়ম রয়েছে। আবার শহরের মধ্যে আন্ডারগ্রাউন্ডে বিটিসিএলের যে লাইন রয়েছে তার কোনো ডিজাইন পৌরসভায় নেই। বিটিসিএলের উচিত তাদের ডিজাইনের একটি কপি পৌরসভার কাছে দেয়া। এখন ড্রেনগুলো অনেক ডিপ হচ্ছে। খনন করতে গিয়ে টের পাওয়া যাচ্ছে যে সেখানে টেলিফোন লাইন রয়েছে। বর্তমানে সমন্বয় করে কাজ হচ্ছে। ফলে, আগের মতো সমস্যা হচ্ছে না।
যশোর বিটিসিএলের বিভাগীয় প্রকৌশলী বেঞ্জুর রহমান বলেন, পৌরসভার উন্নয়নমূলক কাজ চলমান। সারা বছর কমবেশি কাজ হয়ে থাকে। তাদের জায়গায় তারা কাজ করবে এটিই স্বাভাবিক। তবে, এ কারণে মাঝেমধ্যে টেলিফোন লাইন কাটা পড়ে। তখন সমস্যায় পড়ে গ্রাহক। গ্রাহককে অনেক সময় তাৎক্ষণিক সেবা দেয়া সম্ভব হয় না নানা সীমাবদ্ধতার কারণে। তারপরও বিটিসিএল চেষ্টার কোনো ত্রুটি করে না। সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার জন্যে সব সময় তৎপর রয়েছে যশোর বিটিসিএল। যখন তাৎক্ষণিক সেবা দেয়া যায় না তখনই বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয় তাদের।    




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft