শিরোনাম: বোয়ালমারীতে মুক্তিযোদ্ধাকে লাঞ্ছিতের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন       কাঠালিয়ায় জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন       জিয়া আমাকে মন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল : রাষ্ট্রপতি       বিএনপি সবসময় বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচারে বিরোধিতা করেছে : কাদের       মোরেলগঞ্জে শোক দিবসে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা       নির্বাচনে হারলেও ট্রাম্প নীরবে ক্ষমতা ছাড়বেন না : হিলারি       খোকসায় আ.লীগ সভাপ‌তি বাবুল আখতা‌রের নেতৃ‌ত্বে শোক র‌্যালী       দিনাজপুরে বঙ্গবন্ধু'র শাহাদাত বার্ষিকী        স্বাধীনতা দিবসে চীন-পাকিস্তানকে মোদির হুঁশিয়ারি       আয়নায় নিজেদের চেহারা দেখুন : রিজভী      
কলাপাড়ায় পানিবন্দি ১৭ গ্রামের মানুষ
এইচ,এম, হুমায়ুন কবির, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) :
Published : Sunday, 5 July, 2020 at 12:40 PM
কলাপাড়ায় পানিবন্দি ১৭ গ্রামের মানুষ পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নে সাত কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ‘দফায় দফায় ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে আসেন জেলা, উপজেলা প্রশাসনসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থানীয় ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের আশ্বাস দেন। প্রতিশ্রুতি দেন। এমনকি ভাঙন পরিদর্শন করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকও। তিনি দ্রুততম সময়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের নির্দেশনা দেন পানি উন্নয়ন বোর্ডকে। এভাবে সবাই কথা দেন স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের। কিন্তু স্থায়ী বাঁধ দূরের কথা, গত পাঁচ বছরে হয়নি কোনো জরুরি সংস্কারকাজ।’
আক্ষেপ করে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস।
২০০৭ সালে সুপার সাইক্লোন সিডরে বিধ্বস্ত হয় লালুয়ার সাত কিলোমিটার বেড়িবাঁধ। এরপর বেশ কয়েকবার বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে জরুরিভাবে সংস্কারকাজ হলেও মানহীন, দুর্বল কাজের জন্য তা টেকসই হয়নি। ফলে প্রতি বছর ভেঙে বর্ষা মৌসুমের অস্বাভাবিক জোয়ারে পানিবন্দি হয়ে পড়ছে ১৭টি গ্রামের প্রায় কুড়ি হাজার মানুষ। প্লাবিত হচ্ছে ফসলি জমি, পুকুর ও ঘের। বছর জুড়ে অনাবাদি থাকছে হাজার হাজার একর ফসলি জমি। এতে পেশা হারিয়ে কর্মহীন ও নিঃস্ব হয়ে পড়েছে অনেক সচ্ছল পরিবার। দেনাগ্রস্ত অনেকেই অভাবের তাড়নায় ছেড়ে গেছেন এলাকা।
লালুয়ার চারিপাড়া, পশরবুনিয়া, বানাতিপাাড়া এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সাগর ও রাবনাবাদ নদের মিলন মোহনায় লালুয়া ইউনিয়নের চারিপাড়া এলাকায় বেড়িবাঁধের আদৌ কোনো অস্তিত্বই নেই। এর বিভিন্ন ভাঙা অংশ দিয়ে হু হু করে নামছে ভাটার পানি। ভাটার সময়ও ফসলি মাঠে থই-থই করছে পানি। বেশির ভাগ বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে আছে। বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ বসতঘর। পুরো ইউনিয়নে চলাচলের জন্য অবশিষ্ট নেই এক ইঞ্চি অভ্যন্তরীণ রাস্তা। বানের জলে ভেসে গেছে সেতু, সাঁকো। বিধ্বস্ত হয়ে গেছে অনেক কালভার্ট। খাবার পানিসহ গো-খাদ্যের দেখা দিয়েছে তীব্র সংকট। চারিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রিত হয়ে আছে গৃহহারা বেশ কয়েকটি পরিবার।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী ও সুবিধাভোগী ঠিকাদার এবং পাউবোর অসাধু প্রকৌশলীদের কারণে শুরু থেকেই বারবার সংস্কারকাজ হলেও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ হয়নি। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দাবি, ভূমি অধিগ্রহণসহ পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ না থাকায় লালুয়া বাঁধের স্থায়ী নির্মাণকাজ শুরুতেই আটকে যায়।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওলিউজ্জামান বলেন, পায়রা সমুদ্রবন্দর লালুয়া ইউনিয়নের ওই এলাকার জমি অধিগ্রণ করায় তাদের অনাপত্তিপত্র না পাওয়ায় পাঁচ বছর ধরে সংস্কার কাজ করা যাচ্ছে না।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft