শিরোনাম: চৌগাছায় প্রতিপক্ষের হামলায় অন্তসত্বা মহিলাসহ ২ জন আহত        যশোরে ঘরে ঘরে খাদ্য পৌঁছাতে কাজ করছে ছাত্রলীগ       আবির ম্যানুফেকচারীর পাঁচশ’ মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ       যশোরে ত্রাণ দিয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু       হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ছেলে ও মেয়ের বিয়ে দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান!       ডিজিটালি নববর্ষ উদযাপনের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর       ঘরে মিললো স্বামী-স্ত্রী সন্তানের লাশ       করোনা প্রতিরোধে কারাগারে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার       দুঃসময়ে সুযোগ নিলে ছাড়বো না: প্রধানমন্ত্রী       দিল্লিতে তাবলিগ জামাতে অংশ নেয়া ৬ ব্যক্তির মৃত্যু      
মিরসরাইয়ে বোরো আবাদে ভাটা :
১৪০টি সেচপাম্পের মধ্যে ১০০টি বন্ধ
মুহাম্মদ দিদারুল আলম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
Published : Tuesday, 18 February, 2020 at 8:52 PM
১৪০টি সেচপাম্পের মধ্যে ১০০টি বন্ধচট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সেচপাম্প আছে ১৪০টি। মূলত বোরো মৌসুমে সেচ দেয়ার জন্য এসব পাম্প স্থাপন করা হয়েছে। তবে চলতি বোরো মৌসুমে ৭০ শতাংশ সেচপাম্পই বন্ধ পড়ে আছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লোকসানের কারণে ধান আবাদে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা। কৃষকরা আগ্রহী না হওয়ায় ভর মৌসুমেও সেচপাম্প চালু করা হয়নি। এতে চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মিরসরাইয়ের ১ হাজার ৪৫০ হেক্টরে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত আবাদ হয়েছে মাত্র ৯শ হেক্টরে। বাকি জমিতে বোরো আবাদের সম্ভাবনা কম। এ কারণে এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৫শ হেক্টর কম জমিতে বোরো আবাদ হবে।
সূত্র জানায়, এ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভায় বিএডিসির ১৪০টি সেচপাম্প আছে। এসব পাম্প দিয়ে সেচের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে স্থানীয়রা কৃষকরা বোরো ও বিভিন্ন শাকসবজির চাষ করে থাকেন। বিনিময়ে বিএডিসি নির্দিষ্ট একটি ফি নিয়ে থাকে। কিন্তু এবার বোরো মৌসুমে প্রায় ১শ টি সেচপাম্পই বন্ধ পড়ে আছে। অর্থাৎ ৭০ শতাংশের বেশি পাম্প দিয়ে এবার সেচ দেয়া হচ্ছে না। এতে যেসব কৃষক বোরো আবাদ করছেন, তারাও বিপাকে পড়েছেন।
সেচপাম্প পরিচালনাকারী মো. সুরুজ আলী বলেন, কৃষকরা বোরো আবাদ করছেন না। তাই তিনি পাম্প বন্ধ রেখেছেন। কৃষকরা ধান আবাদে আগ্রহী হলে পুনরায় পাম্প চালু হবে। তিনি জানান, এক কানি (১২০ শতক) জমিতে পানি সেচ দেয়া বাবদ কৃষকরা ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা দিয়ে থাকেন।
উপজেলার একাধিক কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বোরো আবাদে আলাদা করে সেচের প্রয়োজন হয়। তাই খরচ বেশি পড়ে। কিন্তু উৎপাদন খরচের তুলনায় ধানের বাজারমূল্য কম হওয়ায় তারা এবার বোরো আবাদ করছেন না বা কমিয়ে দিয়েছেন।
তারা জানান, প্রতি কানি জমিতে বোরো আবাদ করতে খরচ হয় ২৮ থেকে ৩০ হাজার টাকা। কিন্তু এ জমি থেকে ধান পাওয়া যায় ৪৫-৫০ মণ, যার বাজারমূল্য ২০-২৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ এক কানিতে কমপক্ষে ৩ হাজার টাকা লোকসান হয়। তাই অনেকে বোরো আবাদে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন।
কৃষক আরো বলেন, এক শতক জমিতে বোরো আবাদ করতে খরচ হয় ২৫০-৩০০ টাকা। কিন্তু ধান হয় মাত্র ১২-১৫ কেজি, যার বাজারমূল্য মাত্র ১৫০-১৬০ টাকা। এত লোকসান দিয়ে কে ধান চাষ করবে?
এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কাজী নুরুল আলম জানান, বোরোতে খরচ বেশি। তাই অনেক কৃষক বোরো আবাদ করতে চান না। এ উপজেলায় চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫শ হেক্টর কম জমিতে বোরো আবাদ হবে। বোরো আবাদ না হওয়ার কারণে অনেক সেচপাম্প বন্ধ হয়ে গেছে। ভালো দাম পেলে কৃষকরা আবার ধান আবাদে আগ্রহী হবেন।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft