শিরোনাম: মৃত্যুর মিছিল বাড়ছেই       স্বাস্থ্যবিধি মানায় শৈথিল্য যশোরের অধিকাংশ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে       যশোরাঞ্চলে নামছে অর্ধেক গাড়ি       যশোরে স্বাস্থ্যসেবীসহ নতুন শনাক্ত চারজন       লিবিয়ায় পাচারকারীদের গুলিতে নিহত রাকিবুলের পরিবারে শোকের মাতম       সন্ত্রাসী হামলায় কালিয়া এখন আতঙ্কিত জনপদ       করোনা সঙ্কটে যশোরে শিক্ষার্থীদের মেসভাড়া কমানোর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন       স্বাস্থ্যবিধি মানায় শৈথিল্য যশোরের অধিকাংশ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে       চাল ছাড়া প্রায় সব পণ্যের দাম কমছে        যশোরে যুবক অপহরণের অভিযোগে বিক্ষোভ      
পুরানো সেই দিনের কথা
করোনা শিখিয়ে দিল আমাদের করণীয়
সফিয়ার রহমান :
Published : Wednesday, 1 April, 2020 at 9:38 PM
করোনা শিখিয়ে দিল আমাদের করণীয়আজ থেকে পনের বছর আগে আমার মেয়ে স্বর্ণ স্কুল থেকে হাঁপাতে হাঁপাতে বাড়ি এসে বলল, আব্বু তাড়াতাড়ি টিউবয়েলের কাছে আস। তোমার হাঁত ধোঁয়া শিখিয়ে দিই। ভাল করে হাত না ধুঁলে তোমার অনেক রোগ হবে। রোগ হলে মরে যাবা, তখন আব্বু কোথায় পাব।
মেয়ের হাতে একটা লাইফবয় সাবান। মনে মনে বললাম, আহারে বাঙ্গালী। পৃথিবীর মানুষ গবেষণা করে চাঁদ জয় করে মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে আর আমার মেয়ে হাত ধোঁয়া শিখছে। বুড়ো বয়সে আমাকেও শেখাচ্ছে। কাছে গেলে বলল, স্কুলে আজ ইউনিলিভার কোম্পানীর লোক এসে বিশ্ব হাত ধোঁয়া দিবস উপলক্ষে হাত ধোঁয়া শিখিয়ে দিয়েছে। তোমাদেরও হাত ধোঁয়া শিখিয়ে দিতে বলেছে। আম্মুকে হাত ধোঁয়া শেখাতে গেলাম। আম্মু রাগ দেখায়ে বলল, থো তুগের ছিনালে পাচা। কোম্পানী স্কুলে গিয়ে তোদের নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছে। হাত ধোঁয়া শিখায়ে সাবান ব্যাচপেনে। জীবনে বহু হাত ধুইছি, এখন কবরে গেলি বাঁচি।
মেয়ে বলল, ধর তুমি এখন বাথরুম থেকে এলে। এই সাবান দিয়ে হাঁত ধোওতো দেখি।
সঙ্গে সঙ্গে সাবান নিয়ে বাম হাতে মেখে দশ সেকেন্ডের মধ্যে ফেনাফেনা করে ধুয়ে ফেললাম।
মেয়ে হেসে বলল, হল না। তোমার বয়স পঁয়ত্রিশ হলে কি হবে! আজও তুমি হাত ধোঁয়া শেখনি। এখন শিখতে হবে।
মেয়ে দুই হাতে সাবান মাখল। দুই হাতে ফেনা হল। তারপর ডান হাতের আঙ্গুল পাঁচটা একত্র করে বাম হাতের তালু ঘষলো। অনুরুপভাবে বাম হাত দিয়ে ডান হাতের তালু ঘষলো। হাতের তালুতে যে রেখাগুলো আছে, ওর ফাঁকে কৃমির ডিম নাকি জেলির মত এঁটে থাকে। জীবানুও লুকিয়ে থাকে। হাতের নখের ভিতর এবং পাশের খাতগুলো নখ দিয়ে পরিষ্কার করল। প্রায় এক মিনিট লেগে গেল। ভাবলাম শেখার বাকি ছিল অনেক। খুকির মাকে আদরের সুরে ডেকে বললাম, ওগো শেখার বাকি আছে অনেক। মেয়ের কাছ থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা কাজ শিখে নাও। খ্যাক করে উঠে বলল, আমার হাতে বহু কাজ। তোমাদের কাজ নেই তোমরা শেখ।
জোর দিয়ে বলার আর সাহস হল না। বল্লার চাকে ঘা দিলে দুপুরবেলায় বিপদ আছে। মনে মনে বললাম, আহারে বিএ পাশ মহিলা, কাগজে কলমে বিএ পাশ, বাস্তবে মাথায় কিছুই ঢোকেনি। মেয়ে মায়ের আশায় রণে ভঙ্গ দিয়ে বাবাকে শেখাতে পেরেছে, এতেই সে গর্ববোধ করছে।
ছোটবেলায় দেখেছি গ্রামের নিরানব্বই ভাগ মানুষই বাড়ির পাশের বাগানে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিত। পুকুর, খালে, ডোবায় শৌচকার্ষ সম্পাদন করতো। কেউ হয়তো ঝোঁপকে আড়াল করে বসে গেছে। পিছন দিয়ে দুষ্টু প্রকৃতির ছেলে বা রসিক মানুষ দেখতে পেলে বলতো, হামবোল- পুঙয়ার তলদে বেঁজি গেল না। যে বসেছে, সে হয়তো আরও ঘাড় গুজে কাজ শেষ করল। বর্ষাকালে ছিল প্রকট সমস্যা। বিরামহীন বৃষ্টি নেমে মাঠঘাঠ তলিয়ে যেত। ছাতার ব্যবহার ছিলই না। ঋষিপাড়ার তৈরি বাঁশ ও তালপাতার তৈরি টোকা ছিল বৃষ্টির মধ্যে বের হওয়ার একমাত্র হাতিয়ার। টোকাও যাদের কেনার ক্ষমতা ছিল না তারা মানকচুর বা কলার পাতা মাথায় দিয়ে বাইরে বের হতো। বর্ষায় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়া ছিল আরও কঠিন। তাইতো শিশুরা মাথার চুল ফেলে টাক হলে সাদা মাথা দেখে বলে, ট্যাকটুক বর্ষাকালে হাগদি সুখ। খাল বিলের ধারে তখন প্রচুর চেঁচো জন্মাতো। চেঁচোর মাথায় হুল মত।  পা দিয়ে চেপে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে বসা কঠিন। চেপে রাখা চেঁচো ছাড় পেলেই চটাচট সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। এখান থেকেই প্রবাদ প্রচলিত হল, চেঁচো বনে হাগদি গেলি ছটকে ওঠে তামান গায়। মহিলাদের বদনা হাতে বাগানে যাওয়া লজ্জার ব্যাপার, তারা গোপনে বাগানে কাজ সেরে বাড়িতে এসে ঘরের পিছনে মেটে ভাড়ে রাখা পানি দিয়ে শৌচ কাজ সারতো। হাতে সাবান দিতে হয় তা তারা জানতোই না। ক্রমে বাগান উজাড় হতে থাকে, শিক্ষার আলো পৌঁছাতে থাকে এমনি কিছু বাড়িতে কাচা পায়খানা তৈরি হতে থাকে। বাড়ির লোকেরা কাঁসার বদনায় পানি নিয়ে প্রকৃতির ডাক শেষ করে কেউ কেউ বাম হাতটা মাটিতে ঘষা দিয়ে ধুয়ে ফেলতো। কেউ কেউ ছাঁই ব্যবহার করতো।
যুগের পরিবর্তন এসেছে। মানুষ শিক্ষিত হয়েছে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে। কাচা বাড়ি ছেড়ে গ্রামে সব পাঁকা বাড়ি। গ্রামে এখন কাচা বাড়ি পাওয়াই যায় না। বার্থরুম ব্যবহারে তারা কতটুকু সচেতন? যে বদনা ব্যবহার করল যেটা বাম হাত ডান হাত দু’টোরই স্পর্শ লাগে। জীবানু দুই হাতেই ছড়িয়ে পড়ল। বেসিনে গিয়ে ডান হাত দিয়েই ট্যাপ খুলল। জীবানু ট্যাপে লাগল। দুই হাত ভাল করে সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে ধুয়ে ফেলল। ট্যাপে সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ কিছুই লাগাল না। ট্যাপ বন্ধ করার সময় জীবানু আবার হাতে চলে এল। করোনার কারনে আমেরিকাতেও টিভিতে দেখাচ্ছে হাত ধোঁয়ার সময় ট্যাপেও সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ লাগাতে হবে। তাহলে আমেরিকাতেও শিক্ষার অভাব আছে নিশ্চয়। তা না হলে টিভিতে শিক্ষা দেবে কেন। পৃথিবীতে মানুষের চেয়ে হাজার গুণ বেশি জীবানুর বাস। তাই শুধু করোনার সময় না সার্বক্ষণিক সতর্ক থাকতে হবে।
আমি আমার শিক্ষকতা জীবনে পুঁথিগত বিদ্যার সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের জীবন জগৎ সম্পর্কে অনেক শিক্ষা দিয়েছি। আর এই শিক্ষা দেওয়ার জন্যে প্রচুর পড়াশুনাও করেছি। ক্লাসে বলেছি, তোমরা খাওয়ার আগে এবং ওয়াশরুম থেকে বের হওয়ার পর উত্তমরুপে দুই হাত ধোঁবে। রাতে খাওয়ার পর দাঁত মাজবে। সকালে নাস্তার পরে দাঁত মাজবে। ব্রাশ দিয়ে উপর নিচে করে দাঁত মাজবে। একই ব্রাশ অনেকদিন ব্যবহার করা যাবে না। পড়তে পড়তে ক্লান্তিবোধ করলে হাতমুখ ধুঁয়ে, একটু পানি পান করলে পড়তে ভাল লাগবে। অবশ্যই বিকেলে শরীর ঘামান খেলা করতে হবে। মাঠ না থাকলে ঘরে দড়ি নাচও করা যায়। মেয়েরাও অবশ্যই তাই করবে। কলেজের ছেলেরা বিকেলে নেট চালায়ে, মেয়েরা সিরিয়াল দেখে,ফেয়ার এন্ড লাভলী মেখে সময় নষ্ট করা যাবে না। ফেয়ার এন্ড লাভলী মেখে চেহারায় গ্লেস আনা যায় না। গ্লেস আনতে গেলে সুষম খাবার প্রয়োজন। প্রচুর শাক সবজি খেতে হবে। আমাদের দেশ এমনি একটা দেশ যেখানে রাস্তার পাশে প্রচুর কচু শাক হয়। যা ফ্রি তুলে এনে খাওয়া যায়। যা পৃথিবীর আর কোথাও পাওয়া যায় না। কচু শাকে প্রচুর আয়রণ যা উঠতি বয়সী মেয়েদের জন্যে মহাউপকারী। আমের সময় প্রচুর কাচা আম গাছ থেকে ঝরে পড়ে যায়। প্রতিবেশি দেশ ভারতে একটি আমের গুটিও নষ্ট করে না। পুড়ায়ে বা সিদ্ধ করে বিট লবণ দিয়ে সরবত করে খায়। অনেকে এই শরবত বিক্রি করে উপার্জনও করে। আমাদের দেশে হাজার হাজার মন আমের গুটি বাগানে চলে যায়। কাঁচা আমে আছে প্রচুর ভিটামিন সি, যা শরীরে বেশি গেলেও ক্ষতি নেই। প্রয়োজনীয় পরিমান  রেখে শরীর অবশিষ্টটুকু প্রস্রাবের সাথে বের করে দেয়। গরমের ক্লান্তি দূর করে দেয়। এছাড়াও অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। ক্লাসে অনেকদিন অনেক আলোচনা করেছি। ফল কেমন হল জানার জন্যে সহজ সরল ভাবে ছেলেমেয়েদের সাথে মিশেছি। হাতে গোনা কয়েকজন বাদে ফলাফল শূণ্য। কষ্ট পেয়েছি, আবারও শুরু করেছি। অপেক্ষায় আছি একদিন ভাল ফল পাব এই আশায়।
অনেক শিক্ষিত সমাজে মিশেছি। অনেকেই হাঁচি এলে মেরে দেয়। মুখে কাপড়, রুমাল, হাত কিছুই ধরে না। রাতে খাওয়ার পর দাঁত মাজে না। সকালে ভোরবেলা উঠে দাঁত মাজতে ব্যস্ত হয়ে যায়। রাতের খাবার খেয়ে রাতেই ক্ষতি যা হওয়ার তা হয়ে গেছে। সকালে দাঁত মেজে লাভ কি? আমার প্রচেষ্টার থেকেও পরিবার থেকে এই শিক্ষাটা শিশুকাল থেকে এলে অস্থি মজ্জায় গেঁথে যায়। আমি ভাবি তবুও হাল ছেড়ে দেওয়া যাবে না। ওদের পরিবার হয়তো শিক্ষার অভাবে শিক্ষা দেয়নি কিন্তু এরাও তো একদিন পরিবারের কর্তা হবে। তখন ওদের পরবর্তী প্রজন্ম শিক্ষা পাবে। আমি সেই আশায় ক্লাসের ফাঁকে বাড়তি শ্রম দিয়ে যায়।
মণিরামপুর শিল্পী গোষ্টি আয়োজিত বইমেলায় আলোচক হিসাবে দাওয়াত পেয়েছিলাম। বিষয় ছিল শিক্ষা বিষয়ক আলোচনা। অনেক কথা বলেছিলাম। কথার মাঝে একটা উদাহরণ টেনে বলেছিলাম, জনবহুল পথের পাশে পাঁচিলের দেয়ালে রং করে লেখা আছে, খাওয়ার আগে এবং পায়খানার পরে দুই হাত উত্তমরুপে সাবান দিয়ে ধুতে হবে। হাজার হাজার মানুষ ঐ পথ দিয়ে প্রতিদিন যাচ্ছে। সবাই পড়ছে। লেখাটা পড়ে নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করছে কয়জন? অধিকাংশ পড়েই ঐ পর্যন্ত শেষ। কিছু লোক পড়ে থমকে দাঁড়ায়, আবার পড়ে। মনে মনে পণ করে আজ থেকে আর কোনদিন ভুল করব না। অবশ্যই এই লেখা আমার জীবনে পালন করব। এটাই শিক্ষা। বই পড়ে অনেকে, কয়জন বইয়ের মূল্যবান কথা বা কাজগুলো নিজের জীবনে গেঁথে নেয়? গেঁথে নিতে পারলেই বই পড়া স্বার্থকতা পায়।
প্রকৃতির তৈরি পৃথিবী যুগে যুগে বিভক্ত হতে হতে দুই শ’র অধিক দেশ পৃথিবীটা ভাগ করে ভোগ করছে। এক একটা দেশ এক এক সময় তারা মহাশক্তির অধিকারী তার জানান দিচ্ছে। তুলনামূলক কম শক্তিশালী দেশগুলোর বুকের খাঁচা শুকিয়ে যাচ্ছে। বিত্ত বৈভব পাহাড় সমান। সর্বোচ্চ আধুনিক জীবন যাপন করছে। হঠাৎ করে অদৃশ্য করোনা নামক ভাইরাস এসে পৃথিবীর মানুষ সব ঘরে তুলে দিল। পৃথিবীর মোড়ল আমেরিকা নাকি এমনি শক্তির অধিকারী যে সমস্ত পৃথিবী ধ্বংশ করতে মাত্র কয়েক মিনিট সময় লাগবে। সব শক্তি করোনার কাছে অসহায়। আমেরিকাই সব চেয়ে বেশি অসহায় হয়ে গেছে করোনার কাছে। ইতালি, স্পেনের অবস্থাও একই। করোনার থেকে মুক্তির জন্যে এখন মাক্স পরতে হবে। দেহে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। টাকা হাতে নেওয়ার আগে হ্যান্ড স্যানিটাইজার মেখে নিতে হবে। রাস্তাগুলো স্প্রে করে জীবানু মুক্ত করতে হবে। ঘর বাড়ি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ঘন ঘন হাত ধুতে হবে। কেমন করে হাত ধুতে হবে তার প্রশিক্ষণ সারা পৃথিবীর পত্র পত্রিকা, লিফলেট, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া জানিয়ে বা দেখিয়ে দিচ্ছে। সুস্থ সবল রোগমুক্ত জীবনের জন্যে এগুলোতো সব সময় প্রয়োজন। এখন কেন এত ব্যস্থতা? তবে কি আমরা এতদিন অসচেতন জীবন যাপন করতাম? কিভাবে হাত ধুতে হবে, সেই হাত ধোঁয়ার উপর এত তালিম দেওয়া হচ্ছে কেন? আমাদের বেলায় মেনে নিতে পারি, আমরা আজও শিখতে পারিনি। উন্নত বিশ্বেও কেন শেখানো হচ্ছে? তাদেরও কি তাহলে হাত ধোঁয়ার অভিজ্ঞতা কম আছে?  করোনা আমরা জয় করব, আশা করি করোনার থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামীর পৃথিবী আরও সুন্দর হবে। আবার পৃথিবী নতুনরুপে সাজবে। সব দুঃখ কষ্ট ভুলে যাব। তবে করোনা শিখিয়ে দিল আমাদের করনীয়।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft