শিরোনাম: যশোরে করোনা দুর্যোগ মোকাবেলায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সেনা সদস্যরা       এপ্রিল মাস ‘খুবই ক্রিটিক্যাল’, পরীক্ষা বাড়ান : স্বাস্থ্যমন্ত্রী       বুধবার মৃত্যুদণ্ড পরোয়ানা জারির আবেদন করবে রাষ্ট্রপক্ষ       ব্রিফিং নয়, আগামীকাল থেকে স্বাস্থ্য বুলেটিন       মুজিববর্ষেই বাকি খুনিদের ফিরিয়ে আনা হবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী       ‘খুনি মাজেদকে গ্রেপ্তার মুজিববর্ষে শ্রেষ্ঠ উপহার’       জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বরিস জনসন       জাতীয় ঐক্যের ডাক, যা আছে ঐক্যফ্রন্টের ৫ দফায়       কোথায় ছিলেন, কীভাবে ধরা পড়লেন মাজেদ?       যশোরে একদিনে ৩০ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে      
ঘুরে আসুন সাগরকন্যা কুয়াকাটা থেকে
এইচ,এম,হুমায়ুন কবির, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) :
Published : Tuesday, 18 February, 2020 at 8:23 PM
ঘুরে আসুন সাগরকন্যা কুয়াকাটা থেকেসমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা ভ্রমণপিপাসু মানুষদের কাছে প্রিয় একটি নাম। “সাগরকন্যা” নামে পরিচিত বাংলাদেশের দক্ষিণের এ সমুদ্র সৈকত অপূর্ব সুন্দরের এক লীলাভূমি। যেখানে দাঁড়িয়ে সুর্যোদয় সুর্যাস্তের অপরুপ দৃশ্য সৈকতের দাঁড়ালে চোখে পড়বে দিগন্ত জোড়া আকাশ আর সমুদ্রর রাশি রাশি নীল জল আর সমুদ্রের নীল জলের তরঙ্গায়িত ঢেউ কাঁচ ভাঙ্গা ঝন ঝন শব্দের মত আছরে পড়ছে কিনারায় ও উড়ে যাচ্ছে সাদা গাংচিলের দল এদিক ওদিক Ñমাছ শিকারের জন্য লড়াকু জেলেরা ট্রলারে ও নৌকায় ছুটে যাচ্ছে গভীর সমুদ্রে তা উপভোগ করা যায়। প্রতি বছর দেশ বিদেশের লাখো পর্যটক ঈদের সময় ভিড় জমান বাংলাদেশের সর্বাপেক্ষা আকর্ষণীয় সমুদ্র সৈকত এই কুয়াকাটায়। একই জায়গায় থেকে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত দেখার বিষয়টি নজর কেড়েছে সকল ভ্রমণ পিয়াসীদের। ভোর বেলা সমুদ্রের পেট চিরে সূর্য উদয় হওয়া এবং সন্ধ্যায় সমুদ্রের বক্ষে সূর্যকে লুকিয়ে ফেলার অপরূপ এ সৌন্দর্য উপভোগের জন্য দেশের একমাত্র স্থানতো বটেই- দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যেও একমাত্র সমুদ্র সৈকত এটি।
ভ্রমণপ্রিয়াসী মানুষদের তীর্থস্থান এ কুয়াকাটায় সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন ছাড়াও রয়েছে বেড়ানোর মতো আরও নানান আকর্ষণ। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের অবস্থান পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া থানার লতাচাপলি ইউনিয়নে। প্রায় ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে একই সাথে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত দেখা যায়। প্রায় সারা বছর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য দেখা যায়। সৈকতে চাইলে মটর সাইকেল ও ঘোড়া ভাড়া করতে পারেন। ভাড়ার টাকার পরিমাণ সাধারণত দূরত্ব ও সময়ের উপর নির্ভর করে। এছাড়া কুয়াকাটার কাছেই কয়েকটি চর রয়েছে। সেগুলিতে যেতে স্পিডবোট, ট্রলার ও ইঞ্জিন চালিত বড় নৌকা পাওয়া যায়। এছাড়াও কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের কাছেই রয়েছে পিকনিক করার সমস্ত আয়োজন।
কুয়াকাটার দর্শনীয় স্থান
শুঁটকি পল্লী :
জেলে পল্লীর অবস্থান কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম প্রান্তে। এখানে মূলত নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত শুঁটকি তৈরির মৌসুম চলে। সমুদ্র থেকে মাছ ধরে সৈকতের পাশেই শুকিয়ে শুঁটকি তৈরি করা হয়। চাইলে জেলেদের এই কর্মব্যস্ততা দেখে সময় কাটাতে পারেন। আর কম দামে কিনে নিতে পারেন বিভিন্ন ধরণের পছন্দের শুঁটকি।
ক্রাব আইল্যান্ড:
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ধরে পূর্ব দিকে অনেকটা দূর পর্যন্ত এগিয়ে গেলে ক্রাব আইল্যান্ড বা কাঁকড়ার দ্বীপ খ্যাত জায়গা চোখে পড়ে। এখানে নির্জন সৈকতে ঘুরে বেড়ায় হাজার হাজার লাল কাঁকড়ার দল। ভ্রমণ মৌসুমের সময় অর্থাৎ অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত কুয়াকাট সমুদ্র সৈকত থেকে ক্রাব আইল্যান্ডে যাবার স্পিড বোটে পাওয়া যায়।
গঙ্গামতির জঙ্গল :
পূর্ব দিকে গঙ্গামতির খাল পর্যন্ত এসে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত শেষ হয়েছে। আর এই জায়গা থেকেই গঙ্গামতির জঙ্গল শুরু। বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা ছাড়াও এই জঙ্গলে দেখা মিলে বিভিন্ন রকম পাখি, বন মোরগ-মুরগি, বানর ইত্যাদি পশুপাখির। অনেকের কাছে এই জঙ্গল গজমতির জঙ্গল হিসাবে পরিচিত।
ফাতরার বন:
সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম দিকে অবস্থিত নদীর অন্য পাড় থেকে ফাতরার বন শুরু। এ বনের রয়েছে সুন্দরবনের প্রায় সকল বৈশিষ্ট। এখানে বন মোরগ, বানর, বুনো শুকর ও নানান পাখি পাওয়া যায়। কুয়াকাটা থেকে ফাতরার বনে যেতে হলে আপনাকে ইঞ্জিন নৌকা ভাড়া করতে হবে।
কুয়াকাটার কুয়া :
কুয়াকাটা নামকরণের পেছনে যে ইতিহাস আছে সেই ইতিহাসের সাক্ষী কুয়াটি এখনও আছে। এই কুয়াটি দেখতে হলে আপনাকে যেতে হবে রাখাইনদের বাসস্থল কেরাণিপাড়ায়। এপাড়ায় প্রবেশ করতেই প্রাচীন এ কুয়া দেখতে পাবেন। কথিত আছে ১৭৮৪ সালে মাতৃভূমি থেকে বিতাড়িত হয়ে রাখাইনরা বঙ্গোপসাগরের তীরে রাঙ্গাবালি দ্বীপে এসে আশ্রয় নেয়। সাগরের লোনা জল ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়ায় তারা এখানে মিষ্টি পানির জন্য কূপ খনন করে সে ঠেকে জায়গাটি ধীরে ধীরে কুয়াকাটা নামে পরিচিত হয়ে উঠে।
সীমা বৌদ্ধ মন্দির :
কুয়াকাটার প্রাচীন কুয়ার একটু সামনেই সীমা বৌদ্ধ মন্দিরের অবস্থান। কয়েক বছর আগে কাঠের তৈরি এই মন্দির ভেঙে দালান তৈরি করা হয়েছে। এই মন্দিরের মধ্যে রয়েছে প্রায় ৩৭ মন ওজনের অষ্টধাতুর তৈরি একটি প্রাচীন বৌদ্ধ মূর্তি।
কেরানিপাড়া:
সীমা বৌদ্ধ মন্দিরের রাস্তা ধরে একটু এগিয়ে গেলেই রাখাইনদের আবাসস্থল কেরানিপাড়া। রাখাইন নারীরা কাপড় বুণনে বেশ দক্ষ এবং তাদের তৈরি শীতের চাদর অনেক আকর্ষণীয়।
মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ মন্দির :
 কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে রাখাইনদের আরেকটি গ্রাম মিশ্রিপাড়ায় বড় একটি বৌদ্ধ মন্দির আছে। জনশুরুতি আছে এ মন্দিরের ভেতরে উপমাহাদেশের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ মূর্তি রয়েছে।
সোনাকাটা ইকোপার্ক :
সোনাকাটা ইকোপার্কে সোনা নেই ঠিকই, কিন্তু আছে সোনার রঙে রাঙিত বালি। সুর্যের রশ্মি যখন বালির ওপর পড়ে তখন দূর থেকে মনে হয়, সত্যি সত্যিই সোনার আবির্ভাব হয়েছে এখানে। মৃদু মৃদু বাতাস আর ঢেউয়ের তালে এই চরের ছোট-ছোট বাঁওড়ে অথবা খালে চলে জেলেদের নৌকাগুলোর দৃশ্য মন কাড়বে সকলের। এখানে সহজেই চোখ পড়বে হরিণ, শুকর, বানর, মেছো বাঘসহ আরও সব বন্য প্রাণীর ওপর। পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা থেকে এসব স্থানে ট্রলারে যাতায়াতের সুযোগ রয়েছে।
ফাতরার বন :
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম পাশে নদী পার হলেই সুন্দরবনের শ্বাসমূলীয় বনাঞ্চল, নাম তার ফাতরার বন। সুন্দরবনের সব বৈশিষ্ট এ বনে থাকলেও নেই তেমন কোন হিংস্র প্রাণী। বন মোরগ, বানর আর নানান পাখি আছে এ বনে। কদাচিৎ এ বনে বুনো শুকরের দেখা মেলে। কুয়াকাটা থেকে ফাতরার বনে যেতে হবে ইঞ্জিন নৌকায়।
সোনাকাটা ইকোপার্ক :
সোনাকাটা ইকোপার্কে সোনা নেই ঠিকই, কিন্তু আছে সোনার রঙে রাঙিত বালি। সুর্যের রশ্মি যখন বালির ওপর পড়ে তখন দূর থেকে মনে হয়, সত্যি সত্যিই সোনার আবির্ভাব হয়েছে এখানে। মৃদু মৃদু বাতাস আর ঢেউয়ের তালে এই চরের ছোট-ছোট বাঁওড়ে অথবা খালে চলে জেলেদের নৌকাগুলোর দৃশ্য মন কাড়বে সকলের। এখানে সহজেই চোখ পড়বে হরিণ, শুকর, বানর, মেছো বাঘসহ আরও সব বন্য প্রাণীর ওপর। পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা থেকে এসব স্থানে ট্রলারে যাতায়াতের সুযোগ রয়েছে।
ইলিশ পার্ক :
কুয়াকাটায় পর্যটকদের বিনোদনে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে ইলিশ পার্ক। এখানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কৃত্রিম ইলিশের পেটের মধ্যের রেস্তোরায় বসে ইলিশ খেতে পারবে দর্শনার্থী ও পর্যটকরা।
রয়েছে ভোঁদর, বানর, বেজি, পাহাড়ি গুঁই সাপ, বিদেশী কুকুরসহ  কৃত্রিম বাঘ, সিংহ, হরিণ, কুমির, বক, কচ্ছপ, জিরাফ সহ নানা প্রজাতির জীবজন্তুর ভাস্কর্য।
চর বিজয় :
কুয়াকাটা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার বঙ্গোপসাগর অভ্যন্তরে সাগরের অথৈই পানির মাঝে লক্ষ লক্ষ পাখির কলরব আর লাল কাকড়ার বিচরনে সমৃদ্ধ এ চর। অগনিত অতিথি পাখি আর লাল কাঁকড়ার অবাধ বিচরণে তৈরি হওয়া নান্দনিক সৌন্দর্য আকৃষ্ট করবে দেশি-বিদেশি পর্যটকের।
ইকোপার্ক ও জাতীয় উদ্যান :
সমুদ্র সৈকতের কোল ঘেঁষে প্রায় ২০০ একর জায়গায় ষাটের দশকে পরিকল্পিত ভাবে গড়ে উঠা নারিকেল কুঞ্জ, ঝাউবন, গঙ্গামতি সংরক্ষিত বন , পশ্চিমদিকের ফাতরার বন ও মহিপুরের রেঞ্জের বনাঞ্চল নিয়ে গড়ে উঠেছে ইকোপার্ক ও জাতীয় উদ্যান ।
সমুদ্র সৈকতে দাঁিড়য়ে ঝাউবাগানের দিকে দৃষ্টি বেরসিক দর্শকের কাছে ও অমলিন এক স্বর্গীয় আবেদন সৃষ্টি করে ।
কীভাবে যাবেন :
নদী ও সড়ক পথে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা যাওয়া যায়। লঞ্চে ঢাকা সদরঘাট থেকে পটুয়াখালী বা বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা। আর বাসে যেতে চাইলে ঢাকা থেকে বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা। তবে সবচেয়ে সহজ ও আরামের কথা বিবেচনা করলে কুয়াকাটা যেতে নদী পথই উত্তম। ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে লঞ্চে করে পটুয়াখালীতে গিয়ে সেখান থেকে বাসে করে কুয়াকাটা যাওয়া যায়। অথবা লঞ্চে সদরঘাট থেকে বরিশাল গিয়ে সেখান থেকে বাসে কুয়াকাটা যেতে পারবেন।
ঢাকা থেকে লঞ্চে পটুয়াখালী হয়ে কুয়াকাটা :
সদরঘাট থেকে বিকেলের পর সুন্দরবন-৯, কুয়াকাটা-১, এম ভি প্রিন্স আওলাদ-৭, কাজল-৭, সুন্দরবন-১১, এম ভি এ আর খান-১ প্রভতি লঞ্চ পটুয়াখালীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। এসব লঞ্চে প্রথম শ্রেনীর সিঙ্গেল কেবিন ভাড়া করতে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত লাগে, ডাবল কেবিন ভাড়া ১৮০০ থেকে ৩৫০০ টাকা আর ডেকের ভাড়া ২০০-৩০০ টাকা। লঞ্চ গুলো পটুয়াখালীর বিভিন্ন টার্মিনালে যায়। আমতলী ঘাট বা পটুয়াখালী লঞ্চ ঘাট যায় এমন লঞ্চে গেলে সুবিধা। পটুয়াখালী লঞ্চ ঘাট থেকে অটোতে বাস স্ট্যান্ড গিয়ে বাসে যেতে হবে কুয়াকাটা। সময় লাগবে ২ঘন্টার মত, ভাড়া ১৩০-১৫০ টাকা। অথবা আমতলী ঘাঁটে নেমে বাসস্ট্যান্ড থেকে ৫০-৭০টাকা ভাড়ায় কুয়াকাটা যাওয়া যাবে।
ঢাকা থেকে লঞ্চে বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা :
সদরঘাট থেকে সন্ধ্যার পর বরিশালের উদ্দেশ্যে একাধিক লঞ্চ ছেড়ে যায়। সকালে বরিশাল পৌঁছায়। লঞ্চের ডেকে ভাড়া জনপ্রতি ১৫০-২০০ টাকা। লঞ্চে প্রথম শ্রেনীর সিঙ্গেল ও ডাবল কেবিন শ্রেনী ভেদে ৭০০ থেকে ৩,৫০০ টাকা পর্যন্ত লাগে। বরিশাল লঞ্চঘাট থেকে রূপাতলি বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে কুয়াকাটা যাবার কোন বাসে উঠে যেতে হবে। সময় লাগবে ৩ ঘন্টার মত। ভাড়া ১৮০-২৫০ টাকা। এছাড়া রেন্ট এ কার এ করেও বরিশাল থেকে কুয়াকাটা যেতে পারবেন।
বাসে ঢাকা থেকে কুয়াকাটা :
ঢাকার গাবতলী বাস স্ট্যান্ড থেকে সাকুরা পরিবহন, সুরভী পরিবহনের বাস করে কুয়াকাটা যাওয়া যায়। এসব বাসের জনপ্রতি ভাড়া ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা। এছাড়াও প্রতিদিন সকাল ও রাতে কমলাপুর বিআরটিসি বাস ডিপো থেকে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে বাস ছেড়ে যায়।
কুয়াকাটা কোথায় থাকবেন :
পর্যটকদের থাকার জন্য কুয়াকাটায় বিভিন্ন মানের আবাসিক হোটেল আছে। মান ও শ্রেনী অনুযায়ী এসব হোটেলে ৪০০-৫,০০০ টাকায় থাকতে পারবেন। মোটামুটি মানে থাকার জন্যে ১০০-১৫০০ টাকায় হোটেল রুম পাবেন। শেয়ার করে থাকলে খরচ কম হবে। সিজন ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া গেলে আগে থেকে হোটেল বুক করার প্রয়োজন পরে না। আর অবশ্যই দামাদামি করে নিবেন। এছাড়া কুয়াকাটায় হোটেলের মধ্যে হোটেল বনানী প্যালেস, হোটেল কুয়াকাট ইন, হোটেল নীলাঞ্জনা, হোটেল গোল্ডেন প্যালেস ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
খাবার সুবিধা :
কুয়াকাটায় হোটেলগুলো নিজস্ব রেস্টুরেন্টে তাদের অতিথিদের খাবারের জন্য ব্যবস্থা করে। এছাড়া এখানকার স্থানীয় রেস্টুরেন্টেও বিভিন্ন রকম দেশী খাবার পাওয়া যায়।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft