gramerkagoj
বৃহস্পতিবার ● ৩০ মে ২০২৪ ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
gramerkagoj
চাচার কতা খুব মনে পইড়তেচে!
প্রকাশ : রবিবার, ৩১ মার্চ , ২০২৪, ০৯:২৮:০০ পিএম
আক্কেল চাচা:
GK_2024-03-31_6609812b5bddc.jpg

আমাগের এক চাচা ছিল। মানসির বিপদ আপোদে সেই চাচাই স¹লির আগে ছুইটতো। কাজও যিরাম বেশি কইত্তো সিরাম বইদরামও তার ছিল বেশি। তার যত বইদরাম রইটতো তার মদ্দি দুডো তার নামে যেন লিকা হইয়ে গিল।
এক খুব ঠোট কাটা স্বভাবের, যা মনে আইসতো কোন রাকঢাক তার ছিল না। চুয়াচুয়ি কতা সুমকির ওপর কইয়ে দেবে তাতে তুমি খুশি বা বেজার হও। আর দুই তার ছিল অদিয় রাগ। রাইগে গেলি কোন উহোশ নিহোশ থাইকতো না। কিডা বড় কিডা ছোট মানামানি নেই। হাতের কাচে যা পাবে তাই দিয়ে দেবে ঘায় কইসে। একবার পাড়ায় কি কাইজে ফ্যাসাদ বাইদেচে। চাচা গেচে ভালো বুইজে স¹লিরে বারোন দিতি। এর মদ্দি এক কুটি চাচী তারে কি হক নাহাক কতা কইয়েচে। ব্যস চাচার তো গেচে মটকা গরম হইয়ে। কোলের কাচে এক পাইচোনি ছিল সিডা দিয়া সপাসপ দু’বাড়ি। ব্যস আর কনে যাবা, সেই কুটি চাচী কাইন্দে মাইন্দে তো পাড়া মাতায় তুইলেচে। হাজার হোক পরের বউ’র গায় হাত তুলা সিডা তো কেউ মাইনে নিতি চাবে না। হৈ জকারে কেস গেলো ঘুইরে। চাচা যে ভালো বুইজে কাইজে থামাতি আইলো একন সেই আরাক কাইজের আসামী। এই নিয়ে সে কি ঝইঝই। শালিস বসপে চাচার নামে। তারে এই করবে সেই করবে কত আলাঙ ফালাঙ শুরু হইয়ে গেল। খবর পাইয়ে আইগোয় গেলাম। ঝুনঝাটের মদ্দিতে চাচারে বাইরো কইরে তফাতে নিয়ে গেলাম। কওয়া তো যায় না, রাগের মাতায় কিডা কোন খাইন বাদায় বসে। আমি তার কাচে যাইয়ে কলাম, চাচা তুমি এট্টা ভালো মানুস, ক্যান এই ফাও ঝুনঝাটে জড়ালে। আর পরের মাইয়ে ছেলের গায় কেনই বা হাত তুইল্লে কওদিনি।
এই কতা শুইনে চাচা টানা এট্টা হাই ছাইড়ে কলে, স¹লি কচ্চে আমি ঐ বিটিরে মারিচি। কিন্তুক কেন মারিচি সিডা তুই ছাড়া কেউ শুইনলো না। আমি তারে শান্তনা দিয়ে কাচে আইগোয় আইসে কলাম, তা কওদিনি কেন মাইল্লে? শোন তুরা তো জানিস আমি কোন অসেইলে সহ্য কত্তি পারিনে। ঐ বিটি আইসে সে অসেইলে কচ্চিল মাতাডা ঠিক রাকতি পারিনি। আমি কলাম তাই বিলে বিটি লোকরে মারবা? চাচা দড়াম কইরে কলে অসেইলেরতো তো কোন বিটাবিটি নেই। অসেইলে যে করবে তারেই বাড়ি দিতি হবে।
একন চারিদিক অসেইলে। চাচার কতা খুব মনে পইড়তেচে। কিন্তুক চালিইতো আর চাচার মতো ঘা দিতি পাত্তিচি নে। আলাম কনে, মলাম যে!
ইতি-
অভাগা আক্কেল চাচা

 

 

 

 

আরও খবর

🔝