gramerkagoj
রবিবার ● ২১ এপ্রিল ২০২৪ ৭ বৈশাখ ১৪৩১
gramerkagoj
বান্দরবানে সোনালী ব্যাংকে ডাকাতি : এখনও মামলা হয়নি
প্রকাশ : বুধবার, ৩ এপ্রিল , ২০২৪, ০১:০৮:০০ পিএম , আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল , ২০২৪, ০৪:৫২:৪২ পিএম
বান্দরবান প্রতিনিধি:
GK_2024-04-03_660cff2c445d1.jpg

বান্দরবানের রুমায় সোনালী ব্যাংকে ডাকাতি ও আগ্নেয়াস্ত্র লুটের পর এখনও মামলা হয়নি। তবে এই ঘটনায় বুধবার (৩ এপ্রিল) সকালে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টায় রুমা মসজিদে তারাবি নামাজ পড়ার সময় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী মসজিদের সবাইকে জিম্মি করে সোনালী ব্যাংক ম্যানেজার কে জানতে চায়। এক পর্যায়ে ব্যাংক ম্যানেজার নেজাম উদ্দিনকে সঙ্গে করে ব্যাংকে নিয়ে গিয়ে গেইট ভেঙে অফিসে থাকা সরঞ্জাম নষ্ট করে ফেলে এবং ব্যাংক নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ ও আনসার সদস্যদের মারধর করে কার্তুজসহ মোট ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র লুট করে নিয়ে যায়।
রুমা সোনালী ব্যাংকের ক্যাশিয়ার উথোয়াইচিং মারমা জানান, ডরমিটরির বাইরে চায়ের দোকানে চা খেতে গেলে মুখে কালি লাগানো অপরিচিত ৩ জন লোক অস্ত্রের মুখে দাঁড় করায় এবং তার শরীরে তল্লাশি চালিয়ে পকেটে থাকা ১৫শ টাকা ও ব্যাংকের চাবি নিয়ে নেয়।
পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী আসার পর ব্যাংকে গিয়ে দেখেন অফিস সরঞ্জাম সব ছড়ানো ছিটানো রয়েছে। তার জানামতে ভল্টের ভেতর ১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা জমা ছিল। ভল্টের দুইটি চাবির মধ্যে তার কাছে ১টি এবং অপহরণের শিকার ম্যানেজারের কাছে অপরটি থাকে। ভল্ট না খোলা পর্যন্ত টাকা লুটের বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছুই বলা যাচ্ছে না বলে জানান তিনি।
রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাজাহান জানান, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো মামলা হয়নি।
পুলিশ সুপার সৈকত শাহিন বলেন, পুলিশের ৮টি চায়না রাইফেল, ২টি এসএমজিসহ ১০টি অস্ত্র ও ৩৮০ রাউন্ড গুলি, আনসারের ৪টি শর্টগান, ৩৫ রাউন্ড গুলিসহ ১৪টি অস্ত্র লুট করেছে সন্ত্রাসীরা। তবে কে বা কারা করেছে ক্রাইমটিম আসলে তারা ফিঙ্গার প্রিন্ট নিয়ে তদন্ত করবে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে, কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন জানান, সোনালী ব্যাংকের ঘটনা সম্পর্কে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ, ব্যাংকের ভল্ট চেক করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্রাইমসিন টিম আসলেই বোঝা যাবে টাকা খোয়া গেছে কিনা? ব্যাংক ম্যানেজারকে উদ্ধার করার জন্য পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত আছে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

আরও খবর

🔝