gramerkagoj
বৃহস্পতিবার ● ১৮ জুলাই ২০২৪ ৩ শ্রাবণ ১৪৩১
gramerkagoj

❒ নিয়োগের নামে লাখ লাখ টাকা হাতানোর নামে অভিযোগ

শিক্ষক আজিজুরের বিরুদ্ধে একদিনে দু’তদন্ত সম্পন্ন
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৯ জুলাই , ২০২৪, ১০:১৪:০০ পিএম , আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই , ২০২৪, ০১:২১:৫৯ পিএম
এম. আইউব:
GK_2024-07-09_668d628758f20.jpg

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন যশোরের কেশবপুর উপজেলার রঘুরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আজিজুর রহমান। এর বাইরেও তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে স্থানীয়দের।
আজিজুর রহমানের দ্বারা প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। মঙ্গলবার পৃথক দু’টি অভিযোগের তদন্ত হয়েছে একদিনে। একটি তদন্ত করেছেন মণিরামপুর উপজেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কামরুল বাশার ওমর ফারুক। আরেকটির তদন্ত কর্মকর্তা হচ্ছেন একই উপজেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আফজাল-উর-রহমান।
পৃথক দু’তদন্তের আদেশ থেকে জানা গেছে, রঘুরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আজিজুর রহমান সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি দেয়ার কথা বলে কেশবপুরের ভালুকঘর গ্রামের দবির উদ্দিন গাজীর ছেলে আব্দুস সাত্তারের কাছ থেকে চার লাখ ৮০ হাজার টাকা নেন। কিন্তু দীর্ঘদিনেও তিনি চাকরি দিতে পারেননি। ফেরত দেননি টাকাও। এ কারণে আব্দুস সাত্তার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলম একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করেন মণিরামপুরের সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কামরুল বাশার ওমর ফারুককে। তদন্ত সংক্রান্ত পত্রের স্মারক নম্বর ৩৮.০১.৪১০০.০০০.২৭.০১২.২১-১২৭২।
একই ধরনের পৃথক অভিযোগ করেন উপজেলার প্রতাপপুর গ্রামের মৃত ধীরেন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে তপন কুমার রায়। তার অভিযোগ, তাকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি দেয়ার নামে হাতিয়ে নিয়েছেন তিন লাখ ২০ হাজার টাকা। কিন্তু তাকেও চাকরি দিতে পারেননি আজিজুর রহমান। তপন কুমার রায়ের অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে মণিরামপুরের সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আফজাল-উর-রহমানকে। এই তদন্ত সংক্রান্ত পত্রের স্মারক নম্বর ৩৮.০১.৪১০০.০০০.২৭.০১২.২৪-১৫২২।
মঙ্গলবার দু’টি অভিযোগের পৃথক তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ওইসময় এলাকার অনেক মানুষ তদন্তস্থলে উপস্থিত হন। তারা নিয়োগ দেয়ার নামে প্রতারণার সাথে জড়িত আজিজুর রহমানের শাস্তির দাবি জানান।
তদন্ত কর্মকর্তা আফজাল-উর-রহমান জানিয়েছেন, দশ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর জমা দেবেন। আরেকটি তদন্তের প্রতিবেদনও একই সময়ের মধ্যে জমা দেয়ার নির্দেশনা রয়েছে।
স্থানীয় অনেকেই বলেছেন, আজিজুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম দুর্নীতির সাথে জড়িত। এ পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি বেপরোয়া আচরণ করছেন বলে তাদের অভিযোগ।

আরও খবর

🔝