শিরোনাম |
জিএমএসএস ফাউন্ডেশন ও ‘আমাদের বাড়ী’-র উদ্যোগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গত ২৪ জানুয়ারি ২০২৫ শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত একটি মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। স্থানটি ছিল-যশোর সদর উপজেলার অন্তর্গত, নাটুয়াপাড়া গ্রামে। ডায়াবেটিস ও হরমোন বিশেষজ্ঞ হিসেবে আমি মেডিক্যাল ক্যাম্পে অংশ গ্রহণ করি।
জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে আমাদের শুদ্ধেয় প্রফেসর এম এ রশীদ স্যার আমন্ত্রণ জানালেন উক্ত ক্যাম্পে অংশ গ্রহণ করার জন্য। আমি সানন্দে রাজি হলাম। এর কারণ, গত কয়েক বছর যাবৎ উক্ত ‘আমাদের বাড়ী’-এর কথা শুনে আসছিলাম যা ইব্রাহিম কার্ডিয়াক এর প্রাক্তন সিইও এবং বর্তমান এ্যাডভাইজার কার্ডিওলজিস্ট সনামধন্য প্রফেসর ডা.এম এ রশীদ স্যারের স্বপ্নের বাস্তবায়ন। নাটুয়াপাড়া স্যারের জন্মস্থানও বটে। স্যার অত্যান্ত সফল সংঘঠক ও সমাজসেবক।পরবর্তীতে জানলাম ক্যাম্পে অনেক বড় বড় চিকিৎসক (স্থানীয় ও ঢাকা থেকে আগত )বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকবৃন্দ রুগী দেখবেন, খুব অল্প সম্মানীর বিনিময়ে, যার উপার্জিত অর্থ উক্ত ফাউন্ডেশনের (সমন্বিত প্রবীণ ও শিশু নিবাস) উন্নয়নের জন্য ব্যয় করা হবে। প্রফেসর রশীদ (কার্ডিওলজিষ্ট), প্রফেসর সৈয়দ আফজালুল করিম (চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ), প্রফেসর আবেদ হোসেন মোল্লা (শিক্ষারোগ) প্রফেসর কামরুন নাহার (কলোরেক্টাল) প্রফেসর মো. মিজানুর রহমান (চক্ষু),প্রফেসর দেলোয়ার হোসেন (বহ্মব্যাধি) প্রফেসর এস এম আবু জাফর (সার্জারী), ডা. মো. খালেকুজ্জামান (শিশু), ডা.আহমেদ ফারুক (আকুপাংচার ও লেজার বিশেষজ্ঞ), ডা. ফারহানা নাজনীন (গাইনী)- এই সকল স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ ২৪ জানুয়ারি ক্যাম্পে অংশ গ্রহণ করেন এবং প্রায় তিন শতাধিক রোগীকে সেবা প্রদান করেন।
প্রফেসর এম এ রশীদ স্যারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ২৩ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বেলা ২.৩০ মি. ঢাকা থেকে সড়ক পথে আমরা ‘আমাদের বাড়ী’- নাটুয়াপাড়া বাজার, সদর, যশোরের পথে রওনা হই। পরিকল্পনা মাফিক ২টা মাইক্রোবাসে আমরা ১৫-১৬ জন যাত্রী রওনা করি। আমাদের মাইক্রোবাসের দলনেতা ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. মিজানুর রহমান। তিনি সম্পর্কে রশীদ স্যার এর ভাতিজা। আরেকটি মাইক্রোবাসের দলনেতা ছিলেন স্বনামধন্য চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ডা. সৈয়দ আফজালুল করিম।আমাদের মাইক্রোবাসে- প্রফেসর মিজান, (দলনেতা) প্রফেসর দেলোয়ার, ডা. ফারুক, ডা. খালেকুজ্জামান, জনাব বিপিন বাবু (সিনিয়র লাইব্রেরীয়ান) জনাব মনজুরুল ইসলাম (সিনিয়র নির্বাহী সচিব, ইব্রাহিম কার্ডিয়াক)। দ্বিতীয় মাইক্রোবাসটিতে প্রফেসর ডা. আফজালুল করীম (দলনেতা) ডা. সিদ্দিকা সুলতানা, ডা. সুরাইয়া আক্তার, আফসানা রহমান কাকন, নিলুফার বেগম, নুসাইবা আসফিয়াত ইসলাম ও মনির হোসেন (সহকারী কোর্ডিনেটর) হিসেবে যাত্রা শুরু করি। আরও অংশ গ্রহণ করেন ডা. নাসিম রেজা (সনামধন্য) সার্জন- ও প্রাক্তন বিএমএ সভাপতি যশোর।
এখানে উল্লেখযোগ্য ডা. সিদ্দিকা সুলতানা আমাদের প্রফেসর এম এ রশীদ স্যারের সহধর্মীনি এবং এই ক্যাম্পের অন্তপ্রাণ। তিনি সকলকে যাত্রাপথ থেকে বাড়ী ফেরা পর্যন্ত যেভাবে আতিথীয়তাসহ পরিচালনা করেছেন, ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেকর খাওয়া-দাওয়া থাকার খোঁজ খবর ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেছেন তা আমাদের সকলের চিরজীবন মনে থাকবে। নুসাইবা হলো আমাদের ইব্রাহিম কার্ডিয়াক এর-এক্সিকিউটিভ অফিসার জনাব মানজুরুল ইসলাম সাহেবের মেয়ে। অত্যন্ত মেধাবী ও চৌকষ জেন-জেড এর উপমাধারী। এ লেভেল শেষে ক্যারিয়ার গঠনের এবং উচ্চ শিক্ষালাভের জন্য ব্যস্ত। আর যার কথা না বললেই না, সে আমাদের সবার প্রিয় মনির হোসেন। যে সর্বাধিক পরিচিত কার্ডিয়াকের গাড়িচালক বা রশীদ স্যারের চালক এবং সহযোগী হিসেবে। যার অবদান ও সহযোগীতার কথা সম্পৃক্তসহ আমাদের এই ক্যাম্প ভ্রমণের সারাজীবন মনে থাকবে। অত্যন্ত সুন্দরভাবে গাড়ির ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে যাত্রা বিরতি ও অন্যান সবকিছু পরিচালনার জন্য সকল যাত্রী নির্ভরশীল ছিল এই কোঅর্ডিনেটর মুনিরের উপর। সত্যিই অপূর্ব!
আমরা ২টা মাইক্রোতে করে বারডেম থেকে যাত্রা করে ঢাকা-মাওয়া রোদ হয়ে পদ্মা ব্রীজ হয়ে ভাঙ্গা পার হয়ে গোপালগঞ্জের শুরুতেই ‘সাম্পান’ হাইওয়ে রেস্টুরেন্টে যাত্রা বিরতি করি। সেখান থেকে নড়াইল হয়ে যশোর বোর্ড অফিসের পাশ দিয়ে খাজুরার আগে লেবুতলা হয়ে নাটুয়াপাড়া পৌঁছাই আনুমানিক রাত্র, ৮:৩০ টায়। পথিমধ্যে যশোর বাইপাস করে যখন নাটুয়াপাড়ার রাস্তায় (প্রায় ১২ কি.মি.) যাচ্ছিলাম, কি নৈসর্গীক, গ্রামীন রাস্তা ধানক্ষেত, ২ পাশে খেজুর বাগান। আমাদের মূল সংগঠক ও এই ক্যাম্পের প্রাণ, প্রফেসর রশীদ স্যার, সার্বিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে বুধবারেই যশোর পৌঁছিয়েছিলেন। সেখান থেকে আমাদের যাত্রা তদারকি করছিলেন।
উল্লেখ্য, রশীদ স্যার একদিন পূর্বেই অর্থাৎ জিএমএসএস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, ডা. সিদ্দিকা সুলতানা (আমাদের প্রিয় ভাবী) সহ-সভাপতি, প্রফেসর সৈয়দ অফজালুল করিম সাধারণ সম্পাদক ও প্রফেসর মিজানুর রহমান কোষাধক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাহী কমিটির আরও অন্যান্য সদস্যদের সাথেও পরিচিতি লাভ করে আমরা অনন্দিত। সকলে অত্যন্ত অতিথি বৎসল। যে নামগুলো অবশ্যই বলতে হবে তা হলো জনাব জহির রায়হান শিমু (ম্যানেজার), মো. আতিয়ার রহমান (ডাইরেকটর)ও বাবু চিন্ময় সাহা (ডোনার এবং এড্যাভাইজার)। এছাড়াও রশীদ স্যার আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ২০ জানুয়ারি ২০২৫, আব্দুল গফুর মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নাটুয়াপাড়া (যা স্যারের পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত এবং রশীদ স্যারই প্রতিষ্ঠাতা) উক্ত বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। প্রধান আতিথি ছিলেন মাননীয় জেলা প্রশাসক জনাব মো. আজহারুল ইসলাম। বিশেষ অথিতি ছিলেন জনাব মো. মাহফুজুল হোসেন শিক্ষা অফিসার যশোর। আরও ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মো. ইন্তাজুল ইসলাম।
১নং মাইক্রোবাসের ড্রাইভার জনাব সোহরাব ও ২য় মাইক্রোবাসের ড্রাইভার জনাব সাইদুল। অত্যন্ত দক্ষ এবং দায়িত্বপূর্ণ চালক হিসেবে সকলের মন জয় করেছেন এবং কোন রকম অসুবিধা ছাড়াই মহান সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আমাদের আসা ও যাওয়া নির্বিঘেড়ব অনুষ্ঠিত হয়।‘আমাদের বাড়ী’ পৌঁছানোর পর রশীদ স্যারসহ অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীগণ আমাদের সাদর অভ্যর্থনা জানালেন। আমারা কিছুক্ষণ বিশ্রাম ও হাল্কা আপ্যায়নের পর যার যার রুমে গেলাম। প্রসাধনী শেষে রাত্রের খাবারের জন্য সবাই একত্রিত হলাম। খাবারের আয়োজন সত্যিই চমৎকার, নিজস্ব পুকুরের মাছ, ফার্মের মুরগী, বাগানের সবজি সত্যিই মজাদায়ক। তারপর আমরা পরিচিতিমূলক সভাতে যোগদান করলাম। এরপরই জিএমএসএস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। গফুর মরিয়ম-সাত্তার-সাকেরা (জিএমএসএস) ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৪ সালে। যশোর জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনগ্রসর জনগোষ্ঠির মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ডা. এম এ রশীদ-এর উদ্যোগে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সহযোগীতায়র এই ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়। পারিবারিক ৪ জনের নামে (ডা. এম এ রশীদ স্যার এর পিতা-মাতা-শ্বশুর-শ্বাশুড়ী) রশীদ স্যারের স্ত্রী ডা. সিদ্দিকা সুলতানা ও কয়েকজন ফিলানথ্রোপিষ্ট (পরোপকারী)- সমমনা ব্যক্তিগণের উদ্যোগে শুরু হলেও আজ এটা অনেক বড় প্রতিষ্ঠান। ‘আমাদের বাড়ী’ সমন্বিত প্রবীণ ও শিশু নির্বাস সরকারের, সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান। এখানে বর্তমানে মোট ৩৯ জন (শিশু ১৯ জন ও বয়স্ক ২০ জন) নিবাসী আছেন। শিশুরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, অন্য বস্ত্র সবই পাচ্ছেন। এমনকি খুব ভালভাবে ইংরেজী শিক্ষা ও ভোকাবুলারী রপ্ত করছে যা ভবিষ্যতে তাদের কর্মজীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ‘আমাদের বাড়ী’- নামকরণের স্বার্থকতা যেখানেই যে এখানে কেউই অন্যের বাড়ী মনে করেনা, সবাই সবার আপন, শিশুরা মাতৃ-পিতৃস্নেহে, বয়স্করা আদর ভালোবাসা শ্রদ্ধায়, আত্মসম্মান নিয়ে বসবাস করছে। এ যেন পিতা-মাতা-সন্তান-নাতী-নাতনীর-দাদা-দাদী-নানা-নানির একসাথে বসবাস। সবাইর সুখী হাসিভরা মুখ দেখে আমরা যারা মেডিক্যাল ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করলাম সত্যিই অত্যন্ত আনন্দিত। ধন্যবাদ বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় প্রসাশন, সমাজসেবা আধিদপ্তর গণপূর্ত বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে। ‘আমাদের বাড়ী’ যাত্রা শুরু করে ২০২২ সালে। মিটিং শেষ হতে প্রায় রাত্র ১২টা বেজে গেলো। রশীদ স্যারের প্রানবন্ত সভাপতিত্ব, রশীদ ভাবীর সহযোগিতা (সহ-সভাপতি) আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হলাম অধ্যাপক সৈয়দ আফজালুল করিম, বিশিষ্ট চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ,সাধারণ সম্পাদক, জিএমএসএস, ফাইন্ডেশন ও ‘আমাদের বাড়ী’। অধ্যাপক ডা. মো. মিজানুর রহমান (ভ্রমণ-সাথী ও দলনেতা- মেডিক্যাল ক্যাম্প জানুয়ারি ২০২৫), বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন, কোষাধ্যক্ষ, জিএমএসএস ফাউন্ডেশন ও ‘আমাদের বাড়ী’। আরও ছিলেন উক্ত ফাউন্ডেশনের পরিচালক ও কর্মকর্তাবৃন্দ ও সুধীজন। মিটিং-এর মাঝে খেজুরের রস মুড়ি, মিষ্টি দ্বারা আপ্যায়ন করা হলো। আরও জানালাম ফাউন্ডেশনের দানকৃত অর্থ বাংলাদেশ সরকারের ‘ইনকাম ট্যাক্স’ থেকে রিবেট পাওয়া যায়। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আমরা দেখে আসলাম মরিয়ম বিবি মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, আব্দুল গফুর মেমোরিয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয় (রশীদ স্যারের মা এবং বাবা)। জুম্মার নামাজের পর ডা. রশীদ স্যারের পৈত্রিক বাড়ী বেড়াতে গেলাম। যেখানে অবস্থিত ২টা বিশাল আকৃতির প্রাচীনযুগের ধানের গোলা, সুন্দরভাবে রক্ষিত আছে। উনড়বয়নের ছোঁয়া লেগেছে আবার ঐতিহ্যকেও ধারন করা হয়েছে। মূল ঘরে প্রবেশের পরই সুন্দর পরিপাটি বৈঠকখানা, দেয়ালে টেরাকোটার কাজ। যাতে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে যশোরের ঐতিহ্য খেজুরগাছ ও বাংলাদেশ তথা ৭১-এর স্বাধীনতার ঐতিহ্যকে ধারণ করা হয়েছে।শুক্রবার সকাল ৯টা-থেকে ১২:৩০ টা পর্যন্ত মেডিক্যাল ক্যাম্প। প্রায় ৩০০ শতাধিক রুগী প্রতান্ত অঞ্চলে বিশেষজ্ঞ সেবা পেয়ে বেজায় খুশী। আমারাও আনন্দিত ও ধন্য হলাম তাদের সেবা দিতে পেরে।
জুমার নামাজ শেষে রশীদ স্যারের পৈতৃক বাড়ী পরিদর্শন করলাম। তারপর দুপুরের খাবার এরপর সমাপনী অনুষ্ঠান করা হলো। সকল উপদেষ্টা/চিকিৎসকে ক্রেষ্ট প্রদান ও উপহার প্রদান করা হলো, সম্মানিত করা হইল তাঁদের সহযোগিতার জন্য।অনুষ্ঠানেও সভাপতিত্ব করেন ডা. এম এ রশীদ স্যার আর প্রধান অতিথি ছিলেন জনাব নার্গিস ম্যাডাম (প্রয়াত তরিকুল ইসলাম, প্রাক্তন (বিএনপি) এমপি ও মন্ত্রীর সহধর্মিনী)। উপস্থিত ছিলেন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিশেষ অতিথি পত্র-পত্রিকার সম্পাদক ও চিকিৎসকবৃন্দ।
সবকিছু ভালোভাবে সম্পনড়ব করে বিকাল ৫:৩০ মি: গাড়ি ভর্তি উপঢোকনসহ আমরা ফিরতি যাত্রা শুরু করলাম।সারাজীবন মনে থাকবে এই ক্যাম্পের কথা। ধন্যবাদ রশীদ স্যার, ভাবী সিদ্দিকা সুলতানাসহ জিএমএস ফাউন্ডেশন ও ‘আমাদের বাড়ী’র পরিচালনাকারী ও সহযোগীতাকারী সকল বক্তিবর্গকে।
লেখক : ডা. এস এম আশরাফুজ্জামান
সাম্মানিক সিনিয়র কনসালটেন্ট, এন্ডো্ক্রাইনোলজী
ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল ও রিসার্চ সেন্টার