শিরোনাম |
❒ দৈনিক গ্রামের কাগজে সংবাদ প্রকাশে তোলপাড়
দৈনিক গ্রামের কাগজে গত ৩০ জুলাই বুধবার ‘কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, এসএসসি পরীক্ষায় পাশ করাদের কাছে পাঁচশ টাকায় প্রশাংসাপত্র বিক্রি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। এসএসসি পরীক্ষার প্রশংসাপত্রের জন্য যে টাকা আদায় করা হয়েছিল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ডেকে তা ফেরৎ দেয়া হচ্ছে।
বিদ্যালয়, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সূত্রে জানা গেছে, দৈনিক গ্রামের কাগজে সংবাদটি প্রকাশের পর শিক্ষা প্রশাসন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও সচেতন মহলের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সংবাদটি সকলের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ফলে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল রাজ্জাক প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নানকে ডেকে নিয়ে ধমক দেন এবং প্রশংসাপত্র বাবদ নেওয়া টাকা ফেরৎ দেওয়ার নির্দেশ দেন।
শিক্ষার্থী নওরীন সিরাজী সুরভী জানান, স্কুল থেকে তাকে টাকা ফেরৎ দেওয়ার জন্য সংবাদ দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষার্থী জান্নাতুল মাওয়ার মা আলতাপোল গ্রামের অভিভাবক আফসানা হাসান শিউলি বলেন, ‘স্কুল থেকে আমাকে ডেকে নিয়ে মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র বাবদ নেওয়া পাঁচশ টাকা ফেরৎ দেওয়া হয়েছে।’
বিদ্যালয়ের হেড ক্লার্ক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এ পর্যন্ত ১৪ জন শিক্ষার্থী প্রশংসাপত্র নিয়েছিল। তাদের অধিকাংশ টাকা ফেরৎ নিয়ে গেছে। বাকীদের টাকা ফেরৎ দেওয়ার জন্য সংবাদ দেওয়া হয়েছে।’
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল রাজ্জাক বলেন, ‘সম্প্রতি আমাকে এ্যাডহক কমিটির সভাপতি নিযুক্ত করা হয়েছে। এসএসসি উত্তীর্ণদের কাছ থেকে প্রশংসাপত্র বাবদ পাঁচশ টাকা করে নেওয়ার বিষয়টি আমাকে জানানো হয়নি। গ্রামের কাগজে সংবাদ প্রকাশের পর জানতে পেরে প্রধান শিক্ষককে ডেকে একটু বকাঝকা করা হয়েছে এবং ওই টাকা ফেরৎ দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।’