শিরোনাম |
❒ দক্ষিণ কোরিয়া গ্রুপে বড় চ্যালেঞ্জ
মিয়ানমারে মেয়েদের এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের পর ঢাকায় শেষ হলো সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী টুর্নামেন্ট। এবার নতুন মিশনে নামছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল—লাওসে অনুষ্ঠিতব্য এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাই খেলতে রওনা দিচ্ছে তারা।
এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মূলপর্বে খেলার সুযোগ রয়েছে। শনিবার (৩ আগস্ট) ঢাকা ছাড়বে বাংলাদেশ দল।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার বলেন, আমরা সেখানে ভালো খেলে কোয়ালিফাই করার জন্যই যাচ্ছি। টানা খেলার মধ্যে আছি। সাফে সবাই মাঠে সময় পেয়েছে। যারা মিয়ানমারে খেলেছে, তারা কিছুটা বিশ্রাম পেয়েছে। তাই ক্লান্তি তেমন নেই।
বাংলাদেশের গ্রুপে রয়েছে তিনটি দল—স্বাগতিক লাওস, শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়া ও তুলনামূলক দুর্বল তিমুরলেস্তে।
৬ আগস্ট লাওসের বিরুদ্ধে, ৮ আগস্ট তিমুরলেস্তের বিরুদ্ধে, ১০ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে খেলবে লাল-সবুজের মেয়েরা। গ্রুপের আট চ্যাম্পিয়ন ও সেরা তিন রানার্সআপই মূলপর্বে খেলার টিকিট পাবে।
ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলার বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া এই অঞ্চলের অন্যতম সেরা দল। তারা অনেক এগিয়ে। আমাদের প্রথম ম্যাচ লাওসের বিপক্ষে, যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ম্যাচটি জিতে ভালো সূচনা করতে চাই।
বাংলাদেশ এর আগে দু’বার এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ নারী টুর্নামেন্টের মূলপর্ব খেলেছে। তবে অনূর্ধ্ব-২০ আসরে এখনো কোনোবার মূলপর্বে জায়গা করে নিতে পারেনি।
২০১৯ সালে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৯ বাছাইয়ে বাংলাদেশের ফলাফল প্রসঙ্গে কোচ বাটলার বলেন, এটা ২০২৫ সাল, ২০১৯ নয়। অতীত নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না। আমাদের সামনে তাকাতে হবে।
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী টুর্নামেন্টে খেলা ২৩ জনই যাচ্ছেন লাওসে। তাদের মধ্যে নয়জন ছিলেন সিনিয়র দলে।
ক্যাপ্টেন আফঈদা মনে করেন, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলা ভবিষ্যতে সিনিয়র এশিয়ান কাপের প্রস্তুতিতে সহায়ক হবে। “অবশ্যই ম্যাচগুলো অনেক কাজে আসবে। আমাদের উপকার হবে।”