দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
শিরোনাম: চুড়ামনকাটিতে আ’লীগের প্রতিপক্ষ থাকতে পারেন স্বতন্ত্র প্রার্থী       উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে ভালোর আশায় শেষ হলো টাউনহল মাঠের গণসংগীত উৎসব       জেলা পুলিশ ও সেনাবাহিনীতে চাকরির নামে প্রতারণা       খালেদা জিয়াকে বিদেশে না পাঠালে পালানোর পথ খুঁজে পাবেন না       কেশবপুরে শিশু রত্না হত্যা মামলায় দাদার বিরুদ্ধে চার্জশিট       ঘের থেকে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার       যশোরের ৩৫ ইউনিয়নে ভোট রোববার       স্ত্রীকে হত্যার দায়ে আটক       ফরিদপুরে গ্রাম্য ডাক্তারকে মারপিট        জয়তী সোসাইটির মানববন্ধন       
বাঘারপাড়ার নয় ইউনিয়নে লড়াই হবে কার সাথে কার?
সরোয়ার হোসেন, বাঘারপাড়া থেকে ফিরে
Published : Monday, 22 November, 2021 at 9:00 PM, Update: 22.11.2021 11:07:00 PM, Count : 559
বাঘারপাড়ার নয় ইউনিয়নে লড়াই হবে কার সাথে কার?‘সাধারণ নেতাকর্মীদের কোনো মূল্যায়ন নেই, দলের তদারকি নেই ২০০৮ সাল থেকে। যারা নেতা তাদের আদর্শ, মনুষত্ব নেই। সবাই টাকা কামাচ্ছেন। এখন নেতাদের দ্বারা বেশি নির্যাতিত দলেরই কর্মীরা। যা বিএনপি-জামায়াতের সময়ও হয়নি’-কথাগুলো বলছিলেন যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুর বাজারের এক ব্যবসায়ী।
বাঘারপাড়ার আসন্ন ইউপি নির্বাচনের খবরাখবর জানতে সরেজমিনে গেলে এভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওই ব্যবসায়ী। তিনি রায়পুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের একজন নেতা, নাম প্রকাশ করতে চাননি। এই ক্ষোভ থেকেই উপজেলার নয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের চেয়ারম্যান প্রার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন একটি বড় অংশ। তারা নেতাদের বিরুদ্ধে অবহেলা, বঞ্চনা, অবমূল্যায়নের অভিযোগের পাশাপাশি প্রার্থী নির্বাচনে অদূরদর্শিতার অভিযোগ তুলেছেন। এটা নৌকার প্রার্থীদের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যার শতভাগ ফায়দা তুলতে মরিয়া দল বিদ্রোহী ১৪ স্বতন্ত্র এবং স্বতন্ত্রতার আড়ালে বিএনপি বা অন্য দলের প্রার্থীরা। তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাঘারপাড়ার নয় ইউনিয়নে আগামী ২৮ নভেম্বর ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
প্রাথমিকভাবে দলের পক্ষ থেকে বিদ্রোহী প্রার্থীদেরকে নিবৃত করার চেষ্টা হয়েছে। দলের জেলা সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন থেকে শুরু করে একাধিক নেতা একের পর এক প্রকাশ্য সভায় বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে কঠোর দলীয় সিদ্ধান্তের হুশিয়ারি দিয়েছেন। কিন্তু, বিদ্রোহীরা শোনেনি। উল্টো, গলার কাঁটা হিসেবেই ভোটে নৌকার প্রার্থীদের যন্ত্রণা দিন দিন বাড়িয়ে তুলছেন তারা। সোমবার দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়া হয়েছে বিদ্রোহীদের।
রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের পাঁচ বারের চেয়ারম্যান ছিলেন মন্জুর রশিদ স্বপন, এর দু’বারই তিনি আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। একবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন। তাকে বাদ দিয়ে এবার রায়পুর ইউনিয়ন থেকে নৌকা মার্কার প্রার্থী করা হয়েছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেনকে। এটা মেনে নিতে পারেননি স্বপন ও তার সমর্থকেরা। বিদ্রোহী হিসেবে আনারস প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়েছেন মন্জুর রশিদ স্বপন। তার সাথে থেকে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
রায়পুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নৌকা মার্কার প্রার্থী বিল্লাল হোসেন অভিযোগ করেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মালেক, সহসভাপতি আব্দুল আজিজ বিশ্বাস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলী, উপজেলা কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক নজরুল ইসলাম, ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি মোজাহার শেখ এবং চার নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক মাস্টার বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘তৃণমূলের মতামতের ওপর ভিত্তি করে এবার নেত্রী আমাকে নৌকা দিয়েছেন। যারা এর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন তারা নেত্রীর সিদ্ধান্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন’। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভোটে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ সাধারণ ভোটাররা এর জবাব দেবেন।
এ বিষয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী মন্জুর রশিদ স্বপন বলেন, ‘কিছু লোক দলকে পুতুল খেলা মনে করেন। যাদের নৌকা পাওয়ার কথা তারা পাননি। যারা বিভিন্ন সময় দলকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন তাদেরকে নৌকা দেয়া হয়েছে। যা মেনে নিতে পারেননি তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। সে কারণে সবাই আমার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।’ স্বপনের দাবি, নির্বাচনে নৌকাসহ অন্য প্রার্থীরা যে ভোট পাবেন তার দ্বিগুণ ভোটে জয়লাভ করবেন তিনি।
জহুরপুর ইউনিয়নে নৌকা মার্কার প্রার্থী যুবলীগ নেতা আসাদুজ্জামান মিন্টুর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি বদর উদ্দিন মোল্লা। তিনি মোটরসাইকেল প্রতীকে নির্বাচন করছেন। দলের বিদ্রোহী হিসেবে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন মাঠে থাকলেও তার নাম খুব একটা শোনা যাচ্ছে না। মূল আলোচনায় রয়েছেন বদর উদ্দিন মোল্লা ও আসাদুজ্জামান মিন্টু। কিছুটা আলোচনায় আছেন বিএনপির সাবেক নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী চশমা মার্কার কাজী মনিরুজ্জান।
জহুরপুর বাজারে বসে এই ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন নিয়ে কথা হয় কয়েকজনের সাথে। প্রথমে তারা বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে চাননি। আলোচনার এক পর্যায়ে যা জানালেন তা এরকম, ‘প্রচার-প্রচারণা কম। সাতজন চেয়ারম্যান প্রার্থী থাকলেও কাউকে খুব একটা দেখা যায় না। কে কোথায় ভোট করছেন বোঝা যাচ্ছে না’।
ভোটাররা বলেন, ‘ভোট হবে নৌকা (আসাদুজ্জামান মিন্টু) আর মোটরসাইকেলের (বদর মেল্লার  মোল্লা) মধ্যে। জহুরপুরে একজন নেতা থাকলে বদর মোল্লাই আছেন। তিনি ১৯৯২ সাল থেকে ’৯৮ সাল পর্যন্ত চেয়ারম্যান ছিলেন’।
মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী বদর উদ্দিন মোল্লা বলেন, ‘আমাদের ওপর যে অন্যায় করা হচ্ছে তা প্রশাসনকে জানাচ্ছি। তারা ব্যবস্থাও নিচ্ছে। আমরা শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশা করছি। নিরপেক্ষ ভোট হলে এত ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবো যে আপনারা বিশ্বাসও করতে পারবেন না’।   
চতুরবাড়িয়া বাজারে কথা হয় আনোয়ার হোসেন নামে একজনের সাথে। তিনি বলেন, ‘ভোট নিয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে, আমি যেহেতু নৌকার কাজ করছি সেহেতু বলবো নৌকার অবস্থা ভালো’।
নৌকা মার্কার প্রার্থী আসাদুজ্জামান মিন্টু বলেন, ‘নৌকার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। কিন্তু, তা ডালপালা মেলতে পারবে না। জনগণ আমাদেরকেই বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।
এই ইউনিয়নে বিএনপির সাবেক নেতা কাজী মনিরুজ্জামান ভোটের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন। নির্বাচনী কৌশলে তার ভোটগুলো কোনো এক প্রার্থীর জয়পরাজয়ে ভূমিকা রাখতে পারে বলেও এলাকায় প্রচার আছে।   
নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের পাঁচ বারের প্রার্থী ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবলু কুমার সাহা। কিন্তু, কোনোবারই তিনি পাশ করেত পারেন নি। এবারও তিনি এ ইউনিয়নে দলীয় প্রতীক নৌকা পেয়েছেন। তাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা তাঁতি লীগের সভাপতি আবু তাহের আবুল সরদার।
নারিকেলবাড়িয়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে এ ইউনিয়নে নির্বাচন বেশ জমে উঠেছে। দলের একাধিক শীর্ষ স্থানীয় নেতা বিদ্রোহী আবুল সরদারের আনারস প্রতীকের পক্ষে ভোট করছেন। তাদের মধ্যে দুই নেতা প্রতিপক্ষের হামলায় আহতও হয়েছেন।
এ ইউনিয়নের সাধারণ ভোটারদের অভিযোগ দীর্ঘ বছর ইউনিয়নটিতে দলের পক্ষ থেকে এমন কোনো প্রার্থী নির্বাচন করা যায়নি যার প্রতি দলের নেতাকর্মীরা নির্ভার থাকতে পারেন। যে কারণে বিদ্রোহীরা বরাবরই সুবিধা পান। এবারও সেরকম সম্ভাবনা রয়েছে বলে তাদের অভিমত।
তবে, ভোট নিয়ে এখনই কোনো কিছু বলার সময় হয়নি জানিয়ে নৌকার প্রার্থী বাবলু কুমার সাহা বলেন, ‘তিনদিন পর ছাড়া বোঝা যাবে না নৌকার কি অবস্থা। সকালে বাড়ি থেকে বের হচ্ছি, ফিরছি গভীর রাতে। ভোট চাচ্ছি, কিছু বুঝতে পারছি নে’। তবে জনগণ সাথে আছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘এবার আমিই জিতবো’।
স্বতন্ত্র আবু তাহের আবুল সরদার বলেন, ‘ভোট নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে হলে নৌকা দাঁড়াতেই পারবে না’।
বন্দবিলা ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী হয়েছেন ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা সনজিত কুমার বিশ্বাস। তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন, চার নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ঢোল প্রতীকের জিয়াউর রহমান এবং ঘোড়া প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা মাসুম রেজা। মাসুম রেজা সোমবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন। এই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ওয়ার্কার্স পার্টি যশোর জেলা সাধারণ সম্পাদক হাতুড়ি প্রতীকের সবদুল হোসেন খান শক্ত প্রতিপক্ষ। আছেন বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীকের মনিরুজ্জামান তপন। মূলত হাতুড়ি আর আনারসের সাথেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে নৌকার। সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী যা ভোট কাটবেন তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন নৌকার সনজিত কুমার বিশ্বাস।
বাঘারপাড়ার যে দু’টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা মার্কার প্রার্থী খুব ভালো অবস্থানে আছেন তা হলো ধলগ্রাম ও দোহাকুলা। বিদ্রোহী প্রার্থী থাকলেও দোহাকোলায় একাধিকবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ওয়াহিদুর রহমান, আবু মোতালেব এবং ধলগ্রামে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলামের নৌকা অনেকটা সুবিধাজনক অবস্থানে মনে হয়েছে।
বাসুয়াড়ি ইউনিয়নে অনেকটা ভালো অবস্থানে চলে এসেছেন নৌকার প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আমিনুর রহমান সরদার। যদিও এই ইউনিয়নে দুইজন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। তারা তেমন কোনো সমস্যা তৈরি করতে না পারলেও এখন আলোচনায় জামায়াত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী মশিউর রহমান।
জামদিয়ায় কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকলেও চাপে আছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম তিব্বত। তাকে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন সদ্য বিলুপ্ত ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক স্বতন্ত্র আসলাম হোসেন। তবে আরিফুল ইসলাম তিব্বত গরীব ও ভালো মানুষ হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
দরাজহাটে নৌকার প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান জাকির হোসেন। এই ইউনিয়নে দলের চারজন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। আছেন বিএনপির সমর্থক একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। তবে, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে নৌকার জাকির হোসেনের সাথে বিদ্রোহী প্রার্থী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ঘোড়া প্রতীকের ইকবাল হোসেনের। অপর প্রার্থী ইউনিয়ন কৃষক লীগ সভাপতি মহম্মদ আলীর আনারস প্রতীকের অবস্থানও খারাপ না।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft