দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
শিরোনাম: যশোরের ৪ অফিসার পুরস্কৃত       ট্রেনের ভাড়াও বাড়ানো হতে পারে : রেলমন্ত্রী       গম-ভুট্টা চাষিরা কম সুদে পাবেন ১ হাজার কোটি টাকার ঋণ       ৩৮ দিন পর করোনায় মৃত্যু শূন্য দিনে দেখলো দেশ       আমদানি পণ্যের ট্রাকে মিলল ফেনসিডিল-ওষুধ        শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে গাছে ধাক্কা খেয়ে বাইকার নিহত       মাছে রং মেশানোর অপরাধে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা       বাংলাদেশকে জিডিআইতে যুক্ত হতে প্রস্তাব দিয়েছে চীন       তাজিয়া মিছিলে বর্শা-বল্লম-তরবারি নয়, আতশবাজি নিষিদ্ধ       হজে গিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করা সেই মতিয়ারের জামিন      
যশোরে মিনারুল হত্যা মামলায় হাফিজুরের ফাঁসি
কাগজ সংবাদ
Published : Thursday, 2 June, 2022 at 8:33 PM, Count : 165
যশোরে মিনারুল হত্যা মামলায় হাফিজুরের ফাঁসিযশোরে হত্যা মামলায় হাফিজুর রহমান নামে এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসাথে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে তাকে। সদর উপজেলার সালতা গ্রামের মিনারুল হত্যা মামলায় এই রায় দিয়েছেন বিচারক। বৃহস্পতিবার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ইখতিয়ারুল ইসলাম মল্লিক এ রায় দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হাফিজুর রহমান সদর উপজেলার ওসমানপুর গ্রামের চান্দালী মোল্লার ছেলে।
আদালত সূত্র জানায়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হাফিজুর রহমান একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কৃষিবিভাগে কাজ করতেন। তার ছোট ভাই আব্দুল মান্নানের বন্ধু ছিলেন মিনারুল। মান্নান বাড়িতে দর্জির কাজ করতেন। মিনারুল দর্জির কাজ শেখার জন্য মান্নানের বাড়িতে যেতেন। এই যাতায়াতের এক পর্যায়ে হাফিজুরের প্রথম স্ত্রী সাবিনার সাথে মিনারুলের পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।  যা শারীরিক সম্পর্কে গড়ায়। বিষয়টি একদিন হাফিজুর দেখে ফেলেন। ঘটনার দিন হাফিজুরের কাছে ক্ষমা চান মিনারুল। হাফিজুর বিষয়টি আর কাউকে বলেননি। তবে, হাফিজুর মনের দুঃখে তার স্ত্রী সাবিনাকে তালাক দেন এবং ডলি নামে আরেকজনকে বিয়ে করে সংসার শুরু করেন। তারপরও প্রথম স্ত্রীর কথা ভুলতে পারেননি তিনি।
মিনারুল তার গ্রামের বিলকিস নামে আরো এক নারীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ওই ঘটনায় মামলা হয়। সেই মামলায় মিনারুল কয়েক বছর হাজতবাসও করেন। এসব ঘটনায় হাফিজুরের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তখন তিনি মিনারুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হাফিজুর মিনারুলের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এরমধ্যে মিনারুল বিয়ে করে সুখে শান্তিতে সংসার করেন। যা সহ্য করতে পারেননি হাফিজুর।
সর্বশেষ, ২০১৯ সালের ১৪ আগস্ট রাতে প্রথমে মিনারুলের বাড়ির পাশের একটি বাগানে ধারালো দা রেখে আসেন হাফিজুর। রাত ১০টার দিকে ফের হাফিজুর তার বাড়িতে যান। এরপর মিনারুলকে ইশারায় ডেকে ওই বাগানে নিয়ে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে চলে যান হাফিজুর।  
এ ঘটনায় মিনারুলের বড় ভাই আক্তারুজ্জামান বাদী হয়ে অজ্ঞাত পরিচয়ের আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করেন পিবিআইয়ের এসআই জিয়াউর রহমান। পিবিআই মিনারুলকে ঘটনার নয়দিনের মাথায় আটক করে। একইসাথে হত্যায় ব্যবহৃত দা উদ্ধার করা হয়। ২৫ আগস্ট হাফিজুরকে আদালতে সোপর্দ করলে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গৌতম মল্লিক তার জবারবন্দি গ্রহণ শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সেই থেকে হাফিজুর কারাগারে আটক রয়েছেন। একই বছরের ৭ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চার্জশিট  দেন। ২৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার আসামির উপস্থিতিতে আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। 




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft