সম্পাদকীয়
শিরোনাম: করোনার টিকাকে সর্বজনীন পণ্য ঘোষণা করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী       বেপরোয়াদের সাথে পেরে উঠা যাচ্ছে না! (ভিডিও)       সর্বরোগ বিশেষজ্ঞ ফার্মাসিস্ট জিয়া!        চারদিন পর একশ’র নিচে মৃত্যু       ৩ কিলোমিটার রাস্তায় হেঁটে চলাও কষ্টকর       যশোরে ডাকাতিয়ায় দু’ডজন পুকুর ভরাট       শিক্ষাকতা পেশা পুঁজি করে নানা অপকর্মে লিপ্ত ভায়নার শহিদুল       তুচ্ছ ঘটনায় চাঁনপাড়ায় একই পরিবারের পাঁচজনকে জখম        মোরেলগঞ্জে হামলায় নারীসহ আহত ৫       স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল, ৬ কিশোর আটক      
অস্ত্র-ইয়াবার বিনিময় মূল্য হয়ে উঠেছে সোনার বার
Published : Thursday, 25 February, 2021 at 8:50 PM, Count : 157

অস্ত্র-ইয়াবার বিনিময় মূল্য হয়ে উঠেছে সোনার বারঅস্ত্র ও ইয়াবার বিনিময় মূল্য হিসাবে ব্যবহৃত স্বর্ণ পাচারের নিরাপদ রুট এখন চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমান বন্দর। আন্তর্জাতিক চক্র দুবাই ও ভারত থেকেই নিয়ন্ত্রণ করছে বাংলাদেশের স্বর্ণের চোরাচালান। অভিযোগ উঠেছে, স্বর্ণ পাচারের ক্ষেত্রে বিমানের কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততার। তবে নানা জটিলতায় বিদেশি মূল হোতাদের শনাক্ত করা না গেলেও দেশীয় এজেন্টদের অনুসন্ধান শুরু করেছে পুলিশ।
বৈধ ও অবৈধ দুই পথেই চট্টগ্রামে আসছে সোনার বড় বড় চালান। সোমবার আবুধাবী থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৫০ সোনার বার। এর আগে গত অক্টোবর মাসেই ২৫০ পিসের সোনার বড় দু'টি চালান ধরা পড়েছিল। আর ২০১৯ সালে জব্দ করা হয় ১৯৩ কেজি সোনার বার। দুবাইভিত্তিক শক্তিশালী সিন্ডিকেট চট্টগ্রামকে রুট হিসাবে ব্যবহারের চেষ্টা করছে বলে তথ্য কাস্টমসের। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজের উপ-কমিশনার রোকশানা খাতুন বলেন, আমরা গত কয়েকদিনে দুটি চালান আটক করেছি। এতে বোঝা যায় শাহ আমানত বিমানবন্দরকে চোরাচালানের রুট হিসেবে ব্যবহার করছে। শুধুই যে অবৈধ পথে স্বর্ণ আসছে তা নয়, শাহ আমানত বিমান বন্দরে গত চার মাসে বৈধ করা হয়েছে ৪ মেট্রিক টনের বেশি সোনার বার। কিন্তু এসব সোনা বাংলাদেশের অলংকারের বাজারে যাচ্ছে না। শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক বাবুল ইকবাল বলেন, মূলত অস্ত্র এবং ইয়াবার মতো মাদকের বিনিময় মূল্য হিসাবেই ব্যবহার করা হচ্ছে এসব সোনা। এগুলো কোথায় যাচ্ছে সেটা বের করার চেষ্টা চলছে।
অস্ত্র ও ইয়াবার বিনিময় হিসাবে সোনার বার ব্যবহারের অভিযোগ ওঠায় নতুন করে অনুসন্ধানে নামছে পুলিশ। সিএমপি উপ-কমিশনার মিলন মাহমুদ বলেন, সোনা অস্ত্র বা মাদকের বিনিময় হিসেবে চিহ্নিত হয়, বিষয়টি ইতোমধ্যে আমাদের নজরে এসেছে। আমরা মনে করি অস্ত্র এবং ইয়াবার মতো মাদকের বিনিময় মূল্য হিসাবেই ব্যবহার করা হচ্ছে এসব সোনা চোরাচালান হচ্ছে। সোনার চোরাচালান প্রতিরোধ করার জন্য শুল্ক গোয়েন্দা ও পুলিশ আন্তরিক ভাবে কাজ করবে। 





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft