সারাদেশ
শিরোনাম: দ্রুত ওজন কমাতে দৌড়াবেন নাকি সাইকেল চালাবেন?       কালীগঞ্জে আলমসাধুর ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত       উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন কেসিসি মেয়র       খানসামা উপজেলায় উপ-নির্বাচনে ৪ প্রার্থীর মনোনয়নই বৈধ       নওগাঁয় এ বছর দেড় হাজার কোটি টাকার আম বাণিজ্যের সম্ভাবনা       সেন্ট মার্টিন থেকে মালয়েশিয়াগামী ৩৩ রোহিঙ্গা উদ্ধার       রাস্তা পেল নওগাঁর বিল পাড়ের মানুষ       টেকনাফে আইসসহ এক রোহিঙ্গা আটক       ১ হাজার টাকাতেও মিলছে না ৪০০ টাকার শ্রমিক       ভয়াবহ বৈশ্বিক খাদ্যসংকটের আশঙ্কা জাতিসংঘের       
অবশেষে ২০ বছর পর ধরা পড়লো ফাঁসির আসামি
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :
Published : Friday, 28 January, 2022 at 4:07 PM, Count : 249
অবশেষে ২০ বছর পর ধরা পড়লো ফাঁসির আসামিচট্টগ্রামের লোহাগাড়ার ব্যবসায়ী জানে আলম হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সৈয়দ আহমেদ অবশেষে ধরা পড়লেন। দীর্ঘ ২০ বছর ছদ্মবেশ ধারণ করে গ্রেফতারের হাত থেকে রেহাই পেলো না সৈয়দ আহমেদ।
বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর আকবর শাহ থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।
শুক্রবার র‌্যাব-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) নুরুল আবসার এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার এড়াতে সৈয়দ আহমেদ কখনো উদ্বাস্তু, কখনো বাবুর্চি, আবার কখনো নিরাপত্তাকর্মীর ছদ্মবেশে ঘুরে বেড়িয়েছেন চট্টগ্রামেই।
২০০২ সালের ৩০ মার্চ কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় জানে আলমকে। ওই ঘটনায় লোহাগাড়া থানায় ২১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন তার ছেলে তজবিরুল আলম।
পাঁচ বছর পর ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই সৈয়দ আহমেদসহ ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। এরপর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আপিল করলে সৈয়দ আহমেদসহ ১০ জনকে মৃত্যুদণ্ড, দুই জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন বিচারক। আট আসামি খালাস পান।
সৈয়দ আহমেদ গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার পলাতক অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন র‌্যাবের কাছে। জানান, হত্যাকাণ্ডের পরপরই তিনি চট্টগ্রামের বাঁশখালীর একটি ডাকাত দলের সঙ্গে সাগর পাড়ি দিয়ে আত্মগোপন করেন।
এরপর চার-পাঁচ বছর বাঁশখালী, আনোয়ারা, কুতুবদিয়া, পেকুয়ায়ার সাগর তীরবর্তী এলাকায় ছিলেন সৈয়দ আহমেদ। পরে সীতাকুণ্ডে উদ্বাস্তু হিসেবে আত্মগোপন করেন।
ফেরারি জীবনের একপর্যায়ে জঙ্গল ছলিমপুরে ছিলেন তিনি। সেখানে মশিউর বাহিনীর প্রধান মশিউরের ছত্রছায়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছিলেন। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের কারণে ওই বাহিনীর সঙ্গেও থাকা হয়নি। এরপর চট্টগ্রামের বিভিন্ন মাজার এলাকায় বাবুর্চির কাজ শুরু করেন। নগরের আকবরশাহ থানা এলাকার একটি বাড়িতে নিরাপত্তাকর্মীর কাজও করেন।
র‍্যাব জানিয়েছে, পরিচয় গোপন করতে তিনি দুটি ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেন। এজন্য তাকে শনাক্ত করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। শেষশেষ শেষ রক্ষা হয়নি দুর্র্ধষ এই খুনীর।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : [email protected], [email protected]
Design and Developed by i2soft