বুধবার
০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রতিপক্ষের নেতিবাচক ফুটবলে ইংল্যান্ড লাভবান

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০২৬, ১২:২০ পিএম
মেক্সিকোর বিপক্ষে জয়ের পর ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের উচ্ছ্বাস। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের এবারের যাত্রা ছিল নানা চ্যালেঞ্জে ভরা। গ্রুপ পর্ব ও নকআউট পর্বে বেশ কয়েকটি ম্যাচে এমন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হতে হয়েছে, যারা রক্ষণাত্মক কৌশল নিয়ে মাঠে নেমে ম্যাচে টিকে থাকার চেষ্টা করেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এই কঠিন অভিজ্ঞতাই পরবর্তী পর্বে ইংল্যান্ডকে আরও পরিণত ও আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে।

মেক্সিকোর বিপক্ষে শেষ ম্যাচটি ছিল সেই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় উদাহরণ। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে নেমে মেক্সিকো দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুললেও নিজেদের ভুলের মূল্য দিতে হয়েছে। অন্যদিকে ইংল্যান্ড সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে কার্যকর ফুটবল উপহার দেয়।

এর আগে পর্যন্ত ইংল্যান্ড তাদের প্রকৃত সামর্থ্যের পুরোটা দেখাতে পারেনি বলে মনে করা হচ্ছিল। প্রতিপক্ষের রক্ষণাত্মক কৌশলের কারণে দলকে পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলতে হয়েছে। ফলে পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতার বদলে দেখা গেছে বিচ্ছিন্ন কিছু উজ্জ্বল মুহূর্ত।

তবে বড় টুর্নামেন্টে নান্দনিক ফুটবলের চেয়ে জয়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেই দিক থেকে ইংল্যান্ড নিজেদের লক্ষ্য পূরণে সফল হয়েছে। মেক্সিকোও ম্যাচজুড়ে লড়াকু মনোভাব দেখিয়েছে। তাদের সমর্থকদের উচ্ছ্বাস, উচ্চভূমির মাঠের পরিবেশ এবং স্বাগতিক সমর্থনের সুবিধা সত্ত্বেও ইংল্যান্ড মানসিক দৃঢ়তা ধরে রাখতে সক্ষম হয়।

বিশেষ করে প্রায় ৪০ মিনিট ১০ জন খেলোয়াড় নিয়ে মাঠে থেকেও ইংল্যান্ডের রক্ষণ ছিল অত্যন্ত সংগঠিত। একই সঙ্গে আক্রমণে তারা ছিল কার্যকর ও আত্মবিশ্বাসী। কঠিন পরিস্থিতিতে দলের সাহস, ঐক্য এবং লড়াকু মানসিকতা জয় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তবে এই জয়কে শুধুই একটি ধাপ হিসেবে দেখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কারণ এখন সামনে আরও কঠিন পরীক্ষা। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ নরওয়ে, যেখানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারেন তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড।

ইংল্যান্ড দলে যেমন কিছু দুর্বলতা রয়েছে, তেমনি বেশ কিছু বড় শক্তির জায়গাও আছে। হ্যারি কেইন অসাধারণ বুদ্ধিদীপ্ত এবং বিশ্বমানের একজন ফুটবলার। আর জুড বেলিংহাম এমন একজন খেলোয়াড়, যিনি একাই ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারেন। এই বিশ্বকাপেও তিনি সেটির প্রমাণ দিয়েছেন। নিঃসন্দেহে তিনি ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় ম্যাচজয়ীদের একজন।

আমি আগেও বলেছি, ইংল্যান্ড হয়তো এখন পর্যন্ত চোখ-ধাঁধানো ফুটবল খেলেনি, কিন্তু তারা ধারাবাহিকভাবে জয়ের পথ বের করেছে; আর বড় টুর্নামেন্টে সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমার কাছে মেক্সিকোকে হারানোর ম্যাচটিই ইংল্যান্ডের সত্যিকারের টার্নিং পয়েন্ট। তবে সামনে আরো বড় পরীক্ষা অপেক্ষা করছে। কোয়ার্টার ফাইনালে প্রতিপক্ষ নরওয়ে। সেখানে আর্লিং হালান্ডের দিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে। সে দুর্দান্ত একজন ফিনিশার এবং শারীরিক সক্ষমতায় অনন্য।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সেন্টমার্টিনে জোয়ারের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

অপু বিশ্বাসের বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন গৌতম সাহা

খামেনির মরদেহ ইরাকের নাজাফে পৌঁছেছে

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়ায় নিয়োগকর্তাকে জরিমানা

প্রতিপক্ষের নেতিবাচক ফুটবলে ইংল্যান্ড লাভবান

ম্যাচ শেষে কান্নায় ভেঙে পড়েন লিওনেল মেসি

ইরানে মার্কিন বিমান হামলা, তেহরানের কঠোর হুঁশিয়ারি

কক্সবাজারে বন্যা ও পাহাড়ধস : ৩৩ ইউনিয়ন প্লাবিত, নিহত ১২

যবিপ্রবিতে খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে মারামারি

টাইব্রেকারের নাটকীয় জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ড

ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয় ভবন, দুই বছর ধরে মন্দিরের বারান্দায় পাঠদান

বোরকা-হিজাব পরলেও যেসব ভুলে পর্দার উদ্দেশ্য নষ্ট হতে পারে

রূপচর্চায় আমলকীর উপকারিতা

বিরতি ভেঙে ফিরছেন বুবলী

৮ জুলাই: ইতিহাসের এই দিনে উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি

গুগলের নতুন ডেটা নীতি: / এআই প্রশিক্ষণে ব্যবহার হতে পারে আপনার আপলোড করা ছবি ও ভিডিও

ওজন কমাতে এড়িয়ে চলুন ১৫ খাবার

আরাগচি / যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি বন্ধ না হলে কোনো আলোচনা নয়

ট্রাম্প-ন্যাটো বৈঠকের আগে হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র কিনছে ন্যাটো

ইতিহাসের সেরা প্রত্যাবর্তন / মিশরকে ৩–২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

X