
হরমুজ প্রণালিতে বেসামরিক নাগরিকদের পরিচালিত তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের অভ্যন্তরে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। মার্কিন বাহিনী এই অভিযানকে ইরানের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ও ‘শক্তিশালী হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এদিকে, ইরানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের একাধিক এলাকায় শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর প্রকাশ করেছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিরিক, চাবাহারের নিকটবর্তী ক্বেশম দ্বীপ এবং বন্দর আব্বাস এলাকায় এসব বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বন্দর আব্বাসের পূর্ব ও পশ্চিম উভয় অংশে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এছাড়া সিরিক বন্দরের একটি বাণিজ্যিক জেটি এবং কাছাকাছি জিয়ারত গ্রামের একটি মাছ ধরার জেটিতে মার্কিন প্রজেক্টাইল আঘাত হেনেছে। শুধু সিরিক বন্দর এলাকাতেই অন্তত সাতটি বড় ধরনের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজে সংঘটিত বেআইনি হামলার জন্য ইরানকে ‘চড়া মূল্য’ দিতে বাধ্য করাই এই সামরিক অভিযানের মূল উদ্দেশ্য। তাদের দাবি, ইরানের কর্মকাণ্ড অত্যন্ত উসকানিমূলক এবং দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির গুরুতর লঙ্ঘন।
অন্যদিকে, মার্কিন এই আগ্রাসনের পর ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কড়া হুঁশিয়ারি জারি করেছে। তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে যে, নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তা এবং স্বার্থ রক্ষা করার জন্য যেকোনো ধরনের প্রয়োজনীয় ও কঠোর পদক্ষেপ নিতে ইরান বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করবে না।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
মন্তব্য করুন
০৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৯ পিএম
০৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৫ পিএম
০৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম