মঙ্গলবার
৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

রাত ৮টার পর নির্বাচনী জনসভায় মাইক নিষিদ্ধ : ইসি

কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:২৩ পিএম
নির্বাচনী জনসভায় রাত ৮টার পর মাইক ও লাউডস্পিকার ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ।

নির্বাচনী জনসভায় রাত ৮টার পর মাইক ও লাউডস্পিকার ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সময়ের পরে কোনো প্রার্থী বা রাজনৈতিক দল লাউডস্পিকার ব্যবহার করলে তা নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে বলে সতর্ক করেছে কমিশন।

রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধি ২০২৫ অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারণায় শব্দমাত্রা বর্ধনকারী যন্ত্র ব্যবহারের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিধিমালায় বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তাদের মনোনীত প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী বা তাদের পক্ষে কোনো ব্যক্তি প্রচারণার সময় কোনো নির্বাচনী এলাকায় মাইক বা শব্দমাত্রা বর্ধনকারী যন্ত্র দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে ব্যবহার করতে পারবেন।

আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রতি সমাবেশে লাউডস্পিকার ব্যবহারের সর্বোচ্চ সংখ্যা তিনটি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সাধারণ প্রচারণায় ব্যবহৃত মাইক্রোফোন বা লাউডস্পিকারের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য হবে না। শব্দের মাত্রা সর্বোচ্চ ৬০ ডেসিবেলের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। ব্যবহার সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।

নির্বাচনী আচরণবিধি মানতে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের পৃথক অঙ্গীকারনামা দিতে হয়েছে। কোনো প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দলকেও জরিমানার আওতায় আনার ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।

বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী আচরণবিধি ভঙ্গ করলে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকেও আর্থিক শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

প্রার্থী হিসেবেও ঘোষিত ব্যক্তিকে আলাদা অঙ্গীকারনামা দিতে হয়েছে। সেখানে তিনি ও তার নির্বাচনী সহযোগীরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তি মেনে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। এতে প্রার্থী ও দুইজন সাক্ষীর স্বাক্ষর রয়েছে।

আচরণবিধি ভাঙলে ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা দেড় লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। দলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা যেতে পারে। বিধান লঙ্ঘনে আরপিও অনুযায়ী প্রার্থিতা বাতিলের ব্যবস্থাও রয়েছে।

নির্বাচনী সংস্কার কমিশনের সদস্য ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন তুলি বলেন, রাত ৮টার পর জনসভায় মাইক ব্যবহার করা স্পষ্ট আইনভঙ্গ। নির্বাচন কমিশনের আইনে এটি পরিষ্কারভাবে উল্লেখ রয়েছে। আচরণবিধি ভঙ্গ হলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তাও সেখানে বলা আছে। আইন বাস্তবায়নের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের, তাই বিষয়টি তারাই দেখবে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সেলেসাওদের স্তব্ধ করে জাপানের গোল, শুরুতেই পিছিয়ে পড়ল ব্রাজিল

যশোরে জাতীয় পার্টির নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত 

শার্শার বসতপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বেকারি খাদ্য

ইনুর মামলার রায় কাল, সরাসরি দেখবে দেশবাসী

ডুমুরিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

নেইমারকে ছাড়াই জাপানের বিপক্ষে নামছে ব্রাজিল

মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক

অর্থ বিল পাস, যেসব পরিবর্তন এলো 

এনবিআরের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হলেন আহসান হাবিব

যশোরে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

যশোরে পাট পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি বিষয়ক মতবিনিময় সভা

যশোরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক সেমিনার  

যশোরে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস পালিত

মহেশপুরে গাজীরননেছা বালিকা বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

মোরেলগঞ্জে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে নারিকেল চারা ও কৃষি প্রণোদনা বিতরণ

শৈলকুপায় পাঁচ দিনের ব্যবধানে দুই কিশোরের মৃত্যু

সুনামগঞ্জ পৌরসভায় ৫৪ কোটি ১৫ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

মণিরামপুরে সেতুর কাজ থমকে, দুর্ভোগে ২০ গ্রাম

আগামী ইউপি নির্বাচন ঘিরে মণিরামপুরে বিএনপির ঐক্যের শপথ

নড়াইলে গণতন্ত্র অলিম্পিয়াড, অংশ নিলেন ২৭৫ শিক্ষার্থী

X