
শত চেষ্টা করেও ভাঙা যাচ্ছে না প্রতিপক্ষের রক্ষণব্যুহ। আক্রমণভাগের একের পর এক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় অলরেডদের ডাগআউটে তখন চিন্তার ভাঁজ। বল পজিশন কিংবা আক্রমণ—কোনো কিছুতেই কমতি নেই, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছে না স্পেন। অবশেষে ম্যাচের ডেডলক ভাঙতে এক বড় জুয়া খেললেন স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। চোটের পর এখনও পুরোপুরি শতভাগ ফিট না হওয়া সত্ত্বেও দলের ‘ত্রাতা’ হিসেবে ৭১ মিনিটে মাঠে নামানো হলো তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামালকে। মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনোর বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছেন বার্সেলোনার এই ফরোয়ার্ড।
রক্ষণ ভাঙার আপ্রাণ চেষ্টা স্পেনের
ম্যাচের শুরু থেকেই চেনা ছন্দে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে স্পেন। কিন্তু প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে গিয়ে বারবার খেই হারিয়ে ফেলছেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ডরা। মাঝমাঠ থেকে মিকেল মেরিনো বেশ কিছু ভালো বল জোগান দিলেও তা স্ট্রাইকাররা জালে জড়াতে ব্যর্থ হন। ম্যাচের ৭০ মিনিট পেরিয়ে যাওয়ার পরও স্কোরলাইন গোলশূন্য থাকায় বাধ্য হয়েই কৌশলে পরিবর্তন আনেন কোচ।
মেরিনোর বিদায়, দে লা ফুয়েন্তের ‘ইনজুরি রিস্ক’ বাজি
খেলার ৭১ মিনিটে মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনোকে তুলে নিয়ে আক্রমণভাগের ধার বাড়াতে লামিনে ইয়ামালকে মাঠে নামান লুইস দে লা ফুয়েন্তে। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, এটি কোচের একটি বড় জুয়া। কারণ, সাম্প্রতিক চোটের পর ইয়ামাল এখনও পুরোপুরি ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পাননি। এমন অবস্থায় তাঁকে মাঠে নামানো কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ হলেও, স্পেনের জন্য এই মুহূর্তে একটি গোল পাওয়া বড্ড বেশি প্রয়োজন ছিল। আর ইয়ামালের মতো ড্রিবলিং ও ক্রসিং মাস্টারই পারেন প্রতিপক্ষের জমাট রক্ষণ ভেঙে গোলের পথ তৈরি করতে।
মাঠজুড়ে ইয়ামাল ম্যাজিকের অপেক্ষা
মাঠে নামার পর থেকেই নিজের চেনা ড্রিবলিং আর ক্ষিপ্রতা দিয়ে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের ব্যস্ত রাখতে শুরু করেছেন ইয়ামাল। ডান প্রান্ত ধরে তাঁর কয়েকটি আক্রমণ ইতিমধ্যেই গ্যালারিতে উত্তাপ ছড়িয়েছে। এখন দেখার বিষয়, কোচের নেওয়া এই বড় ঝুঁকি শেষ পর্যন্ত স্পেনের জন্য জয়সূচক গোলের দেখা মেলাতে পারে কি না।
মন্তব্য করুন