
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস। সময়ের পার্থক্যের কারণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ রাত জেগে উপভোগ করতে হচ্ছে সমর্থকদের।
কিন্তু নিয়মিত রাত জাগার ফলে পরদিন ক্লান্তি, ঝিমুনি, মনোযোগের অভাব এবং কর্মক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক ঘুম পরিকল্পনা ও কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে এই সমস্যাগুলো অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
রাত জাগার জন্য কার্যকর ঘুম পরিকল্পনা ঘুম বিশেষজ্ঞরা রাত জেগে খেলা দেখার ক্ষেত্রে তিনটি কার্যকর কৌশলের কথা বলছেন—
১. সম্পূর্ণ রাতভিত্তিক রুটিন পরিবর্তন কিছু দর্শক বিশ্বকাপ চলাকালে ধীরে ধীরে রাতের রুটিনে অভ্যস্ত হয়ে যান। এতে প্রথম দিকে কষ্ট হলেও কয়েক দিনের মধ্যে শরীর নতুন সময়সূচির সাথে মানিয়ে নেয়।
২. দুই ভাগে ঘুম খেলা শুরুর আগে কিছুটা ঘুমিয়ে নেওয়া এবং খেলা শেষে আবার ঘুমানো—এই পদ্ধতিতে ক্লান্তি অনেকটাই কমে আসে।
৩. অল্প ঘুমে দিনের কাজ চালানো সারা রাত জেগে খেলা দেখার পর অল্প সময় ঘুমিয়ে দিনের কাজ চালানো সম্ভব হলেও এতে শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।
রাত জাগার পর শরীরের ওপর প্রভাব বিশেষজ্ঞদের মতে, কম ঘুম হলে পরদিন মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়, মনোযোগ কমে যায় এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও দুর্বল হয়ে পড়ে। এমনকি ঝুঁকিপূর্ণ আচরণের প্রবণতাও বেড়ে যেতে পারে। তাই রাত জাগার পর গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া বা বড় কোনো কাজ করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ক্যাফেইন ব্যবহারে সতর্কতা চা, কফি বা এনার্জি ড্রিংক সাময়িকভাবে সতেজতা দিলেও অতিরিক্ত গ্রহণ ঘুমের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই খেলা শুরুর আগে অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ না করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সীমিত রাখা ভালো।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের আগে অন্তত কয়েক ঘণ্টা আগে শেষ ক্যাফেইন গ্রহণ করা উচিত।
সংক্ষিপ্ত ঘুম হতে পারে উপকারী দুপুরের দিকে ২০–৩০ মিনিটের ছোট ঘুম শরীরকে পুনরায় সতেজ করতে সাহায্য করে। তবে বেশি সময় ঘুমালে উল্টো ঘুমঘুম ভাব বাড়তে পারে এবং স্বাভাবিক রুটিন ব্যাহত হতে পারে।
সূত্র : বিবিসি
মন্তব্য করুন
১৪ জুন ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম
১৫ জুন ২০২৬, ০১:১২ এএম