
আমাগের এলেকায় ছেলেপিলের যকন ম্যাট্টিক বা আইয়ে পরীক্কের রিজাল্ট আউট বাইরেতো তকন ফি বচর দেকা যাইতো ঝিনেদা ক্যাডেট কলেজ, ক্যান্টোমেন কলেজ, ফুলতলা মেলেটারি, দাউদ পাবলিক, শাহীন ইশকুল ইরাম কিচু শিক্কে পোতিষ্টান বরাবরই ভাল কইত্তো। এই সব পোতিষ্টানের ছেলেপিলে বোডে সিরা হইতো। ছেলেপিলের সাফল্যের কারনে এই সব পোতিষ্টানের সেইরাম কদর হইতো। কাইল টিআইবি দেশের ১৮ডা সিবা খাত নিয়ে জরিপ কইরেচে। তাইগের দিয়া তত্য মতে দেশের তিনডে সিবাখাত ফাস সেকেন থাড় হইয়েচে। তেবে সিডা সিবা দিয়ার বেলায় না। সিবা নিতি যাইয়ে পাবলিক ঘুষ আর হ্যারেজ খাওয়ার দিকতে এই তিনডে পোতিষ্টান সিরা হইয়েচে। দুন্নীতিতি এই সব পোতিস্টান নতুন না ফি বচরই মিধা তালিকায় থাকে। এইবারও যিরাম সিবাদানে দুন্নীতিতে দেশসিরা হইয়েচে পাসপোট অফিস। পাসপোট সেবা নিতি হ্যারেজ খাওয়ার হার সব্বোচ্চ ৮৪ পয়েন ৪ ভাগ। এর পর সেকেন পজিশন পাইয়েচে বিআরটিএ অফিস। হ্যারেজ খাওয়ানো মিধা তালিকায় তাইগের অজ্জন ৭৯ পয়েন ৩। মিধা তালিকায় থাড় হইয়েচে ভূমি সিবা। তাইগের অজ্জন ৬৬ পয়েন ৩ ভাগ। পেত্তেক বচরই শুনি এই তিনডে অফিস দুন্নীতিতি গোল্ডেন জিপিএ পায়। আমি মুক্কুসুক্ক মানুস জ্ঞানের বহর খাটো তাই এট্টা জিনুস বুজ কত্তি পারিনে। ফি বচর এই অফিস গুলো দুন্নীতিতি সিরা হয় কিন্তুুক ইরা কি বেলজ্জাতে যে সুম্বাদিক ডাইকে টিআইবি ফলপোকাশ করার পরও ইরা শুধরোয় না ! শুনতি পালাম অন্যসব অপিস তাইগের স্টাফগের শিকোয় কি কইরে ভালো সিবা দিয়া যায়। আর এই সব অপিস নাই স্টাফগের কোচিং করায় কি কইরে লোকজনরে হ্যারেজ খাওয়ায়ে মুতলা টানা যায়। এই সব অফিস চলে সংকেতের মাইদ্যমে। কোনটোয় পেন্সিল দিয়ে দাগা থাকে, কোনটোয় কলম দিয়ে উল্টোসিদে দাইগে দেয়,যা কোচিং করারায় বুজদি পারে। লিকাপড়ায় মিধাবীগের ছবি দিয়ে কোচিং সেন্টার প্যানা বানায় ঝুলোয় দেয়, এই সব চ্যাম্পিয়ন অপিসির ঘুষ নিয়ায় যারা মিধাবীমুখ তাইগেরও ইরাম প্যানা কইরে মোড়ে মোড়ে ঝুলোয় দিলি কিরাম হয় কওদিনি বাপু ! আলাম কনে, মলাম যে ! ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন