
আমাগের সুমায় হ্যাতো দিবস ছিল না। আমরা মাইন্য কত্তাম জাতীয় দিবসগুলো। একন পেত্তেক জিনুসির জন্যি দিবস হয়। এরমদ্দি কোন দিন মা দিবস আর কোনদিন বাপ দিবস সিডা ফেসবুক দেকলি বুজ করা যায়। যিরাম কাল ছিল বাপ দিবস। স¹লি তার বাপের ছবি ছাইড়ে নানান কতা লিকেচে। যাইগের বাপ বাইচে আচে তারা একরকম আর যাইগের বাপ মইরে গেচে তাইগের একরকম। তেবে দুক্কু লাগে যারা মা বাপের কোন খোজও নেয় না, তারাও ফেসবুক গরম করে। এই নিয়ে কতা হচ্চিল। আমাগের এক ম্যা’ভাই দুক্কু কইরে কলে বিদেশীরা কিচু জিনুস আমাগের ওপর চাপায় দেচে। আমরাও সিডা নিয়েই মাইতে আচি। আমি কলাম ম্যা’ভাই কুনডার কতা কচ্চো এট্টু হেজেমানে কইরে কওদিনি। ম্যা’ ভাই কলে ক্যান মা দিবস, বাপ দিবস তুইই তো কতা উসালি। আমি কলাম মনের দুক্কি উসাইলাম। তা তুমি বিদেশী কইয়ে কি বুজোতি চাচ্চ সিডা কও। ম্যা’ভাই কলে শোন বিদেশে স্যায়না হলি ছাবাল মাইয়েরা যে যার মতো হইয়ে যায়। নিজির মা বাপের খোজ নিয়ার সুমায় তাইগের থাকে না। বুড়ো বয়সে অনেকরেই বৃদ্দাশ্রমে থুয়াসে। সারা বছর তাইগের কোন খবর নেয় না। মা বাপের খোজ নিয়ার জন্যি তারা বুদ্দি পাতায়েচে মা দিবস, বাপ দিবসের। যাতে বছরের এট্টা দিন অন্তত মা বাপের কাচে যায়। কিন্তুক উডা ওগের সংস্কৃতি। আমাগের সংস্কৃতি কি। যতই অভাব হোক মা বাপ সংসারেই থাকপে। শেষ বয়সে নাতি পুতি কোলে কাখে নিয়ে তাইগের সাতে হাইস খেলে জীবনডা পার করবে। ইডা কি তাইগের খুব বেশি কিচু চাওয়া? সারা জীবন বুকির রক্ত পানি কইরে যাইগের বড় কল্লে তারা যদি বুড়ো বয়েসে তাইগের বুজা মনে করে তালি সে দুক্কু থুয়ার জাগাডা কনে ক’দিনি। ম্যা’ভাই টানা এট্টা নিশ্বেস ছাইড়ে কলে, মা বাপ হচ্চে সূযযোর মতো। সূযযো তলায় গেলি যিরাম দুইনে আন্দার সিরাম মা বাপ তলায় গেলি জীবন আন্দার। যাইগের বাইচে আচে তারা এর মম্ম বোজবে না, যাইগের নেই তারাই জানে। ম্যা’ভাই চোক ছলছল হইয়ে গেলো। জানিনে কেন আমারও চোকির কুনা ভিজে যাতি লাইগলো। আবডালে খুজে ফিল্লাম বাপজানে মুখ। যিডা ম্যালাদিন হইলো হারায় ফেলিচি। ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন