শুক্রবার
১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩

চট্টগ্রামে পানিবন্দি সাড়ে ৪ লাখ মানুষ, সবচেয়ে বিপর্যস্ত সাতকানিয়া

মুহাম্মদ দিদারুল আলম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:১১ পিএম
চট্টগ্রামে পানিবন্দি সাড়ে ৪ লাখ মানুষ, সবচেয়ে বিপর্যস্ত সাতকানিয়া

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও বাঁশখালী উপজেলায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। একের পর এক গ্রাম প্লাবিত হয়ে লাখো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কোথাও কোমর, কোথাও গলা সমান পানিতে তলিয়ে গেছে বসতবাড়ি, ফসলি জমি, মাছের ঘের, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। ভেসে গেছে ঘরের আসবাবপত্র, ধান-চাল ও গবাদিপশুর খাদ্য। বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে অনেক এলাকায় দেখা দিয়েছে মানবিক সংকট।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত জেলার প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পাহাড়ধস ও পানিতে ভেসে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্গতদের জন্য ৬২৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

সবচেয়ে নাজুক অবস্থা সাতকানিয়া উপজেলায়। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ডলু খালের বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ জনপদ পানির নিচে চলে গেছে। দুই লাখেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

ঘণ্টায় ঘণ্টায় নদ-নদীর পানি বাড়ছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও অবনতি হচ্ছে। নিম্নাঞ্চলের বসতবাড়ি, দোকানপাট, কৃষিজমি ও গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে গেছে। রান্নাঘরে পানি ঢুকে পড়ায় বহু পরিবার কয়েকদিন ধরে রান্না করতে পারছে না। কেউ শুকনো খাবার খেয়ে দিন পার করছেন, আবার কেউ প্রতিবেশীর উঁচু বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে রান্না করছেন।

নলকূপ ডুবে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট। বাধ্য হয়ে অনেকে দূষিত পানি ব্যবহার করছেন। এতে ডায়রিয়া, আমাশয় ও পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে। পানিতে সাপসহ বিষাক্ত প্রাণী চলে আসায় রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন অনেক পরিবার।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের হাসমতের দোকান এলাকায় সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের বুড়ির দোকান ব্রিজ এলাকায় প্রবল স্রোতে পানি ওঠায় বান্দরবানের সাথে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খোন্দকার মাহমুদুল হাসান জানান, দুর্গত মানুষের জন্য ৮৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুম ২৪ ঘণ্টা চালু রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়।

লোহাগাড়া উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত আমিরাবাদ ইউনিয়ন। পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে অনেক এলাকা পানির নিচে চলে গেছে। বহু মানুষ গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন।

উপজেলা প্রশাসন ১২টি আশ্রয়কেন্দ্র খুললেও অনেকেই এখনো বাড়িঘর ছেড়ে সেখানে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন। ইউএনও মো. বায়েজিদ বিন আখন্দ জানান, আমিরাবাদ থেকে ৯০ জনকে উদ্ধার করে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। পদুয়া ইউনিয়নের পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধারে প্রশাসনের দল কাজ করছে।

চন্দনাইশ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা বন্যাকবলিত হয়েছে। ধোপাছড়ি, বরকল ও বৈলতলী ইউনিয়নে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। প্রায় ১৩ হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ধোপাছড়ি এলাকায় সাড়ে তিনশত মানুষ ইতোমধ্যে আশ্রয় নিয়েছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে শুকনো খাবার ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হচ্ছে।

দোহাজারী এলাকায় পানি ওঠার কারণে বৃহস্পতিবার সকালে কিছু সময়ের জন্য চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকলেও পরে পরিস্থিতির উন্নতি হলে তা স্বাভাবিক হয়।

বাঁশখালীতেও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে বন্যা। উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের ২১২টি গ্রামের অধিকাংশই পানির নিচে। প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

পাহাড়ি ঢল ও বানের পানি হঠাৎ করেই মানুষের ঘরে ঢুকে পড়ায় প্রস্তুতির কোনো সুযোগ পাননি স্থানীয়রা। মাটির ঘর একের পর এক ভেঙে পড়েছে। ধান, চাল, আসবাবপত্র, মাছের ঘের, হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশুর খাদ্য পানিতে ভেসে গেছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় মোবাইল ফোন চার্জ দেওয়া যাচ্ছে না, ফলে অনেকেই বাইরের জগতের সাথে যোগাযোগ হারিয়েছেন।

বাঁশখালার বাসিন্দা মোহাম্মদ রিয়াদ বলেন, রাতভর ঘুমাতে পারেননি। একের পর এক মাটির ঘর ভেঙে পড়ার শব্দ শুনেছেন। সকালে উঠে দেখেছেন চারপাশে শুধু পানি আর পানিতে ভেসে থাকা ঘরের জিনিসপত্র।

রত্নপুর গ্রামের বাসিন্দা পারভেজ চৌধুরী বলেন, উপকূলীয় এলাকায় এমন বন্যা জীবনে দেখেননি। অন্যদিকে বাহারছড়া গ্রামের আব্দুল্লাহ আল মোমেন জানান, সকালে বৃষ্টি থামায় পানি কমবে ভেবেছিলেন, কিন্তু পরে আবার বৃষ্টি শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জলকদর খাল দখল ও ভরাট, অকার্যকর স্লুইস গেট এবং মাছের ঘেরের বাঁধের কারণে পানি নামতে পারছে না। ফলে পুরো পশ্চিম বাঁশখালী জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।

এই দুর্যোগের মধ্যেও সামনে এসেছে মানবিকতার এক অনন্য দৃশ্য। বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাঁশখালীর চেচুরিয়া ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় পানিবন্দি কয়েকটি পরিবারের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল উদ্ধার অভিযান চালায়।

গলা সমান পানি ঠেলে উদ্ধারকর্মীরা পাঁচ শিশু ও আট নারীকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যান। অভিযানের সময় আট মাস বয়সী এক শিশুকে একটি বড় পাতিলের মধ্যে বসিয়ে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। আরেক উদ্ধারকর্মী শিশুটির ওপর ছাতা ধরে রাখেন, যাতে বৃষ্টির পানি তার গায়ে না লাগে। ফায়ার সার্ভিসের এই মানবিক উদ্ধার অভিযানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শরীফ উদ্দিন জানান, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। দুর্গতদের জন্য ৬২৯টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্বেচ্ছাসেবীরা উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে স্থানীয়দের আশঙ্কা, আগামী কয়েকদিন ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। তাই দ্রুত উদ্ধার, পর্যাপ্ত ত্রাণ, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা এবং দীর্ঘমেয়াদি পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এই নাজুক পরিস্থিতিতে দুর্যোগ মোকাবিলা এবং সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা জেলা প্রশাসনের অধীনস্থ সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ও অন্যান্য ছুটি বাতিল ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তিনি জানান, চট্টগ্রামের দক্ষিণ ও উত্তর চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে সাতকানিয়া উপজেলায় পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে, যেখানে উপজেলার প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এর পাশাপাশি চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালী উপজেলার বিশাল জনপদ প্লাবিত হয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ও খাদ্য সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের জন্য প্রতিটি উপজেলা এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার জন্য কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

ত্রাণ কার্যক্রম সম্পর্কে জেলা প্রশাসক জানান, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে ২শ মেট্রিক টন চাল এবং ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে অতিরিক্ত ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ মিলেছে। প্রথম দফার ত্রাণ সহায়তা উপজেলাগুলোতে বিতরণের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের চাহিদার ভিত্তিতে নতুন বরাদ্দ দ্রুততম সময়ের মধ্যে দুর্গত এলাকায় পৌঁছানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে কোনো মানুষই অনাহারে না থাকেন।

আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর ব্যবস্থাপনা বিষয়ে তিনি জানান, জেলার মোট ৬২৯টি আশ্রয়কেন্দ্রকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে আসা মানুষের খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। আশ্রয় নেওয়াদের জন্য চিড়া, মুড়ি, গুড় এবং শিশুদের জন্য বিশেষ খাবার হিসেবে মাফিন, কেক ও বিস্কুটসহ ওরস্যালাইন এবং পাঁচ লিটার করে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও নারী ও শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে এবং প্রবীণ ও গর্ভবতী নারীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় মেডিকেল সাপোর্ট নিশ্চিত করা হয়েছে।

এদিকে, টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম ও পার্শ্ববর্তী পার্বত্য অঞ্চলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা এবং ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম সফরের অংশ হিসেবে তিনি বাঁশখালীর গুনাগরি ইউনিয়নের বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নেন। এছাড়া তিনি সাতকানিয়া উপজেলা এবং চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন করবেন।

পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ প্রত্যক্ষ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো একটি মানবিক দায়িত্ব। বিপদে-আপদে অসহায় মানুষের পাশে থাকা প্রত্যেকের কর্তব্য। সামর্থ্য অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামী বন্যাকবলিত মানুষের পাশে থাকবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সহযোগিতায় কাজ করবে।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় অনেক মানুষ ঘরবাড়ি, ফসল ও সহায়-সম্পদ হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাদের দ্রুত পুনর্বাসন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইরানের বিভিন্ন এলাকায় রাতভর বিস্ফোরণ

হবিগঞ্জে খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে ২০ গ্রাম প্লাবিত

চট্টগ্রামে শিশু ইরা হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রামে পানিবন্দি সাড়ে ৪ লাখ মানুষ, সবচেয়ে বিপর্যস্ত সাতকানিয়া

যশোরে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সমাবেশ / ইসলামী শ্রমনীতি প্রতিষ্ঠায় শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান

১২ বছর পর আবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড

ইরানের হিটলিস্টে এক নম্বরে ট্রাম্প

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের স্মরণীয় সাক্ষাৎ, সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান

তিস্তার পানি বিপদসীমার কাছাকাছি, লালমনিরহাটে বন্যার আশঙ্কা

স্পেন-বেলজিয়ামের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলার সূচি

যশোরে উগ্রবাদে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তরুণ আটক, সিটিটিসির কাছে হস্তান্তর

যশোরসহ ১৪ জেলায় ঝড়ের আভাস

শামা ওবায়েদ / শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় ঘাটতি নেই

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের ফের যুদ্ধ শুরু

বারোবাজার : ৭০০ বছরের ইতিহাস থাকলেও নেই পর্যটনের বিকাশ

একটি সেতুর অভাবে মানুষের চরম দুর্ভোগ

কীভাবে শুরু হয়েছিল জুমার নামাজ?

জাহ্নবীর হাতের মেহেদিতে কার নাম লেখা?

১০ জুলাই: ইতিহাসের পাতায় নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা

খেজুর-দুধ একসঙ্গে খেলে যেসব স্বাস্থ্য উপকারিতা মিলবে

X