
যশোরের মণিরামপুর উপজেলার জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে তিন কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে ৪২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জালালপুর গ্রামের বাসিন্দা ও জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোহাম্মদ মুনছুরুর রহমান যশোর আদালতে এ মামলা করেন।
মামলাটি আমলে নিয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবা শারমিন অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার আসামিরা হলেন জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমানত আলী, বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র সরকার এবং বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক পবিত্র কুমার দত্ত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, জালালপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির মেয়াদ ২০২১ সালে শেষ হয়। এরপর আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে একটি ভুয়া কমিটি গঠন করেন। পরে প্রতিষ্ঠাতা সদস্যসহ অন্যান্য সদস্যদের স্বাক্ষর জাল করে অফিস সহায়ক, আয়া ও নিরাপত্তাকর্মী পদে তিনজনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, এসব নিয়োগের বিপরীতে আসামিরা মোট ৪২ লাখ টাকা গ্রহণ করে আত্মসাৎ করেছেন। নিয়োগ পাওয়া তিন ব্যক্তি এখন পর্যন্ত বিদ্যালয়ে যোগদান করেননি এবং কোনো বেতনও উত্তোলন করেননি।
মামলার বাদী জানান, চলতি বছরের ৮ জুন বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ও বিদ্যালয়ের অন্যান্য সদস্যরা আপস-মীমাংসার চেষ্টা করেন। তবে অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করে ‘পারলে যা করার করে নিন’ বলে চলে যান। পরে সমঝোতার চেষ্টা ব্যর্থ হলে তিনি আদালতে মামলা করেন।
মন্তব্য করুন