
ইরানে টানা দ্বিতীয় রাতের মতো যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এবার কুয়েতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে বাহরাইনে বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠায় পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা উদ্বেগ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শত্রুপক্ষের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। কুয়েত সেনাবাহিনীর জেনারেল স্টাফ এক বিবৃতিতে বলেন, বর্তমানে আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলো শত্রুপক্ষের হামলা প্রতিহত করছে এবং বিভিন্ন স্থানে শোনা যাওয়া বিস্ফোরণের শব্দ মূলত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সফল প্রতিরোধ অভিযানের ফল।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কুনা জানিয়েছে, সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় কুয়েতজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের হরমুজ প্রণালীর তীরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ শহর বুশেহর, চাবাহার, বন্দর আব্বাস, সিরিক, জাস্ক এবং আবু মুসা দ্বীপে ব্যাপক বিমান হামলা চালায়। এসব এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ইরানশাহরে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, বড় ধরনের হামলা শিগগিরই চালানো হতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা।
মন্তব্য করুন