
বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করেছে আর্জেন্টিনা। তবে শিরোপা জিততে না পারলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের বিচারে নতুন স্বীকৃতি পেয়েছেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি।
ফিফার গোল্ডেন বলের দৌড়ে মেসিকে এগিয়ে রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত ব্যক্তিগত সেরার পুরস্কার জয় করেন স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি। ফিফার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফুটবলবিশ্বে আলোচনা-সমালোচনা চললেও এবার মেসিকেই সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ফুটবল ইতিহাস ও পরিসংখ্যান সংস্থা (আইএফএফএইচএস)।
ডেটা ও পারফরম্যান্স সূচকের বিশ্লেষণের ভিত্তিতে আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে এই স্বীকৃতি দিয়েছে সংস্থাটি। আইএফএফএইচএসের দাবি, কোনো ব্যক্তিগত পরিচিতি বা আবেগের ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং পুরো টুর্নামেন্টের পরিসংখ্যান ও খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করেই মেসিকে সেরা নির্বাচিত করা হয়েছে।
সংস্থাটির নিজস্ব পারফরম্যান্স ইনডেক্সে খেলোয়াড়দের গোল, অ্যাসিস্ট, প্রতিটি ম্যাচের রেটিং এবং নকআউট পর্বে দলের ওপর প্রভাবকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচের বিস্তারিত তথ্য বিশ্লেষণ করে আইএফএফএইচএসের কারিগরি প্যানেল এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে বলে জানানো হয়েছে।
আইএফএফএইচএসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পুরো টুর্নামেন্টে আট ম্যাচ খেলে আটটি গোল করেছেন মেসি। পাশাপাশি সতীর্থদের চারটি গোলে সহায়তাও করেছেন তিনি। বিশ্বকাপজুড়ে তার গড় ম্যাচ রেটিং ছিল ৮.৩৩।
পরিসংখ্যান সংস্থার মূল্যায়নে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে নকআউট পর্বের পারফরম্যান্স। বিদায়ের শঙ্কায় থাকা ম্যাচগুলোতে দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তোলার ক্ষমতাই একজন খেলোয়াড়ের প্রকৃত মাহাত্ম্য প্রকাশ করে। নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার অগ্রগতিতে মেসির অবদান ছিল অবিসংবাদিত। আইএফএফএইচএস স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কোনো ব্যক্তিগত পরিচিতি বা আবেগের বশবর্তী হয়ে নয়, বরং শতভাগ তথ্য-উপাত্ত আর পারফরম্যান্সের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করেই মেসিকে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় ঘোষণা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন