
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে রাজধানী ঢাকায় শুরু হয়েছে জুলাই জাতীয় সম্মেলন। শনিবার (৪ জুলাই) সকাল প্রায় ১০টা ১৫ মিনিটে আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, রক্তাক্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের স্মরণ এবং তাঁদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এ জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
এবারের সম্মেলনের মূলমন্ত্র ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। অনুষ্ঠানস্থলের মূল মঞ্চে শোভা পাচ্ছে একটি বিশেষ ব্যানার, যেখানে লেখা রয়েছে— ‘গর্বিত ইতিহাস, অদম্য চেতনা। ৪ জুলাইয়ের এই দিনে হোক সবার অনুপ্রেরণা, যে আত্মত্যাগ ইতিহাসকে বদলে দিয়েছে।’
জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনার, সামরিক ও বেসামরিক ঊধর্তন কর্মকর্তা ও পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত রয়েছেন। জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি এবং আমরা জুলাই যোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।
২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়। পরবর্তীতে আন্দোলন বিস্তৃত হয়ে জাতীয় রাজনৈতিক সংকটে রূপ নেয় এবং টানা ৩৬ দিনের ঘটনাপ্রবাহের পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতা ত্যাগ করে দেশ ছাড়েন বলে বিভিন্ন রাজনৈতিক সূত্র ও সে সময়ের ঘটনাপ্রবাহে উল্লেখ করা হয়।
জুলাই জাতীয় সম্মেলনের আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই আয়োজনের লক্ষ্য হলো ২০২৪ সালের আন্দোলনে নিহতদের স্মরণ, তাঁদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানানো এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সেই সময়ের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরা।
মন্তব্য করুন