
বিশ্বমঞ্চে উত্তর আমেরিকার প্রতিনিধি কানাডাকে কোনো সুযোগই দিচ্ছে না আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কো। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিজেদের চেনা আক্রমণাত্মক ধার বজায় রেখে ম্যাচের পুরো নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে তারা। একের পর এক পরিকল্পিত আক্রমণ এবং নিখুঁত ফিনিশিংয়ের ওপর ভর করে কানাডার বিপক্ষে এখন ২–০ গোলের আরামদায়ক ব্যবধানে এগিয়ে গেছে মরক্কো। মাঠে তাদের এই কর্তৃত্বপূর্ণ পারফরম্যান্স নকআউটের টিকিট নিশ্চিতের পথে দলটিকে দুর্দান্ত এক অবস্থানে নিয়ে গেছে।
রক্ষণের ভুল ও মরক্কোর জোড়া আঘাত
ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার পর থেকেই মরক্কোর ফুটবলাররা হাই-প্রেসিং ফুটবল খেলতে শুরু করে। কানাডার ডিফেন্স লাইনকে ব্যতিব্যস্ত রেখে ম্যাচের প্রথমার্ধেই দারুণ এক আক্রমণ থেকে প্রথম গোলের দেখা পায় তারা।
১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পরও মরক্কো তাদের আক্রমণের তীব্রতা বিন্দুমাত্র কমায়নি। কানাডা যখন সমতায় ফেরার জন্য তাদের ডিফেন্স লাইনে কিছুটা ফাঁকা তৈরি করে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করছিল, ঠিক তখনই কাউন্টার অ্যাটাক থেকে দ্বিতীয় গোলটি আদায় করে নেয় মরক্কোর ফরোয়ার্ডরা। উইং থেকে বাড়ানো এক দুর্দান্ত মাইনাস ধরে নিখুঁত কোনাকুনি শটে কানাডার গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ব্যবধান ২-০ করেন অ্যাটলাস লায়ন্সরা।
চালকের আসনে মরক্কো, ব্যাকফুটে কানাডা
২–০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর মরক্কো এখন অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক অবস্থানে থেকে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করছে। মাঝমাঠের দখল পুরোপুরি নিজেদের পায়ে রেখে তারা বল পজেশন ধরে রাখার কৌশল নিয়েছে। অন্যদিকে, দুই গোল হজম করে চরম মানসিক চাপে পড়েছে কানাডা। ম্যাচে ফিরতে হলে তাদের অল-আউট ফুটবলের পাশাপাশি অলৌকিক কিছুর জন্ম দিতে হবে। রেফারি শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত মরক্কো এই আধিপত্য ধরে রেখে পূর্ণ পয়েন্ট তুলে নিতে পারে কি না, সেদিকেই এখন চোখ বিশ্বজুড়ে কোটি ফুটবলপ্রেমীর।
মন্তব্য করুন