
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে কম্পোজিট এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) সিলিন্ডার আমদানির ওপর মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে বাজারে বিদেশি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতাকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেটে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন খাতে কর ও ভ্যাট কাঠামোয় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে কম্পোজিট এলপিজি সিলিন্ডার আমদানিকে ভ্যাটের আওতায় আনার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, আমদানি পর্যায়ে অতিরিক্ত কর আরোপ করা হলে এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়ে পড়তে পারে। ফলে রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে গ্রাহকদের আগের তুলনায় বেশি অর্থ ব্যয় করতে হতে পারে।
বর্তমানে দেশের বিপুলসংখ্যক পরিবার রান্নার জ্বালানি হিসেবে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে যেসব এলাকায় পাইপলাইনের গ্যাস সংযোগ নেই, সেখানে এলপিজিই প্রধান জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই এ খাতে মূল্য বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অধিবেশন শুরু হওয়ার পর অর্থমন্ত্রী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করেন।
মন্তব্য করুন