
ইরাকের এরবিলে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর দাবি, সাম্প্রতিক সংঘাতে মার্কিন সামরিক অবকাঠামোর বড় একটি অংশ ধ্বংস হয়েছে। একই সঙ্গে আরও শক্তিশালী, নির্ভুল ও দূরপাল্লার নতুন আক্রমণাত্মক ড্রোন মোতায়েনের কথাও জানিয়েছে তেহরান।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রেজা আকরামিনিয়া এসব দাবি করেন। তার ভাষ্য, এরবিল অঞ্চলে ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে গুরুতর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং এসব স্থাপনার অনেকগুলোই আগের মতো কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা হারিয়েছে।
আকরামিনিয়া আরও দাবি করেন, এরবিলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবকাঠামোর ‘প্রায় পুরোটাই’ ধ্বংস করা হয়েছে। একই সঙ্গে সেখানে সক্রিয় ইরানবিরোধী গোষ্ঠীগুলোও এখন আর আগের মতো অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আকরামিনিয়া বলেন, ওই অঞ্চলের পাশাপাশি দক্ষিণ ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগরীয় এলাকাজুড়েও যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল সামরিক সক্ষমতা, সরঞ্জাম ও ঘাঁটি রয়েছে। পাশাপাশি তারা সাম্প্রতিক ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কাজ করছে বলেও তিনি দাবি করেন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, সংঘাত আবার শুরু হলে ইরান সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, আমেরিকানরা যতক্ষণ না বুঝবে যে, আগ্রাসনের মাধ্যমে তারা ইরানি জাতির ওপর নিজেদের ইচ্ছা চাপিয়ে দিতে পারবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত এ অভিযান চলবে।
মুখপাত্র আরও দাবি করেন, ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের সামরিক বাহিনী আরাশ-২ ড্রোন ব্যবহার করলেও এখন তারা আরও বেশি ধ্বংসাত্মক, নির্ভুলতাসম্পন্ন ও দূরপাল্লার নতুন ড্রোন মোতায়েন করছে।
মন্তব্য করুন