
যশোরের বসুন্দিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় দুইজনকে আটক করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। আটকরা হলেন বসুন্দিয়া গ্রামের মৃত জব্বার খানের ছেলে রুবেল খান এবং হামিদপুর গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে বাবুল আহমেদ।
পুলিশ জানায়, রুবেল খানকে সোমবার রাতে বসুন্দিয়া এলাকা থেকে এবং বাবুল আহমেদকে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে খড়কি এলাকা থেকে আটক করা হয়। পরে মঙ্গলবার বিকেলে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে এ ঘটনায় বসুন্দিয়া সদুল্লাপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং ঢাকা উত্তর ভাষানটেক ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল, পৌরসভার সাবেক ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী সুমনসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৩৯ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ৬ জুন রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে আলমগীর হোসেন নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে খবর পান যে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জঙ্গলবাধাল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবস্থান করছেন। তারা নাশকতার পরিকল্পনা ও সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়।
পরে তিনি স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে দেখতে পান, আসামিরা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে দিতে পাশের ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালাচ্ছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় তারা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, প্রয়াত মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম এবং প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের ছবি ভাঙচুর করেন। প্রায় ২০ মিনিট ধরে তারা কার্যালয়ে তাণ্ডব চালান বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোফাজ্জেল হোসেন বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন