
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান খোকন তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত চাঁদাবাজির অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।
এ অভিযোগের প্রতিবাদে মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ১০টায় জীবননগর উপজেলা যুবদলের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন খান খোকন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কথিত সাংবাদিক মো. শামীম হোসেন (বাংলা এভিশন) তার এবং উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ওই ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে ফোন করে কোনো ধরনের প্রমাণ ছাড়াই তাকে ‘চাঁদাবাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং এ বিষয়ে তার কাছে প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেন। এছাড়া, উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের কোনো বক্তব্য বা অনুমতি ছাড়াই তাদের ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে একতরফা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রকাশিত তথ্যে দাবি করা হয়েছে যে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা তার অপসারণ চেয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলেছেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এ ধরনের প্রচারকে তিনি রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা বলে উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি অতীতে জীবননগরে অবস্থানকালে মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়ে কারাগারেও গিয়েছিলেন।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে আনোয়ার হোসেন খান খোকন বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা চাঁদাবাজির একটি অভিযোগও প্রমাণিত হলে তিনি বিএনপির যেকোনো সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন। তবে মিথ্যা ও মানহানিকর অপপ্রচার অব্যাহত থাকলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
তিনি শেষে ভিত্তিহীন অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাজাহান আলী, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মইনুদ্দিন ময়েন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাব হোসেন, সীমান্ত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ওসমান গনি, মনোহরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমিনুল সরদার, হাসাদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল আল মামুন, আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আতিয়ার রহমান, রায়পুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, কেডিকে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম, বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবু তালেব, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক ছানোয়ার হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন