
যশোর সদর উপজেলার আন্দাইলপোতা গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে মসজিদের ভেতরে ও সামনে একই পরিবারের তিনজনকে মারধর ও জখমের ঘটনায় আদালতে দায়ের করা মামলাটি কোতোয়ালি থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ইমদাদুল হকের স্ত্রী ছবেদা খাতুন আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। পরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগটি আমলে নিয়ে সেটিকে এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার জন্য কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার রাতে মামলাটি নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন সদর উপজেলার কাঠামারা গ্রামের হাসেম বিশ্বাসের ছেলে আতিকুর রহমান, মৃত হায়দার বিশ্বাসের ছেলে জুলফিকার আলী ফক্কার, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার লুচিয়া গ্রামের ইজ্জত আলী বিশ্বাসের ছেলে মামুন বিশ্বাস, সদর উপজেলার দলেননগর গ্রামের বিশারত বিশ্বাসের ছেলে মিন্টু বিশ্বাস, কাঠামারা গ্রামের চাকোম আলী বিশ্বাসের ছেলে ইয়াসিন হোসেন এবং একই গ্রামের রিয়াজুর ইসলাম ফক্কার।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিদের সঙ্গে ইমদাদুল হকের পূর্ব শত্রুতা ছিল। এর জেরে তারা দীর্ঘদিন ধরে তাকে হুমকি দিয়ে আসছিল। গত ২৪ জুন এশার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে তিনি আন্দাইলপোতা পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে যান।
সেখানে অভিযুক্তদের দেখতে পেয়ে তিনি তার ছেলে বাশার আহমেদ বশিরকে ডেকে নেন। বশির মসজিদে পৌঁছালে আসামিরা পিতা-পুত্রকে জোরপূর্বক মসজিদের বাইরে নিয়ে গিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। পরে ছবেদা খাতুন ঘটনাস্থলে গেলে তাকেও মারধর করে জখম করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় স্থানীয়রা ও অন্যান্য মুসল্লিরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা হত্যার হুমকি দিয়ে স্থান ত্যাগ করে। পরে আহত ইমদাদুল হককে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ছবেদা খাতুন ও তার ছেলে বাশার আহমেদ বশিরও চিকিৎসা নেন। সুস্থ হওয়ার পর তিনি আদালতে পিটিশন মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন