
মাজেমদ্দি মুবাল ফোনের নেটওয়ার উইড়ে যায়। হটাস কইরে এইরাম হলি পেত্তম পেত্তম অনেকেই বুজদি পারেনা ফ্যারাডা কি। কেউ কেউ মনে করিল তাইগের মনে হয় মুবালির টাকা চুয়া হইয়ে গেচে তাই কল যাচ্চে না কিম্বা কারো সাতে যুগাযোগ কত্তি পাচ্চে না। বহু লোক হুতোশে টাকাও ভত্তি যায় স্যানেও যাইয়েও পড়ে যন্তরনায় । চারিদিকি হায়রে হায় বাইদে যাওয়ার পর জানাজানি হয় নেটওয়ার চইলে গিলো। হৈ চৈ পড়ার ঘন্টা কয়েক পর আবার লাইন জুইড়ে দিয়া হয়। তকনতে আবার পরিস্তিতি আগের মতো হতি শুরু করে। বছর খানেক আগে ইরাম নেটওয়ার উইড়ে গিলো। লোকে কইলো সরকার পাজায় দেচে, সরকারের পক্কে এক পোতিমুন্ত্রী কইলেন হাপন ইচ্চেয় পাইজে গেচে। এই নিয়ে কম ধুইতুলি মুইতুলি হইলো না। পুরোন কতা নিয়ে টুয়াপাচা হচ্চে। একাকজন একাক কতা গাবাচ্চিল। এক নিতাপানা লোক কলে, সারেদিন মুবালি কল আসে। মুবালি কতা কতি কতি গাল মুক গ্যাজায় যায়। মাজেমদ্দি কলের কচনে মনে হয় মুবাল আছড়ায়ে ভাইঙ্গে ফেলি। কিন্তুক নেটওয়ার পাইজে যাওয়ায় মুবাল মনে হইলো বেহুশ হইয়ে গেচে। কল তো আসেও না, না, দিতি যাইয়েও কারো সাতে জুড়ানোও যায় না। হাতের মুটোয় থাকা এই যন্তর যে কত জরুলী পাইজে গেলি তা বুজা যায়। থাকলি যট্টুক জ্বালা তার চাইতেও দেড়ি জ্বালা না থাকলি। তার এই শুইনে আমাগের পাড়ার এক মুরুব্বী কুক ছাইড়ে কাইন্দে উটার মতো আওয়াজ দেলে। স¹লি তার দিকি তাগায় পইড়লো তার আবার কি হইলো ! জানতি কয়জন আইগোয় যাইয়ে কলে, দাদা তুমার আবার কি হইলো, তুমিও কি মুবালির ফ্যারায় পড়িলে। মুরুব্বীরে চোক ছলছল কইরে কলে, বয়েস এট্টু ভাটিতি চইলে গেলি মানুস হয়ত এট্টু দেড়ি বগে। সেই কারনে কেউ সুমকি আসতি চায় না। ডাকলিও কাচেপিটি আসেনা। কিন্তুক যকন তারা হারায় যায় তকন বুজা যায় এই বগর বগর করা লোকটাও নেটওয়ারের মতো কত দরকারে লাগে। তোগের মুবালির নেটওয়ারতো দুই ঘন্টা পর ফিরে আইয়েচে, মুরুব্বীরা একবার না ফিরার দেশে চইলে গেলি আর ফেরে না। তাই বাড়ির মুরুব্বীগের দিকি এট্টু খিয়াল দিস তুরা। তার কতা শুইনে পুইতে গেলাম। আলাম কনে, মলাম যে ! ইতি অভাগা আক্কেল চাচা
মন্তব্য করুন
২৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম
২৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৫ এএম
২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:০২ পিএম
২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৪ পিএম
২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৩ পিএম