
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, দেশে প্রচলিত অর্থে ‘নকল’ অনেক আগেই নির্মূল করা হয়েছে। তবে প্রযুক্তির বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে ডিজিটাল নকল, যা প্রতিরোধে আধুনিক ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড-এর কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নকল শব্দটির কবর দিয়ে এসেছি অনেক আগেই। এটি নিয়ে আর কথা বলতে চাই না। কিন্তু এখন নকল হচ্ছে ডিজিটালি। তাই ডিজিটাল নকল প্রতিরোধেও যুগোপযোগী পদক্ষেপ নিতে হবে।
সভায় দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বর্তমানে উচ্চশিক্ষার প্রতি অতিরিক্ত ঝোঁক দেখা যাচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান নতুন নতুন অনার্স কোর্স চালুর আগ্রহ দেখাচ্ছে, যা সব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নয়। শিক্ষাব্যবস্থাকে বাস্তবমুখী ও কর্মসংস্থান উপযোগী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ড. মিলন বলেন, আমাদের দেশে শুধু উচ্চশিক্ষা আর উচ্চশিক্ষা—সবাই অনার্স চালু করতে চায়। কিন্তু এর প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করা জরুরি।
পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার বিষয়েও সতর্কবার্তা দেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের উত্তরপত্র র্যান্ডম ভিত্তিতে যাচাই করা হবে, যাতে কোনো পরীক্ষক অতিরিক্ত বা কম নম্বর দিয়ে থাকলে তা শনাক্ত করা যায়।
তিনি বলেন, সব বোর্ডের খাতা আমরা র্যান্ডমলি পরীক্ষা করে দেখব, কেউ কম বা বেশি নম্বর দিয়েছেন কি না। মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় সঠিকতা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।
মন্তব্য করুন