
যশোরের চৌগাছা উপজেলায় একটি বাওড়ের নৈশপ্রহরীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
নিহত আতিয়ার রহমান (৫৫) যশোর সদর উপজেলার লস্করপুর গ্রামের ছবেদ আলীর ছেলে। তিনি বেড়গোবিন্দপুর বাওড়ের নৈশপ্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তিনি শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিলেন বলেও জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২০ জুন) রাতে আতিয়ার রহমান বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
রোববার (২১ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বেড়গোবিন্দপুর বাওড় সংলগ্ন একটি খালের কচুরিপানার নিচে তার মরদেহ ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুনুর রশীদ জানান, আতিয়ার রহমান নৈশপ্রহরীর দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বাওড়ে মোটর বসিয়ে সেচের পানি বিক্রির কাজও করতেন। প্রাথমিকভাবে তার সঙ্গে কারও ব্যক্তিগত বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, বাওড়ে মাছ চুরির ঘটনায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে থাকতে পারে। তবে তদন্তের পরই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাবে।
ওসি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
মন্তব্য করুন