
যশোরে র্যাব, পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পৃথক অভিযানে ইয়াবা, গাঁজা ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এসব অভিযানে মোট ৯ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় তাদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
র্যাব-৬, সিপিসি-৩ যশোর ক্যাম্প সূত্র জানায়, রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের শংকরপুর সন্ন্যাসী বটতলা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ২১ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবককে আটক করা হয়। আটকরা হলেন ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ফুলহরি গ্রামের মোহন হোসেনের ছেলে সাকিবুল হাসান (২৭) এবং যশোর শহরের ঘোপ সেন্ট্রাল রোড এলাকার শহীদ মিয়ার ছেলে মিরাজ হোসেন (২১)।
একই রাতে রাত ৯টার দিকে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মিজবা উদ্দিন সদর উপজেলার তেঘরি গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৫২ পুরিয়া গাঁজাসহ রাহিদ মোল্যা (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেন। তিনি ওই গ্রামের মৃত মাজেদ মোল্যার ছেলে।
পরে রাত সোয়া ১০টার দিকে উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই অলক কুমার দে শহরতলীর বিরামপুর ফকিরার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ পিস ইয়াবাসহ আনিচুর রহমান (২১) নামে এক যুবককে আটক করেন। তিনি মাগুরার শালিখা উপজেলার উত্তর শরশুনা গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে।
রাত ১টার দিকে কোতোয়ালি থানার এসআই মেহেদী হাসান শহরের বকচর প্রাইমারি স্কুল এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি চাইনিজ কুড়ালসহ সালাম বিশ্বাস (৩০) নামে এক যুবককে আটক করেন। তিনি ওই এলাকার সামাদ বিশ্বাসের ছেলে।
এদিকে, সোমবার সকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মদন মোহন সাহার নেতৃত্বে একটি দল শহরের পুরাতন কসবা রায়পাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ৫০ পিস ইয়াবাসহ ছাদিকুর রহমান সুমন (৪১) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি একই এলাকার মৃত মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে।
অন্যদিকে, রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে কোতোয়ালি থানার এসআই আলমগীর হোসেন শহরের রেলগেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই যুবককে আটক করেন। তাদের কাছ থেকে দুটি চাকু, নগদ ৯২ হাজার ৮০০ টাকা, একটি স্কুটি ও একটি নম্বরবিহীন মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। আটকরা হলেন শহরের ষষ্ঠীতলার জামাল হোসেনের ছেলে আরাফাত হোসেন (২৫) এবং ডিয়ার মাঝির ছেলে ইমন মাঝি (২০)।
এছাড়া রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কোতোয়ালি থানার এসআই আল আমিন হোসেন শহরের বারান্দীপাড়া আমিনিয়া আলিয়া মাদ্রাসা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০ পিস ইয়াবাসহ কেরামত আলী (৬০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেন। তিনি বারান্দীপাড়া কদমতলা এলাকার মৃত ইবাদ আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, কেরামত আলীর বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত ছয়টি মামলা রয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও সংশ্লিষ্ট ধারায় পৃথক মামলা দায়ের করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন