
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বি আর এ কে এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষার ফি পরিশোধে বিলম্ব হওয়ায় অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার হল থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী রাফিন হোসেন ও তার পরিবারের দাবি, ঘটনার পর থেকে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে এবং খাওয়া-দাওয়াও বন্ধ করে দিয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষায় অংশ নিতে বিদ্যালয়ে যায় রাফিন। পরীক্ষা চলাকালে সহকারী শিক্ষিকা শাহনাজ পারভীন তার কাছে পরীক্ষার ফি চান। রাফিন পারিবারিক সমস্যার কারণে কয়েকদিন সময় চাইলেও তাকে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে পাঠানো হয়।
রাফিনের ভাষ্য, তিনি প্রধান শিক্ষক জামিরুল ইসলামের কাছে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ চেয়ে অনুরোধ করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক ফি ছাড়া পরীক্ষা দেওয়া যাবে না জানিয়ে তাকে বিদ্যালয় ত্যাগ করতে বলেন। পরে সে পরীক্ষা না দিয়েই কান্নাজড়িত অবস্থায় বাড়ি ফিরে যায়।
রাফিনের বাবা চঞ্চল হোসেন বলেন, পারিবারিক সমস্যার কারণে পরীক্ষার ফি দিতে কিছুটা দেরি হয়েছিল। কয়েকদিনের মধ্যেই ফি পরিশোধ করা হবে বলে বিদ্যালয়কে জানানো হয়েছিল। তারপরও তার ছেলেকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়নি। এ ঘটনার পর থেকে ছেলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামিরুল ইসলাম গণমাধ্যমের কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বিষয়টি তার নজরে এসেছে। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন