
দেশের কৃষিখাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে ৬০ হাজার টন টিএসপি ও ইউরিয়া সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ জন্য মোট ব্যয় হবে প্রায় ৪৬৪ কোটি টাকা।
বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্তগুলো গৃহীত হয়।
সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের চুক্তির আওতায় মরক্কো থেকে ৩০ হাজার টন ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) ও মরক্কোর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পূর্ববর্তী চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় ২০২৫ সালের ২ জুলাই নতুন সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও চুক্তি নবায়ন করা হয়। নবায়িত চুক্তির আওতায় আন্তর্জাতিক বাজারদরের ভিত্তিতে ৩০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানি করা হবে।
সার আমদানি চুক্তিতে উল্লিখিত মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুসারে সারের মূল্য নির্ধারণ করে মরক্কো থেকে ৩০ হাজার টন টিএসপি সার বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যে মোট ব্যয় হবে ২ কোটি ১৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর দাম পড়ে ২৬৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।
একই সভায় কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার ক্রয়ের প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের সার সংগ্রহ পরিকল্পনার আওতায় কাফকোর সঙ্গে ৫ লাখ ৫০ হাজার টন ইউরিয়া সার ক্রয়ের সংশোধিত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেই চুক্তির মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুসরণ করে নতুন এ চালান ক্রয় করা হবে।
৩০ হাজার টন ইউরিয়া সার কিনতে ব্যয় হবে ১ কোটি ৬২ লাখ ২২ হাজার ২৫০ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২০০ কোটি টাকার সমান।
মন্তব্য করুন