
যশোরের অভয়নগর উপজেলার তালতলার পালকি কমিউনিটি সেন্টারে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় এবং নবলোক পরিষদের বাস্তবায়নে Agro-Microenterprise Development Unit কর্মসূচির আওতায় একটি আঞ্চলিক কারিগরি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১০টায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল নবলোক পরিষদের কর্মএলাকায় মৎস্যখাতের উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা এবং আধুনিক মাছ চাষ প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে আরও কার্যকরভাবে সম্প্রসারণ করা। এ কর্মসূচির আওতায় মৎস্যচাষিদের আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ, ফলাফল প্রদর্শনী, প্রতিরূপায়ণ সভা, প্রয়োজনীয় উপকরণ বিতরণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় মৎস্যখাত সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে।
আয়োজকরা জানান, এই কর্মশালার মাধ্যমে সংস্থার বাস্তবায়নাধীন মৎস্য উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরকে অবহিত করা, সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে সরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যকর সংযোগ স্থাপন এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণে সহায়তা করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি মৎস্যখাতের বিভিন্ন অংশীজনের পরামর্শ গ্রহণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা আরও যুগোপযোগী ও কার্যকরভাবে প্রণয়ন এবং কার্যক্রমের মানোন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মো. আসাদুজ্জামান, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। সভাপতিত্ব করেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান, কর্মসূচি সমন্বয়কারী, নবলোক পরিষদ, খুলনা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লিপ্টন সরদার, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, অভয়নগর, যশোর এবং এম এন এস মামুন সিদ্দিকী, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, স্বাদু পানি উপকেন্দ্র, যশোর।
এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেকেন্দার আলী, খামার ব্যবস্থাপক, যশোর; মো. হাবিবুর রহমান, প্রভাষক, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; তরুণ কুমার মুস্তফী, মৎস্য কর্মকর্তা, নবলোক পরিষদ; ওয়ালিদ হাসান, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা, নবলোক পরিষদ; প্রসূন বিশ্বাস, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, নবলোক পরিষদ এবং মো. আল মামুন, সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, নবলোক পরিষদ।
কর্মশালায় আরও অংশগ্রহণ করেন মৎস্যচাষি, উদ্যোক্তা, মৎস্য খাদ্য উৎপাদনকারী, মৎস্য পোনা উৎপাদনকারী (হ্যাচারি মালিক), অ্যাকুয়া-মেডিসিন বাজারজাতকারী, মৎস্য ব্যবসায়ী, আড়তদার, খুচরা বিক্রেতা, মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকারী এবং মৎস্য রপ্তানিকারকসহ মৎস্যখাতের বিভিন্ন পর্যায়ের অংশীজন।
মন্তব্য করুন