
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপনের জন্য জাতীয় সংসদে পৌঁছেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনে পৌঁছে তিনি দেশের জনগণের জন্য স্বস্তি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন।
বাজেট উপস্থাপন উপলক্ষে সংসদে একটি বিশেষ মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সংসদে পৌঁছানোর পর অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, সীমিত সম্পদের মধ্যেও দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য স্বস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে।
এর আগে বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার পথে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং মানুষের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের বিভিন্ন খাত নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপট অন্যান্য বছরের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। ফলে জনগণের প্রত্যাশা, আকাঙ্ক্ষা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনাকে সামনে রেখে বাজেট প্রস্তুত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় সরকারের সামর্থ্যের মধ্যেই বাজেট প্রণয়ন করতে হয়েছে। একটি ভঙ্গুর ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ অর্থনীতি থেকে দেশকে স্থিতিশীলতার পথে এগিয়ে নিয়ে গিয়ে ভবিষ্যতে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের রূপরেখা এবারের বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এই বাজেটের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো দেশের সব নাগরিককে উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করার চেষ্টা। জাতীয় ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে জনগণের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির সুফল সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তি শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়েই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। সীমিত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন যাত্রাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা সরকারের।
মন্তব্য করুন
১০ জুন ২০২৬, ০৪:১৫ পিএম
১০ জুন ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম