সোমবার
০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩

বিক্ষোভে উত্তাল জার্মানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫০ এএম
বিক্ষোভে উত্তাল জার্মানি ¦ ছবি: রয়টার্স

জার্মানির উগ্র ডানপন্থী রাজনৈতিক দল অলটারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি)-র বার্ষিক সম্মেলনকে কেন্দ্র করে শনিবার (৪ জুলাই) দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শহর এরফুর্টে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনস্থলে যাওয়ার বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভকারীরা দলটির নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এরফুর্ট ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ১৫ হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

বিক্ষোভে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং বামপন্থী রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকেরা অংশ নেন। তারা এএফডির অভিবাসনবিষয়ক অবস্থান এবং রাজনৈতিক বক্তব্যের সমালোচনা করেন।

সম্মেলনের প্রথম দিনেই দলটির দুই শীর্ষ নেতা অ্যালিস ভাইডেল এবং টিনো ক্রুপালা পুনরায় নেতৃত্বের দায়িত্ব পান। তাঁদের নেতৃত্বে সাম্প্রতিক জনমত জরিপে এএফডি জার্মানির অন্যতম জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে।

অভিবাসনবিরোধী অবস্থান আরও জোরালোভাবে তুলে ধরে এএফডি। সম্মেলন শুরুর আগে দলটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে 'সেন্ড দেম ব্যাক' (তাদের ফিরিয়ে দাও) শিরোনামের গান প্রচার করা হয়। সম্মেলনস্থলে 'আপনাকেও বহিষ্কার করা হবে', এমন স্লোগানসংবলিত পোস্টকার্ডও বিক্রি করা হয়।

দলটির বিতর্কিত নেতা বিওর্ন হ্যোকে বক্তব্যে জার্মানির আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তার অবনতির অভিযোগ তুলে বলেন, একটি 'মহান জার্মানি' হবে এমন দেশ, যেখানে মানুষ রাতে নির্ভয়ে হাঁটতে পারবে এবং ঘরের চাবি দরজার বাইরে রেখেও নিরাপদ থাকবে।

আগামী সেপ্টেম্বরে স্যাক্সনি-আনহাল্ট ও মেকলেনবুর্গ-ফরপোমার্ন অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনকে সামনে রেখে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এসব নির্বাচনে ভালো ফল জাতীয় রাজনীতিতে দলটির অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করছে এএফডি।

দশ বছরের বেশি আগে প্রতিষ্ঠিত এএফডি জাতীয়তাবাদী বক্তব্য, কঠোর অভিবাসননীতি এবং দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক স্থবিরতায় অসন্তুষ্ট ভোটারদের সমর্থন নিয়ে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দলটির সমর্থন প্রায় ২৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্জের নেতৃত্বাধীন সিডিইউ/সিএসইউ জোটের চেয়েও বেশি।

তবে সমালোচকদের মতে, এএফডির বিভিন্ন নীতিতে বর্ণবাদ ও উগ্র জাতীয়তাবাদের প্রতিফলন রয়েছে, যা জার্মানির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এই কারণেই দেশটির মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলো দীর্ঘদিন ধরে এএফডির সঙ্গে কোনো ধরনের জোট না করার নীতি অনুসরণ করে আসছে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

৬ জুলাই: ইতিহাসের এই দিনে কী ঘটেছিল

বিক্ষোভে উত্তাল জার্মানি

নেইমারের গোলো হলো না রক্ষা, ব্রাজিলকে বিদায় করল নরওয়ে

হালান্ডের বুলেট গোল, নরওয়ের কাছে হেরে বিদায়ের মুখে ব্রাজিল

গৌরীকে বিয়ে করলেন আমির খান

ইরান যুদ্ধ: আমিরাতে আয়রন ডোম ও সেনা পাঠিয়েছিল ইসরায়েল

টেকনো স্মার্টফোনের দাম কমলো

নিল্যান্ডের জাদুকরী সেভ, ১৪ মিনিটে পেনাল্টি মিসের হতাশায় পুড়ল ব্রাজিল

শুরুতেই কাঁপল ব্রাজিল, অফসাইডের স্বস্তিতে রক্ষা সেলেসাওদের

কাতারের জলসীমায় স্বাভাবিক, নৌচলাচল শুরু

খরায় পুড়ছে ইউরোপ, পানি সংকটে শুকিয়ে যাচ্ছে ধানক্ষেত

এরদোয়ান / যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা যেন ইসরায়েল নস্যাৎ করতে না পারে

রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে তেল টার্মিনালে ইউক্রেনের হামলা

কারাভোগ শেষে ভারত থেকে দেশে ফিরলেন ৫০ বাংলাদেশি

হৃদরোগ দূরে রাখতে যা করতে হবে

জামায়াত কি আসলেই শরিয়াভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে চায়?

বিশ্বকাপ খেলা দেখা নিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৯

৭১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকায় ছয় লেনের এক্সপ্রেসওয়েতে রূপ পাচ্ছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক

যশোরে মসজিদে বাবা ও ছেলেকে মারধরের ঘটনায় মামলা

গোপালগঞ্জে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৪০

X