
টানা বৃষ্টিপাতের ফলে কৃষকদের বীজতলা ও সবজিক্ষেত ব্যপক ক্ষতিগ্রস্ত । টানা বর্ষনের কারনে হাটবাজারে রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ উপচে পানি গড়িয়ে যাচ্ছে। এতে পথচারী ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে টানা বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন আমন, সবজি,ফল ও মৎস চাষিরা। উপজেলার ১১ ইউনিয়ন জমির ফসল পানিতে তলিয়ে রয়েছে। তবে কৃষি অফিস ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিরুপণ করতে না পারলেও তা কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হয়েছে। এবারের বৃষ্টিতে আগাম শীতকালীন সবজি ও আমনের চারার ক্ষতিটা বেশি হয়েছে। সেই সাথে শহরের অনেক স্থানে এখনো অতিবৃষ্টির পানি জমে থই থই করছে। চরম ভোগান্তিতে ব্যবসায়ীরা। বিগত বছরের তুলনায় এবার টানা বর্ষণে ক্ষতির পরিমাণটা বেশি বলে অনুমান করছে ভ’ক্তভোগীরা।
টানা বৃষ্টিপাতের কারনে উপজেলার বারোবাজারর, রাখালগাছী,মালিয়াট, রায়গ্রাম, কাষ্ঠভাঙ্গা , সিমলা রোকনপুর , ত্রিলোচনপুর , ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সবজিক্ষেত বিনষ্টের আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
মহিষাহটি গ্রামের কৃষক জকির,ফুলবাড়ী গ্রামের রেজাউল,মালিয়াট , ইউনিয়নের তরিকুল জানান, শনিবার সন্ধ্যা থেকে টানা বৃষ্টিপাতে পানি জমে থেকে সবজি গাছের গোড়া পঁচে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে।
টানা বর্ষণের কবলে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব আলম রনি জানান, , সবজি ২৪ হেক্টর, বীজতলা ২৫ হেক্টর, কাঁচা মরিচ ৫ হেক্টর, পাট ৩০ হেক্টর ও অন্যান্য ফসলসহ প্রায় ১০০ হেক্টর জমির ফসল পানিতে ক্ষতি হয়েছে। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণের কাজ চলছে। দুএক দিনের মধ্যে সঠিক তথ্য পাবেন। আপাতত ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজওয়ানা নাহিদ জানান, টানা বর্ষণে উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণের কাজ চলছে। তবে. ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার বিষয়ে এখনো কোন সরকারি নির্দেশনা আসেনি বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন